খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় কোন হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে তখনই সাংবাদিকদের পাশে থাকে।

শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মতো সাংবাদিক বান্ধব নানা কর্মসূচি সরকার হাতে নিচ্ছে। তারা যেমন সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়ন করে গেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও তাই করছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো কোন হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বিএনপি সরকার অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশে নানা হস্তক্ষেপ করতো সরকার। তারা নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা দিতো।

তাছাড়াও তৈলমর্দন করাকে তারা স্বীকৃতি দিয়েছিল। আমরা কিন্তু তা করছি না। সেরকম কিছু করার ইচ্ছে কিংবা মানসিকতাও নেই। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সংবাদ প্রকাশে চাপ প্রয়োগ করেছি বলে কেউ বলতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গণমাধ্যম তার নিজ গতিতে চলবে।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করবে। তবে অপতথ্য ও অসত্য তথ্য যেন খবরে না আসে। এজন্য আমরা আহ্বান জানাব সাংবাদিকরা যেন বিষয়গুলো খেয়াল রাখেন। বর্তমানে এআই বিশ্বব্যাপী এমন একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আমাদের নিয়ে গেছে। যে কাউকে অপদস্ত করা যাচ্ছে। নানাভাবে ছবি ও ভিডিও বানিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন সহজ হয়ে গেছে। তবে এআই’র পজিটিভ দিকও রয়েছে। তাই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের অধিকারগুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। তবে অতীতে যেসব আবাসন বিএনপি সরকার দিয়েছিল সেগুলো ধরে রাখা গেছে কিনা সেটি আমাদের ভাবতে হবে। সম্পাদক পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছে, যেগুলো আগের সরকার দেয়নি। সেই দাবি অনুসারে আমি তাদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নিয়েছি। তবে সাথে সাথে তাদের কাছে একটা দাবি জানিয়েছি যেন আমাদের সাংবাদিকদের ভাইদেরও কোনো বেতন বকেয়া না থাকে। তারা যেন প্রতিমাসে সঠিক সময়ে বেতনটা পায়। কারণ অনেকে আমার কাছে প্রায় আসে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে এমন অভিযোগ নিয়ে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার বিভিন্ন পর্যায়ের যৌক্তিক সমালোচনাকে গ্রহণ করছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দেশ পরিচালনা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেইসাথে যৌক্তিক সমালোচনাও প্রয়োজন। কেননা তা হলেই আমরা আমাদের ভুলগুলো বুঝতে পারব।

তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত অর্থে সাংবাদিক, দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দিতে জীবন, যৌবন, অধ্যবসায় পার করেছে, তারা সবাই যেন একটি বৃহৎ সাংবাদিক গোষ্ঠীর সাথে কাজ করতে পারে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য ওসমান গনি মনসুর, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু নাসের, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মুস্তাফা নঈম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তারেক আহমদ, সিএমইউজের সদস্য আমিনুল ইসলাম, বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার মিয়া মো. আরিফ এবং দৈনিক আমার দেশের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সোহাগ কুমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, প্রবীণ সাংবাদিক, পেশাজীবী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে সংগঠনের সদস্য মো. হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা আবাসন সংকট, বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান এবং ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা তুলে ধরেন। তারা এসব বিষয়ে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম খাতের আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে শুক্রবার (৫ জুন) ফেরি করবীতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এই ঘটনায় কারণ উদঘাটন ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৫ জুন) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের আদেশে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ রফিকুল করিম এনডিসি। এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর একজন করে প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. জাকির হোসেন সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তদন্ত কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা ও সুপারিশ প্রণয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, ফিরলেন ২৯,৬৯৪ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, ফিরলেন ২৯,৬৯৪ হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২৯,৬৯৪ জন বাংলাদেশি হাজি। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ বুলেটিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।

এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন এবং মদিনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী।

ফেরত আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরেছেন ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ২৬ হাজার ৩৬৬ জন।

এ পর্যন্ত বিভিন্ন এয়ারলাইনের মাধ্যমে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১১ হাজার ৩৩১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনস ৬৮২ জন।

হজ চলাকালীন এবং পরে সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৩১২টি চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৭১০টি সেবা প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৬২ জন হজযাত্রী। বর্তমানে ২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ফিরতি ফ্লাইট চলবে। এরপর পুরো হজযাত্রী প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম শেষ হবে।

নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএকে

দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি গঠন: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি গঠন: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এ সময় তিনি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত তৎপরতা ও পূর্বপ্রস্তুতির কারণেই কোনো প্রাণহানি ঘটেনি বলে জানান।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে দুর্ঘটনাকবলিত দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট পরিদর্শন কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌‘বাসটি যে ফেরিতে ওঠার কথা ছিল, সেটিতে না উঠে দ্রুতগতিতে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ফেরির ঢালায় আঘাত করে এবং ঢালা ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এখানে কোনো অব্যবস্থাপনা ছিল কি-না, সেটা জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ ঘাট সংশ্লিষ্টরা খতিয়ে দেখবে। তবে স্বাভাবিকভাবে আমাদের নজরে এখন পর্যন্ত কিছু পড়েনি।’

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকের বড় এই দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ উনি সরাসরি বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে ফেরিতে ওঠার পর আবার বাসে ওঠার নির্দেশনা দিয়েছেন। মানুষকে বাস থেকে নামানো খুব কষ্টকর ব্যাপার। বাসে অনেক বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ, শিশু বাচ্চা থাকে। তারপরও আমরা শতভাগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। আজকের ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, আমরা বাস থেকে শতভাগ যাত্রী নামিয়ে ফেরিতে ওঠানোর চেষ্টা করেছি, যেটি দেশের ইতিহাসে ছিল না।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, সেটি নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। যেজন্য আমরা একটি এবং জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গাড়ির চালক ও হেলপার সুস্থ হলে জানা যাবে গাড়ির কোনো সমস্যা ছিল কি-না, চালকের কোনো সমস্যা ছিল কি-না বা গাড়ির ফিটনেসের কোনো সমস্যা ছিল কি-না। সে বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে।’

এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, রাজবাড়ী জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ