খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে ‘আছাড় দিয়ে মারার’ হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে ‘আছাড় দিয়ে মারার’ হুমকি

জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ‘ফটিকছড়ি সেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাব ইন’ নামের একটি সিলগালাকৃত প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও লাইসেন্স-সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর থেকেই ওই সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, গত ১৯ জুন ফটিকছড়িতে বিএনপির একটি কর্মসূচি চলাকালে অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে যুবদল নেতা আহমেদ রশিদ চৌধুরী তার ওপর চড়াও হন। তিনি প্রকাশ্যে সাংবাদিক নাজিমকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং পরিহিত পাঞ্জাবির কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

তৎকালীন সংসদ সদস্যের (এমপি) কর্মসূচি চলাকালে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন আচরণে উপস্থিত সবার মাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। লাঞ্ছনাকালে অভিযুক্ত নেতাকে একাধিকবার এমপির নাম ব্যবহার করতেও শোনা যায়।

ঘটনাটির একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত যুবদল নেতা চরম উত্তেজিত হয়ে আঞ্চলিক ভাষায় সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে হুমকিসূচক ও আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘তুই গুন্ডাগিরি কাত্তে শিক্কুজ্জে… এখন ডিলেট গর, আছারি মারি ফেলাইয়ুম, আছারি মারি ফেলাইয়ুম একবেরে ধরি।’

​তিনি সংবাদটি তাৎক্ষণিকভাবে মুছে ফেলার (ডিলিট করার) জন্য চাপ প্রয়োগ করেন, অন্যথায় মোবাইল ফোন ছুড়ে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন। একই সাথে এই সংবাদ প্রকাশের পেছনে কার ইন্ধন রয়েছে, তা নিয়েও উগ্র ভাষায় জেরা করতে দেখা যায় তাকে।

আক্রান্ত সাংবাদিক শাহনেওয়াজ নাজিম বলেন, ​‘আমি জনস্বার্থে ও সঠিক তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেই সংবাদটি প্রকাশ করেছি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের হুমকি ও শারীরিক লাঞ্ছনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।’

​এদিকে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ফটিকছড়িতে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ। স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি ও লাঞ্ছনা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত।

গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা অবিলম্বে হুমকিদাতার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলোচিত ‘সেবা ক্লিনিক’টির লাইসেন্স নবায়ন ও পরিচালনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ২০২৩ সালে ওই ক্লিনিকে চিকিৎসায় গাফিলতিতে এক প্রসূতি মা ও তার নবজাতক সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ক্লিনিকটি সিলগালা ও এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

​এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা আহমেদ রশিদ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ সমুন্নত রাখতে অবিলম্বে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি বিতর্কিত ওই ক্লিনিকের লাইসেন্স-সংক্রান্ত অনিয়মগুলোরও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে। অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।

কালের আলো/এসএকে

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮) উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি রায় ব্যাপক ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। তাই ঋণের বোঝা বইতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বাবা-মার সমাধির পাশের কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা সকালে গাছে তার লাশ ঝুলে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।

এসআই মোসলেম আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ থেকে লাশ নামায়। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বর্তমানে রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬ এর অধীনে বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের আয়োজন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই ধরনের সেশন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের তথ্য ও উপাত্ত নির্ভর বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের আর্থিক নীতি ও কৌশল সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও গভীর ধারণা পেতে সংসদ-সদস্যগণ সংসদ লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, বাজেট নিয়ে সংসদ-সদস্যদের আগ্রহ এবং সংসদীয় উদ্যোগে নিজেকে ব্যাপৃত করতে পারলে জাতি উপকৃত হবে। জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই সংসদ নিয়ে। তাদের ভবিষ্যৎ চলার রূপরেখা এখান থেকে নির্ধারিত হবে।

স্পিকার বলেন, সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে ইইউর এ ধরনের প্রোগ্রাম সংসদ-সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তিনি এসময় বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতা উত্তর সময়ে সংসদ নিয়ে অনেক বেশি জনপ্রত্যাশা ছিল। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সংসদ একটি ব্যতিক্রমী সংসদ। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার জনগণ এই সংসদ পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির আধার এই সংসদ। তথ্যভিত্তিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় বাজেট ডিব্রিফিং সেশন কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছে। স্বাধীনতার পর এমন ভালো বাজেট কখনো হয়নি।

তিনি বলেন, বাজেট হেল্পডেস্ক সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেয়। এক সময় বাজেট-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে সংসদ সদস্যদের অনেক কষ্ট করতে হতো। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে এখন সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে এবং বাজেটকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, হুইপসহ আজকের সেশনের আমন্ত্রিত সংসদ-সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এসএকে