খুঁজুন
                               
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দীর্ঘ ১৮ বছরের চাকরি জীবনে পদবঞ্চনা, বৈষম্য, অপমান ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিআইজি রেজাউল।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রসচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম মল্লিক শৈশব স্মৃতির কথা তুলে ধরে জানান, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাদারীপুরের শিবচরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ধানের শীষের মালা পরিয়ে বরণ করার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই মুহূর্তকে তিনি জীবনের অন্যতম সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে আরও কয়েকবার জিয়াউর রহমানের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়। সবশেষ ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জুনিয়র ক্যাডেট কোর ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

অনুষ্ঠান শেষে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে করমর্দন করে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল রেজাউল করিমের। সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সেদিনের অনুভূতি ছিল এমন, যেন আমি বিশ্বজয় করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কয়েক মাস পরই ৩০ মে সেই বিষাদময় সংবাদ শুনতে হয়। নিজেকে আর স্থির রাখতে পারিনি, কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম।’

বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডিআইজি রেজাউল। জীবনের কঠিন সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার একটি আশ্বাস কিংবা স্নেহমাখা বাক্য তাঁকে নতুন করে বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খালেদা জিয়াকে ‘আশ্রয় ও সাহসের প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গে এই ডিআইজি বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন আশার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে আম সংগ্রহ শুরু ১৫ মে

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে আম সংগ্রহ শুরু ১৫ মে

রাজশাহীর আমবাগানে চলতি মৌসুমের গুটি জাতের আম সংগ্রহ আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে জেলার বিভিন্ন জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আম সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করেছে জেলা প্রশাসন।

রবিবার (১০মে)  বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এ সময় আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ২২ মে থেকে গোপালভোগ, ২৫ মে থেকে রানীপছন্দ ও লক্ষণভোগ, ৩০ মে থেকে হিমসাগর বা খিরসাপাত বাজারজাত করা যাবে। এছাড়া ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও বানানা ম্যাংগো, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি সংগ্রহের অনুমতি থাকবে।

পরবর্তী ধাপে ৫ জুলাই থেকে বারি আম-৪, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা এবং ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি আম নামানো যাবে। অন্যদিকে কাটিমন ও বারি আম-১১ জাতের আম সারা বছরই সংগ্রহ করা যাবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, কিছু গুটি আম আগেই পেকে যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে সেসব আম নির্ধারিত সময়ের আগেও সংগ্রহ করা যাবে।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, অপরিপক্ব আম বাজারে আসা ঠেকাতে এবং ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত আম নিশ্চিত করতে প্রতিবছরের মতো এবারও সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে গাছ থেকে আম নামিয়ে বাজারজাত করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

কালের আলো/এসআইপি

 

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। একইসঙ্গে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি: বাংলাদেশ পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি রুটে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) এবং ঢাকায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান অংশ নেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় আনতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে নতুন বিধিমালা চালু করতে যাচ্ছে।

নতুন এ বিধানে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হবে।
সভায় নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা ও বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে দক্ষতা প্রশিক্ষণকে যুক্ত করা এবং গন্তব্য দেশের নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান-নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও বেশি রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা অবৈধ অভিবাসন রোধ, নিয়মিত অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং মানবিক ও অধিকারভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: মির্জা ফখরুল

গ্রাম পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে এবং নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ ও গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগে গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবর (১১ মে) সচিবালয়ে ইউএনডিপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নেসহ চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও কম খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত এ অঞ্চলে শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে। পাশাপাশি নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসএকে