খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আড়াইশ ছুঁই ছুঁই লিড নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
আড়াইশ ছুঁই ছুঁই লিড নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের সকালটা হয়ে উঠল বাংলাদেশের জন্য লড়াইয়ের এবং প্রত্যাবর্তনের। দ্বিতীয় দিন শেষে ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ৭ উইকেট হাতে রেখেছিল টাইগাররা। প্রথম সেশনেই সেই লিডকে প্রায় আড়াইশোর ঘরে নিয়ে গেলেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৮৮ রানের জুটি বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

তৃতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২০৩ রান। লিড এখন ২৪৯ রান। লিটন দাস ৪৮ রানে এবং মুশফিকুর রহিম ৩৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন। দুজনের ব্যাটিংয়ে ধৈর্য ও আক্রমণাত্মক মনোভাবের চমৎকার মেলবন্ধন দেখা গেছে।

প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ২৭৮ রান করে। লিটন দাসের দুর্দান্ত ১২৬ রান (১৫৯ বল) ছিল ইনিংসের ভিত্তি। খুররম শাহজাদ ৪টি এবং মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান।

জবাবে পাকিস্তান ২৩২ রানে অলআউট হয়। বাবর আজমের ৬৮ এবং সাজিদ খানের ঝড়ো ৩৮ রান সত্ত্বেও তারা ৪৬ রানের ঘাটতিতে পড়ে। নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম ৩টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে মাহমুদুল হাসান জয় (৫২) ও মুমিনুল হকের (৩০) ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ দিন শেষ করে ৩ উইকেটে ১১০ রানে। তৃতীয় দিন সকালে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শান্ত। তবে এরপরই লিটন-মুশফিক জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নিজেদের পক্ষে নিয়ে নেয়।

লিটন ও মুশফিক যদি এই জুটি আরও লম্বা করতে পারেন, তাহলে চতুর্থ দিনে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিয়ে চাপে ফেলতে পারে টাইগাররা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

১৭ বছর পর সত্যিকারের কার্যকর সংসদ পেয়েছে দেশ : স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
১৭ বছর পর সত্যিকারের কার্যকর সংসদ পেয়েছে দেশ : স্পিকার

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণমাধ‌্যমের কর্মকাণ্ডের মাধ‌্যমে জাতীয় সংসদ আরও মহিমান্বিত হবে। সংসদের প্রতি দেশের জনগণের আস্থা আরও বেড়ে যাবে, এটাই আমি কামনা করি। বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন এ ধরণের সংসদের অপেক্ষায় ছিল। ১৭ বছর আমরা এ ধরণের কার্যকর সংসদ পায়নি।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) আয়োজিত ফল উৎসব-২০২৬’এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

স্পিকার বলেন, ‘১৭ বছর আমরা এ ধরনের কার্যকর সংসদ পাইনি। আমি বেশ কয়েকটি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম। বিশেষ করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর আমলের সংসদের সদস্য ছিলাম, তা বলতেই লজ্জা পাই। অনেক সময় টেলিভিশনে দেখেছি, রেডিওতে শুনেছি এ এলাকা থেকে একজন নির্বাচিত হয়েছেন, দুই দিন পরে দেখি অন্য লোক। সংসদে এসে দেখি অন্য লোক। ফাঁকেতালে বহু লোক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, এতদিন এ ধরনের আবোল-তাবোল সংসদের পর এবার সত্যিকারের সংসদ পেয়েছি। ১৯৯১ সালে একটি ভালো সংসদ দেখেছিলাম, আর এবারকার সংসদ। এবার অত্যন্ত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এখানে অনেকেই নিজ গুণে নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের তেমন রাজনৈতিক পরিচিতি ছিল না।

স্পিকার আরও বলেন, ভোটিং প্যাটার্ন দেখে মনে হয়েছে সাধারণ মানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়। অতীতে আমরা যে ধরনের সংসদ দেখেছি এবং এমপিরা যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন, মানুষ তাতে সন্তুষ্ট ছিল না। মানুষ প্রকৃত সংসদ চায়। এ সংসদের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের জনগণকে সেবা করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, যে ফল উৎসব আমরা সবাই উপভোগ করছি, তা যেন সাধারণ মানুষও উপভোগ করতে পারে এবং তাদের মন-মানসিকতাও সে রকম হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দেশের সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সংসদকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে বিপিজেএ’র সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকে প্রকৃত অর্থে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। মানুষের কল্যাণে সংসদ যাতে কাজ করতে পারে, সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের একটি মেলবন্ধন তৈরি করে। গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ফল উৎসবের মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের কলম আরও শক্তিশালী হোক—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, “সংসদকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাংবাদিকদের সকল প্রয়োজনীয় উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

ফল উৎসবে উপস্থিত ছিলেন সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বিএনপির সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সালাহ উদ্দিন, জাতীয় সংসদের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, এম আব্দুল্লাহ, মোস্তফা কামাল মজুমদার, বাছির জামাল, আশিষ সৈকত, জাহেদ চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম কাগজী, আলফাজ আনাম, সুলতান মাহমুদ, ইলিয়াস হোসেন, কামরান রেজা চৌধুরী, রিয়াজ আহমেদ, নাফিজা দৌলা, নিখিল ভদ্র প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিপিজেএ’এর সভাপতি হারুন জামিল। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথো। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম (তানিম আহমেদ), কার্যনির্বাহী সদস‌্য মশিউর রহমান, মনিরুল ইসলাম।

কালের আলো/এসএকে

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নৃগোষ্ঠী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সীতাকুণ্ড শ্রাইন কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি উল্লেখ করেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিকে সংখ্যালঘু ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। সরকারের দায়িত্ব হলো সব ধর্মাবলম্বী নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই।

বৈঠকে সীতাকুণ্ড শ্রাইন কমিটির নেতারা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুণ্যতীর্থ চন্দ্রনাথ ধামে আগত ভক্তদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও বিদেশ থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ চন্দ্রনাথ ধামে পূজা-অর্চনা ও তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্যে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও যোগাযোগ সুবিধার অভাবে তাদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি চন্দ্রনাথ ধামের সিঁড়ি নির্মাণ ও সংস্কার, মন্দিরের উন্নয়ন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের উন্নয়ন কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, পর্যটন, স্থানীয় অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এসব স্থানের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাইসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনের ডালিয়ান সফর শেষে রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিংয়ে পৌঁছান। এর আগে দুপুর দুইটায় তিনি ডালিয়ান থেকে বিশেষ হাই-স্পিড (বুলেট) ট্রেনে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। সফরসঙ্গী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেইজিংয়ে পৌঁছানোর আগে আজ সকালে ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে গিনি, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিনব্যাপী এই মূল সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় তারা পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এবারের সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনের অধিক প্রতিনিধি, শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নিচ্ছেন। বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি, শিল্প খাতের রূপান্তর এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে এই সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে। বেইজিং সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

কালের আলো/এসএকে