খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ফুলবাড়ীয়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ফুলবাড়িয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
ফুলবাড়ীয়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ শিরোনামে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রশাসন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এবং জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন।

এতে দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের চেয়ে সামাজিক আন্দোলন অধিক কার্যকর বিষয়ে বিতর্কে অংশ গ্রহণ করে ফুলবাড়ীয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং পলাশীহাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।

উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ তাকী তাজওয়ার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, নিজ নিজ কাজকে সঠিক এবং সবচেয়ে ভালোকরে করলেই সবক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার ভূমি শেখ তাকী তাজওয়ার বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগ এবং সামাজিক আন্দোলন দুই অবস্থান থেকে সতর্ক হলেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে বিতর্কের বিপক্ষ দল পলাশীহাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমেই দুর্নীতি প্রতিরোধ সহজ হয়।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ নূরুল ইসলাম খান এবং মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি আশরাফুল আলম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম। পরে বিজয়ী দল পলাশীহাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতর্ক দলকে চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার বিশেষ ক্রেস্ট প্রদান করে অতিথিবৃন্দরা। এছাড়াও প্রতিযোগিতার রানার্সআপ দল ফুলবাড়ীয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতর্ক দলকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক ও অংশগ্রহণ কারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিচারক মন্ডলী ও মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, ইসলামীয়া কলেজের প্রভাষক জিয়াউল হক ও মোবারক খান মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক মতিউর রহমান মতিন শেখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৯ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসকাফ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে বিশেষ মাদকবিরোধী টিম, মতিহার থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মঙ্গলবার রাতে এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মতিহার থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের ছেলে সাগর আলী, মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে রাজিব আলী এবং মৃত সাঈদের ছেলে শিহাব আলী। এ মামলার পলাতক আসামি হলেন মতিহার থানাধীন চরসাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাহার আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম এবং ইব্রাহিম আলী।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মতিহার থানার জাহাজঘাট-দাশমারী এলাকা থেকে সাগর আলীকে এবং চরসাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রাজিব আলী ও শিহাব আলীকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক দুই আসামির বাড়িতে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তার আসামিদের দেহ তল্লাশি এবং পলাতক আসামিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৯ বোতল ভারতীয় ইসকাফ সিরাপ ও তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

অনিয়মিত পথে ইউরোপ যেতে ইচ্ছুক ১৭০ বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে ঢাকায় ফিরেছেন। বুধবার (২৪ জুন) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটযোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলিস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন এই ১৭০ বাংলাদেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দু 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দু 

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও জানান, রাজ্যের ১২টি হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১ হাজার ৮০০ জন বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজ্য বিধানসভায় দেওয়া বক্তৃতায় এই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

তিনি বলেন, ‘ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহায়তায় এখন পর্যন্ত ১০ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১ হাজার ৮০০ জন অবস্থান করছেন এবং পর্যায়ক্রমে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। আমরা প্রতিদিন অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছি।’

জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে এ বিষয়ে ভারতীয় নাগরিকদের (যাদের ভোটার আইডি, আধার কার্ড ও অন্যান্য বৈধ নথি রয়েছে) উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন শুভেন্দু।

তিনি বলেন, ‘দেশের নাগরিকদের, তারা যে ধর্মেরই হোন না কেন, চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনেই রাজ্য সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে কারণ এর সঙ্গে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নটি জড়িত।’

যারা স্বেচ্ছায় ভারত ছাড়তে চান, হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই বলেও জানান তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘ইতিমধ্যেই অনেক অভিবাসী হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে দেশ ছেড়েছেন। যারা স্বেচ্ছায় যেতে চান, তারা যেতে পারেন।’

বিজেপি সরকারের এই মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তার সরকার বাংলাদেশ সীমান্তে তারের বেড়া নির্মাণের জন্য এ পর্যন্ত বিএসএফকে ১৪২ একর জমি হস্তান্তর করেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, মাত্র দেড় মাস আগেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে ক্ষমতায় এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হিন্দুবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধীকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের চালু করা “শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং নির্বাসন” নীতির অংশ হিসেবে নথিপত্রহীন মুসলিমদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্তে পুশইন ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা দুই দেশের সীমান্ত জুড়ে গভীর ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

মূলত, বিজেপি সরকার রাজ্যের নথিপত্রহীন মুসলিম অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে কঠোর অভিযানের নির্দেশ দিয়েছে। এই অভিযানটি শুধু বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যেই নয়, পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় মুসলমানদের একাংশের মধ্যেও এই আশঙ্কা জাগিয়েছে যে, তারাও এমন একটি অভিযানের শিকার হতে পারেন, যে অভিযানটি তার লক্ষ্যবস্তুদের আইনি মর্যাদার পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের পরিচয়ের ভিত্তিতেও সমানভাবে পরিচালিত বলে সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ভারতের এই পদক্ষেপকে “সম্পূর্ণ অনৈতিক” বলে আখ্যা দিয়েছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, বিজেপির এই নিপীড়ন, সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ একটি দেশকে জাতিগত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশটির ২০ কোটি মুসলমানকে প্রান্তিকীকরণ ও নিপীড়নের বৃহত্তর নীতিরই অংশ।

বিশ্বের অন্যতম মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

এই নির্বাসনকে ‘অবৈধ’ আখ্যা ‍দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যাদের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই, সেইসব আটককৃতদেরও আইনি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়া উচিত, যাতে কোনো ভারতীয় নাগরিককে অন্যায়ভাবে দেশ থেকে বহিষ্কার করা না হয়।’

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ