খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে তুলতে চায় সরকার: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে তুলতে চায় সরকার: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব জীবনের দক্ষতা, কর্মদক্ষতা ও মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে Summer 2026 Fresher’s Orientation Program-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেটার সাথে রিয়েল ওয়ার্ল্ডের কানেক্টিভিটি থাকবে। একই সাথে আমাদের নলেজও দরকার, স্কিলসও দরকার। নলেজ আর স্কিলস যদি কানেক্টেড না হয়, তাহলে আমরা প্রফেশনাল ক্যারিয়ারে পিছিয়ে যাব।

তিনি বলেন, বর্তমানে শুধু সার্টিফিকেট অর্জনই যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান, উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, জীবনে বড় কিছু করতে হলে কেবল জনপ্রিয় বিষয় বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং যে বিষয়ে সত্যিকারের আগ্রহ ও প্যাশন রয়েছে, সেই বিষয়েই দক্ষতা অর্জন করা উচিত। সব পেশারই সমান মর্যাদা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যে তিনি জ্ঞান, দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও সততাকে সফলতার চারটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।  প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, স্কিলস যেমন প্রয়োজন, নলেজ যেমন প্রয়োজন, ডিসিপ্লিন এবং ইন্টেগ্রিটিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী। তরুণদের সঠিক শিক্ষা, মূল্যবোধ ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে গড়ে তুলতে পারলে তারাই ভবিষ্যতে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি গবেষণা, স্টার্টআপ, ইনোভেশন, পার্ট-টাইম কর্মসংস্থান ও আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কো-কারিকুলার কার্যক্রম, ভাষা শিক্ষা ও নেতৃত্ব বিকাশে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মাদক থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ জন্য খেলাবান্ধব পরিবেশ তৈরিসহ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।  

শুক্রবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক ও বালিকা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শহরে অনেক বড় বড় বাড়ি নির্মিত হয়েছে।

সেখানে অনেক ছেলে-মেয়ে বাস করে। কিন্তু এসব ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলা করার মতো কোনো জায়গা নেই। এতে করে তাদের স্বাস্থ্যের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি মনও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই প্রতিটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সপ্তাহে একদিন হলেও খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে।

মনে রাখতে হবে মাদক থেকে বাঁচতে হলে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, মাদকের পরিবর্তে খেলাধুলা ও স্বাস্থ্যরক্ষার বিষয়ে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। একটা জেনারেশন নেশার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের সঠিক পথে এনে সুস্থ-সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারলে আমাদের দেশটাও সুন্দর হবে।

প্রয়োজনে প্রতিটি অভিভাবক যেমন সন্তানদের স্কুলে নিয়ে বসে থাকেন তেমনি বিকেলে সন্তানদের মাঠে খেলতে দিয়ে বসে থাকবেন।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য নতুন কুঁড়ি শুরু করেছেন। এতে সকল শিশুর মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআইপি

পশ্চিম থেকে একটা বাতাস আসছে, কিসের ইঙ্গিত দিলেন ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
পশ্চিম থেকে একটা বাতাস আসছে, কিসের ইঙ্গিত দিলেন ফজলুর রহমান

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বিধানসভার নির্বাচন হয়। গত ৪ মে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সেখানে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। পরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী ও অন্যান্য মন্ত্রীরা। তাদের শপথে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত ছিলেন।

দেশটির পশ্চিমবঙ্গ ও অন্য প্রদেশে হিন্দুত্ববাদীরা মাথাচারা দিয়ে উঠছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, পশ্চিম থেকে কিন্তু একটা বাতাস আসতেছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

‘আপনি বাতাস সম্পর্কে কি বুঝাতে চেয়েছেন’ উপস্থাপকের প্রশ্নের উত্তরে ফজলুর রহমান বলেন, মমতা ব্যানার্জীর তো ১৫ বছর। একদম অপ্রতিহতভাবে পশ্চিম বাংলার শাসন ক্ষমতায় ছিলেন। তার একটা নীতি ছিল একটা আদর্শ ছিল। এখন যারা আসতে তারা কিন্তু কেন্দ্রের প্রতিনিধি। মমতার কিন্তু কোনো কেন্দ্র ছিল না। ইন্ডিভিজুয়াল- দুর্বলতাটা তার এখানেই। এখন দেখেন কালকে থেকেই আর্মি নামতে হইছে রাস্তায়- খুনাখুনি। তিনজন মারা গেছে।এই নেতা বলেন, এই যে অবস্থা চলছে- এটা তো গ্লোবাল পলিটিক্স। পশ্চিম বাংলায় যেটা হইছে আমার এখানে এফেক্ট পড়বে না এখানে- আমি বলছি সেইটা?

তিনি বলেন, খুব সাবধান! খুব কন্ট্রাডিকশন করে পলিটিক্স কিন্তু করা যাবে না।বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে আমি আপনাকে বলি; শেখ হাসিনাসহ যারা কুকর্ম করেছে- আমি অমানুষ-পশু বলে এদের যে কত বকাবকি করেছি। কী শাস্তি ফেসিস্টদের হওয়া উচিত- আজকে যদিও বলছি মুক্তিযোদ্ধাদের ছেড়ে দেন-জামিন দেন অন্তত।

তিনি বলেন, সেই ১৫ বছর যারা এ অত্যাচার করছেন- আনিসুল হককে বারবার বলছি; এই আনিসুল হক- তুমি কিন্তু সিরাজুল হকের ছেলে। তোমার সিরাজুল হক বাবা কিন্তু এ দেশের প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর বন্ধু ছিল। সাবধান আনিসুল হক- তুমি কিন্তু পলিটিক্স করো নাই। এই ওবায়দুল কাদের- আমি কিন্তু বারবার বলছি। আমার কথাগুলো ঠিক হইছে না বেঠিক হইছে- এখন দেখেন। আনিসুল হকের জন্য কে কান্দে এখন। এখন তো নেংটা অবস্থায় ধরা পড়ছে সদরঘাটে বইসা।

এই নেতা বলেন, যারাই কঠিন কঠিন কথা বলত- মনে করত এই পৃথিবীতে আমার দিন আর যাবে না। সূর্য আর ডুববে না- তারা জানত না সূর্য কিন্তু ডুববে। আবার যারা সূর্য ডুবার পরে ক্ষমতায় আসবে তাদেরও মনে করা উচিত যে সূর্য কিন্তু আবার পূর্ব দিকে উঠবে। আমি কিন্তু আপনাকে বলি আমার বয়স ৭৮ বছর। এই সরকার যদি পাঁচ বছর থাকে তাইলে কত হবে বয়স- ৮৩। ৮৩ পরে আমি আর পলিটিক্স করব না। আল্লাহবিল্লাহ করব। আমি ওই সময় আর জেল খাটতে চাই না। কেন জেল খাটব আমি? আমার নাইনাতি, আমার নাতির ছেলে-পেলে থাকবে; আমি তাদের বাড়িতে রেখে জেলে থাকব। আমি এ কালচার-পলিটিক্যাল কালচার বাংলাদেশে চাই না।

কালের আলো/এসআইপি

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৬ মের টিকিট মিলবে শনিবার, যেভাবে কাটবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৬ মের টিকিট মিলবে শনিবার, যেভাবে কাটবেন

Oplus_131072

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেন যাত্রায় অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার (১৬ মে) পাওয়া যাবে ২৬ তারিখের যাত্রার টিকিট।

এছাড়া, ২৭ মে যাত্রার অগ্রিম টিকিট ১৭ মে পাওয়া যাবে।

৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ রেলওয়ের এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, আসন্ন ঈদুল আজহায় আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে (৭ মে) মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদ উপলক্ষে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা সাত দিনের ছুটি ভোগের সুযোগ তৈরি হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হতে পারে।

যেভাবে টিকিট কাটবেন

রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা শুধু লগইন করেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। পরে ওয়েবসাইটের উপরের দিকে রেজিস্ট্রেশন ট্যাব ক্লিক করতে হবে। এতে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এ পেজে ব্যক্তিগত তথ্যাদি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি চলে আসবে। সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে।

সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে।
 
টিকিট কেনার পদ্ধতি

প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অটো লগইন না হয়ে থাকলে প্যানেলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড পূরণ করে লগইন বাটনে ক্লিক করতে হবে। লগইনের পর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের নাম, সিট অ্যাভেইলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) ও ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে।

ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকাসাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে হবে। ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে। পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলে টিকিটের কপি চলে যাবে।

ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট ইনফরমেশন দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

কালের আলো/এসএকে