খুঁজুন
                               
, ,
           

ঈদে মহাসড়কে যানজটে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৪ পয়েন্ট

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদে মহাসড়কে যানজটে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৪ পয়েন্ট

আসন্ন ঈদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং ঢাকা-বরিশাল রুটে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের আশঙ্কা রয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ ঈদ সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করেছে। স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি।

এসব এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ভ্রাম্যমাণ টিম ও সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং ঢাকা-বরিশাল রুটে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য এলেঙ্গা, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপ্রান্ত, চন্দ্রা, গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা ও ভোগড়া এলাকায় যানজট পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ৬ লেনে উন্নীত করার কাজ চলমান থাকায় এই মহাসড়কের বেশ কয়েকটি এলাকায় অধিকাংশ সময়ই যানজট লেগে থাকে। বিশেষ করে রূপগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় ঈদের সময় যানজট অনেক বেড়ে যায়। নরসিংদীতে মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ ও বাজার বসায় যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে ঈদের সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাসড়কের পাশে অবৈধ পার্কিং, থ্রি-হুইলার চলাচল এবং বাজারকেন্দ্রিক চাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দক্ষিণাঞ্চলে পদ্মা সেতু টোলপ্লাজা এবং শরীয়তপুর-মাদারীপুর সংযোগ সড়কেও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সড়কের চেয়ে যানবাহনের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় চাপ সামাল দেওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত ও খানাখন্দ ভরাটের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে কয়েকটি এলাকায় কাজের গতি কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। পরিবহনচালকরা বলছেন, শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি কার্যকর না হলে ঢাকা ছাড়তেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হতে পারে যাত্রীদের।

কালের আলো/এম/এএইচ

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি