খুঁজুন
                               
, ,
           

চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

দেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও প্রতিনিধিরা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থায়নের সংকট, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার নানা চ্যালেঞ্জ প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা চা খাতের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনোযোগ সহকারে সবার বক্তব্য শোনেন এবং চা শিল্পকে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই শিল্পের সার্বিক বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী চা বাগান মালিকদের বিদ্যমান ঋণের দায় সহজ করা এবং স্বল্প সুদে নতুন ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। এছাড়া চা বাগানের অকৃষি বা চাষের অনুপযোগী জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতাও দেওয়া হবে।

চা শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে টেকসই সমাধান দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং চা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও চা বাগান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আরও প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারের এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের পর্যালোচনায় এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয় যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে পরিচালিত ইউএনডিপি ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক কর্মসূচির সহায়তায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাত, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় জানান হয়, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত অতিরিক্ত এই অর্থের বড় একটি অংশ দেশীয় সরকারি-বেসরকারি উৎস, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সংস্থান করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী জানান, এসডিজি বাস্তবায়নের অবশিষ্ট সময় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ হাতে সময় সীমিত এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। তবে সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইআরডি সচিবের পাশাপাশি সেশনের সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব এ.এইচ.এম. জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন যে, স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক দেশীয় সম্পদ ব্যবহারের ওপর জোর দেন। বিশেষ করে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করা এবং বেসরকারি খাতকে টেকসই উন্নয়নে উৎসাহিত করার মধ্য দিয়ে নিজস্ব অর্থায়ন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সুর মিলিয়ে ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় অর্থায়ন কেবল সম্পদ সংগ্রহের বিষয় নয়, বরং পরিকল্পনা প্রণয়নের শুরু থেকেই উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে সক্রিয় অংশীদার করা প্রয়োজন।

কর্মশালার মূল উপস্থাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বাংলাদেশের পরিবর্তিত অর্থায়ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাত থেকে অর্থ সংগ্রহের পথরেখা তুলে ধরেন। কর্মশালায় সংগৃহীত বিভিন্ন মতামতের আলোকেই সরকারের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট এবং এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে জানানো হয়।

কালের আলো/এসএকে

ট্রাইব্যুনালে ফেরদৌস-শাওন-সোমা ও আনিস আলমগীরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ট্রাইব্যুনালে ফেরদৌস-শাওন-সোমা ও আনিস আলমগীরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Oplus_131072

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যায় প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানির অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম, দুই সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলামসহ দেশের ২৭ জন সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক ও শিল্পীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসেকিউটর বরাবর রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের (SDF) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস এ অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, এসব বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জুলাই আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও গণহত্যার ঘটনার পেছনে এসব ব্যক্তিদের উসকানি, সমর্থন ও প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ ইন্ধন ছিল।

অভিযুক্ত ২৭ জনের তালিকা-

১. ফেরদৌস আহমেদ (চিত্রনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য, ঢাকা-১০), ২. মেহের আফরোজ শাওন (অভিনেত্রী ও নির্মাতা), ৩. রিয়াজ আহমেদ (চিত্রনায়ক), ৪. অরুণা বিশ্বাস (অভিনেত্রী), ৫. শামীম আরা নিপা (নৃত্যশিল্পী), ৬. রোকেয়া প্রাচী (অভিনেত্রী ও নির্দেশক), ৭. মাহিয়া মাহি (চিত্রনায়িকা), ৮. নিপুন আক্তার (চিত্রনায়িকা), ৯. তানভীন সুইটি (অভিনেত্রী), ১০. হৃদি হক (নাট্যব্যক্তিত্ব), ১১. জ্যোতিকা জ্যোতি (অভিনেত্রী), ১২. সাজু খাদেম (অভিনেতা), ১৩. সোহানা সাবা (অভিনেত্রী), ১৪. পিয়া জান্নাতুল (মডেল ও আইনজীবী), ১৫. শামীমা তুষ্টি (অভিনেত্রী), ১৬. হিরো আলম (অভিনেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর), ১৭. আশনা হাবীব ভাবনা (অভিনেত্রী), ১৮. সাইমন সাদিক (চিত্রনায়ক), ১৯. সুজাতা আজিম (অভিনেত্রী), ২০. জায়েদ খান (চিত্রনায়ক), ২১. অজিজুল হাকিম (অভিনেতা), ২২. চন্দন রেজা (অভিনেতা), ২৩. আসাদুজ্জামান নূর (অভিনেতা ও সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী), ২৪. মারিয়া কিশপট্টা (মডেল), ২৫. শান্তা ফারজানা, ২৬. সোমা ইসলাম (উপস্থাপিকা, চ্যানেল আই), ২৭. আনিস আলমগীর (সাংবাদিক)।

অভিযোগকারী আল নূর মোহাম্মদ আয়াস বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর যখন নির্যাতন চালানো হচ্ছিল, তখন অভিযুক্তরা অপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে উসকানি দিয়েছেন। পাশাপাশি জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের পরও তারা জুলাই যোদ্ধাদের কটাক্ষ করে উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, বক্তব্য ও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

কালের আলো/এসএকে

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের স‌ঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) প্রতিনিধিদলের প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রার সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ হ‌য়ে‌ছে।

বিদায়ী সাক্ষা‌তে বোকানেগ্রার প্রতিমন্ত্রীকে আইএফআরসির প্রধান মানবিক কার্যক্রম এবং বাংলাদেশে তার শাসনামলে অর্জনের বিষয়ে ব্রিফ করেন, দুর্যোগের প্রস্তুতি, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সহায়তায় সংস্থার সহায়তার কথা তুলে ধরেন।

তিনি তার মেয়াদজুড়ে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রসারিত অব্যাহত সমর্থন এবং গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বোকানেগ্রার তার মেয়াদ সফলভাবে সমাপ্ত করার জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশে আইএফআরসির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে আইএফআরসির দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া ও মানবিক সহায়তার মূল্যবান অবদানের প্রশংসা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বিশেষভাবে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য জলবায়ু-জনিত জরুরি পরিস্থিতিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আইএফআরসির টেকসই সহায়তার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি নারী ও শিশুদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিয়ে জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইএফআরসির মধ্যে বর্ধিত সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

শামা ওবায়েদ বোকানেগ্রারকে তার ভবিষ্যত কার্যভারের প্রতিটি সাফল্য কামনা করেন এবং আস্থা ব্যক্ত করেন যে তার উত্তরসূরির নেতৃত্বে বাংলাদেশ এবং আইএফআরসির মধ্যে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএএ/এমএসআইপি