খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ-চীন কি কি চুক্তি হয়েছে, জানালেন মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ-চীন কি কি চুক্তি হয়েছে, জানালেন মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে বাংলাদেশ ও চীনের বহুমাত্রিক সম্পর্ক এখন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, চীনে প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পেরিয়ে একটি অনন্য বহুমাত্রিক রূপ লাভ করেছে।

শুক্রবার(২৬ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর দুইটায় (বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টা) সেন্ট্রাল বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই স্বল্প সময়ের সফরে প্রধানমন্ত্রী চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর তিনজন ব্যক্তিত্ব—প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ও ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন। অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলের আলোচনায় নির্ধারিত হয়েছে যে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হবে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।

মাহদী আমিন জানান, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্মতির ভিত্তিতে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি মিনিস্ট্রি-টু-মিনিস্ট্রি, ৩টি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে চীনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের এবং ১টি দুই দেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া এই সফরের সফলতার ওপর ভিত্তি করে একটি ১৬ দফার যৌথ ইশতেহার প্রণয়ন করা হচ্ছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনবদ্য ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানদের ইতিবাচক নীতি ও বারবার চীন সফরের অবদানকে তারা গভীরভাবে মূল্যায়ন করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী আবারও ‘ওয়ান চায়না পলিসি’র প্রতি দেশের সুসংহত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বর্তমান সরকারের জন-কেন্দ্রিক নীতিগুলোকে চীন গভীরভাবে প্রশংসা করেছে এবং বিভিন্ন খাতে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের উৎপাদন ও পোশাক খাতের কাঁচামাল স্থানীয়ভাবে তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। চীন থেকে বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তর (রিলোকেশন) এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীন বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেবে।

উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, সড়ক, সেতু ও রেলওয়ের মতো মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থায় চীন সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। চট্টগ্রামের আনোয়ারা ইকোনমিক জোন ও মোংলা ইকোনমিক জোনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি গ্রিন এনার্জি ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিএনপির নির্বানি ইশতেহারে থাকা তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পানি ব্যবস্থাপনার প্ল্যানিং থেকে শুরু করে কারিগরি সব স্তরে চীন সরকার যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন করে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীন কাজ করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ম্যান্ডারিন ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় চীন সহযোগিতা করবে। স্বাস্থ্য খাতে রোবটিক সার্জারিসহ আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসাজনিত ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে চীন স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় চীন মধ্যস্থতা করবে। এছাড়া প্রথমবারের মতো দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ‘টু প্লাস টু’ ডায়ালগ মেকানিজম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্রিকসের সদস্যপদের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করলে চীন তাকে স্বাগত জানাবে বলেও জানানো হয়।

মাহদী আমিন বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার পর এটি পরিষ্কার যে, দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বাসী সম্পর্কের জন্য আমাদের একটি নতুন রূপরেখা (নিউ ব্লুপ্রিন্ট) তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ও সুজন মাহমুদ, সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হকসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসএকে

মাদক কারবারীরা দেশ,জাতি ও সমাজের শত্রু : ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
মাদক কারবারীরা দেশ,জাতি ও সমাজের শত্রু : ভূমিমন্ত্রী

মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে দেশের অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে মন্তব্য করে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, মাদক কারবারীরা দেশ, জাতি ও সমাজের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শুক্রবার ২৬ জুন  রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বাইরে থেকে মাদক আসে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচার হয়ে থাকে। সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অনেক মাদক কারবারী অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। যাদের একসময় কিছুই ছিল না, তারাও এখন বিপুল সম্পদের মালিক। এসব কারবারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

শুধু মাদক বহনকারীদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত জামিন পেয়ে তারা যাতে আবার মাদক ব্যবসায় জড়াতে না পারে, সে বিষয়েও নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, সমাজের চোখের সামনেই অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা গেছে, যাদের জীবন মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত হয়েছে। কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক কারবারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করারও আহ্বান জানান তিনি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্রুত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সমাজে মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো স্থান নেই।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়জুল কবির, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আজিজ সুপার মার্কেটের কক্ষে পড়ে ছিল নারী চিকিৎসকের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
আজিজ সুপার মার্কেটের কক্ষে পড়ে ছিল নারী চিকিৎসকের লাশ

রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলার একটি কক্ষ থেকে ফারা ফেরদৌস (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 শুক্রবার (২৬ জুন) বিকাল ৪টার দিকে দুর্গন্ধের খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক।

পুলিশ জানায়, কক্ষের ভেতরে খাটের ওপর বসা অবস্থায় টেবিলে মাথা রাখা অবস্থায় চিকিৎসকের মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহটি ফুলে-পচে যাওয়ায় শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফারা ফেরদৌস ৩৯তম বিসিএসের একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কার্ডিওভাসকুলার বিষয়ে তৃতীয় বর্ষের কোর্স করছিলেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ছোট বোনও প্রথম বর্ষে অন্য একটি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।

পুলিশ আরও জানায়, গত ২৩ জুন ছোট বোনের সঙ্গে ফারা ফেরদৌসের সর্বশেষ কথা হয়েছিল। শুক্রবার বিকেলে কক্ষের আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে ছোট বোনের উপস্থিতিতে মরদেহ শনাক্ত করা হয়।

ফারা ফেরদৌস খুলনার ফুলতলা উপজেলার পয় গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আব্দুর রশিদের মেয়ে। তিনি অবিবাহিত ছিলেন এবং শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলায় একাই বসবাস করতেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান।

এর আগে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে করে বেইজিং ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে আছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্য সফরসঙ্গীরা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপি মহাসচিব, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি সিনিয়র নেতা, মন্ত্রী, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং দেশে ফেরা নিয়ে কোনো শোডাউন বা র‌্যালি না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

গত সোমবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানে যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দেন তিনি।

দালিয়ান থেকে বুধবার দুপুরে হাই স্পিড (বুলেট ট্রেন) বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। এছাড়া বেইজিংয়ে বিনিয়োগ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন।

গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যান প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসআর/এএএন