খুঁজুন
                               
, ,
           

বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে ১০ প্রকল্প বাস্তবায়ন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে ১০ প্রকল্প বাস্তবায়ন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের (ডিওয়াইডি) আওতায় বর্তমানে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, একই সঙ্গে দ্রুত সময়ে দৃশ্যমান ফল অর্জনের জন্য আরও ছয়টি নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের (জামালপুর-৩) টেবিলে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলমান প্রকল্পগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বেকার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা, আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস’ (দ্বিতীয় পর্যায়), ‘দারিদ্র্য বিমোচনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ (তৃতীয় পর্যায়), যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জীবনদক্ষতা শিক্ষা ও জাতীয় যুব প্ল্যাটর্ফম শক্তিশালীকরণ (লাইফ স্কিলস প্রকল্প), শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের বাইরে থাকা (এনইইটি) যুবকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ইএআরএন প্রকল্প, কক্সবাজারে নারী ও যুবকদের দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধির আইএসইসি প্রকল্প, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, ৬৪ জেলায় আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি (দ্বিতীয় পর্যায়), ৬৪ জেলায় শিক্ষিত চাকরিপ্রত্যাশী যুবকদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এবং আইসিটি-দক্ষ যুবকদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প।

তিনি বলেন, এসব প্রকল্পের পাশাপাশি বেকার যুবকদের দ্রুত কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে আরও ছয়টি অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে উপজেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারকরণ (দ্বিতীয় পর্যায়), যানবাহন চালনা প্রশিক্ষণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়), শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নাগরিকদের সেবাদানে কেয়ারগিভার উন্নয়ন প্রকল্প, সব মহানগরে বেকার যুবকদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এবং দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে মহানগর এলাকার বেকার যুবকদের জন্য মোবাইল সার্ভিসিং ও ভাষা প্রশিক্ষণ প্রকল্প।

আমিনুল হক বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেকার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এসএকে

কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: জাহেদ উর রহমান

Oplus_131072

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘খুব বিস্তারিত বলছি না, এটা সরকার কগনিজেন্সে (আমলে নেওয়া) নিয়েছে, সরকার এটা দেখেছে। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কোনো কারণ নেই। বরং এটা সরকার খতিয়ে দেখছে। কারণ এটা নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা (আশঙ্কা) আছে গ্লোবালি, এ ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি।

তিনি বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা আশা করি এই জিনিসটা এভাবে কন্টিনিউ করবে না।’

এগুলো কারা করছে—জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এগুলো তো বুঝতেই পারছেন, এটা কারা করছে, কেন করছে। কিছু মানুষকে আপনি দেখবেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বলছে, কিন্তু তারাই তো আসলে হয়তো সবসময় মূল ব্যক্তি না।

সো, এটা একটু খতিয়ে দেখার প্রশ্ন আছে। এটা যেহেতু এত ওয়াইডস্প্রেড (বিস্তৃতভাবে) হয়েছে, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে, সেটাই আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আমরা ইনশাআল্লাহ এটা বের করতে পারব।’

কালের আলো/এসএকে

একটি নতুন থানা ও ৩ উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
একটি নতুন থানা ও ৩ উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত

চট্টগ্রামের হাটহাজারীকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ এবং ফটিকছড়ির ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, মুরাদনগরকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ ও গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার আটটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন ৩টি উপজেলা গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভা বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১০০০ নম্বর কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে রোববার (২৮ জুন) জারি করা সভার নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, নতুন থানা ও উপজেলা গঠন এবং জেলা সীমানা পুনর্গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সভায় আরও আলোচনা হবে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব নিয়ে।

অন্যদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অংশ ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্গঠনের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার অধীন আটটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবও সভায় বিবেচিত হবে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) সংশ্লিষ্ট একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মন্ত্রী এবং কমিটির সদস্যদের সভায় যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভার কার্যপত্র আগেই সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং সভা শেষে কার্যপত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও জনসেবাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে নিকারের এ সভাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সভায় অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবগুলো পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

অটোরিকশায় প্রাইভেটকারের ধাক্কা, মা-ছেলে নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
অটোরিকশায় প্রাইভেটকারের ধাক্কা, মা-ছেলে নিহত

মৌলভীবাজারের রাজনগরে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) রাতে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের গয়াসপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ফরিদা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে জুবের মিয়া (১৮)। ফরিদা উপজেলার বড়দল গ্রামের শাহ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে রাজনগরের মুন্সিবাজার থেকে মা ও ছেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে উপজেলার বড়দল গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। গয়াসপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাইভেটকার অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়।

এতে অটোরিকশার যাত্রীরা মারাত্মক আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মা ফরিদা বেগম ও ছেলে জুবের মিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বড়দল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালিক বলেন, সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা মা ও ছেলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

রাজনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন ভূইঁয়া বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি