খুঁজুন
                               
, ,
           

জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

ঢাকাই সিনেমার অন্যতম সফল ও কালজয়ী নায়ক জসিমের জন্মদিন আজ। খলনায়ক থেকে নায়ক, মুক্তিযোদ্ধা থেকে প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমুখী প্রতিভার এই শিল্পী বাংলা চলচ্চিত্রে রেখে গেছেন অনন্য অবদান।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে রুপালি পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন জসিম। বিশেষ করে অ্যাকশনধারার সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দর্শকের কাছে তিনি মূলত নায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়েছিল খলনায়ক হিসেবে।

নায়ক জসিমের আসল নাম আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন। ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে আসার আগে জসিম ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের অধীনে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় তার চলচ্চিত্রজীবন।

১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ১৯৭৭ সালে ‘দোস্ত দুশমন’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান।

খলনায়ক হিসেবে সাফল্যের পর ধীরে ধীরে নায়ক হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেন জসিম। **‘সবুজ সাথী’**সহ একাধিক সিনেমায় নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করেন তিনি।

৭০ ও ৮০-এর দশকে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি অ্যাকশন দৃশ্যেও ছিল আলাদা আকর্ষণ।

অভিনয়ের বাইরে চলচ্চিত্রের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন জসিম। তিনি ছিলেন প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক। বাংলা সিনেমায় অ্যাকশনধারাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তার অবদান বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

অল্প সময়ের ক্যারিয়ারেই নিজের অভিনয়শৈলী ও অ্যাকশননির্ভর চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন এই শিল্পী।

১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যান জসিম। তার আকস্মিক মৃত্যু বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ছিল বড় ক্ষতি।

তার স্মৃতি ধরে রাখতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) একটি শুটিং ফ্লোরের নামকরণ করা হয়েছে ‘জসিম ফ্লোর’।

মুক্তিযোদ্ধা, অভিনেতা, প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী জসিম আজও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্মরণীয় এক নাম। তার অভিনয় ও অ্যাকশননির্ভর সিনেমার স্মৃতি নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও তাকে পরিচিত করে রেখেছে।

কালের আলো/এসএ

স্বস্তি নেই বাজারে, চড়ামূল্যে কাটছে ভোক্তার পকেট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
স্বস্তি নেই বাজারে, চড়ামূল্যে কাটছে ভোক্তার পকেট

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিত্যপণ্যের বাজারে চলমান অস্বস্তি এখনও কাটেনি। বেশিরভাগ সবজির দামই ৮০ টাকার ওপরে। দুই সপ্তাহ আগেও এক ডজন ডিমের দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। তবে সব সবজির দাম ৮০ টাকার আশেপাশে রয়েছে। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, প্রতি কেজি শসা ৬০ টাকায়, করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, প্রতি কেজি ধন্দুল ৭০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া, প্রতি কেজি গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, গাজর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকায়, ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, প্রতি কেজি শিম ২০০ টাকায়,  টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা, কঁচু প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা মিশু সরদার বলেন, কাঁচামরিচের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তাই গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমেছে। তবে অন্যান্য সবজির দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

বাজার করতে এসেছেন সরকারি চাকরিজীবী সিয়াম মল্লা বলেন, সবজির যে পরিমাণের দাম উঠেছে। এতে খালি হাতে ফিরতে হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এদিকে, মসলার বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, আলু ৩০, রসুন ১৫০ ও আদা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া মুরগির বাজারে কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতিকেজি ব্রয়লার ১৯০, সোনালি ৩২০-৩৩০, হাইব্রিড ২৯০-৩০০ এবং লেয়ার বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৪০ টাকায়। মুরগি বিক্রেতা আরিফ বলেন, বাজারে সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক আছে। তাই মুরগির দামও গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিআইএ) মহাসচিব এম সাফির রহমান বলেন, পণ্যের দাম বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। বন্যায় দেশের অনেক খামারি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সরবরাহের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

গরুর মাংস ৮৫০ এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকায়।

ডিমের বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ টাকা কমেছে দাম। বর্তমানে সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা এবং লাল ডিম ১৪০ টাকা ডজন। ডিম বিক্রেতা বলেন, সরবরাহ বাড়ায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সামনে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে।

চালের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতিকেজি মোটা চাল ৫২-৫৫ টাকা, বিআর-২৮ ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭৮ টাকা ও কাটারি নাজির ৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

ক্রিকেটারদের ঝামেলা থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রীলঙ্কান কোচের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ক্রিকেটারদের ঝামেলা থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রীলঙ্কান কোচের

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে পরিচিত কোচ সুমিথ ফার্নান্দো খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। ৬২ বছর বয়সী এই কোচের হাতে বেড়ে উঠেছেন দেশটির উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান কুশল মেন্ডিসসহ অনেক তরুণ ক্রিকেটার।

গত ৮ আগস্ট কলম্বোর ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট অ্যান্ড অ্যাথলেটিক ক্লাবে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত ফার্নান্দোকে দ্রুত কলম্বোর ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, অনুশীলনরত একদল তরুণ ক্রিকেটার পানি নিতে গিয়ে দেখতে পান, ট্যাপে কোনো পানি নেই। এ নিয়ে খেলোয়াড় ও ক্লাবের কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ক্লাবের কিউরেটর ফার্নান্দো সেখানে গিয়ে বিষয়টি থামানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, দুই খেলোয়াড়কে ঘিরে মারামারির সময় ফার্নান্দো আঘাত পান। এ ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক স্কুল ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ ওই ১৭ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করেছে। পরে তাকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত প্রবেশন ও শিশুকল্যাণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, ক্লাবের এক কর্মী ওই কিশোর ক্রিকেটারকে মারার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জবাবে কিশোরটি পাল্টা আঘাত করে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।

ফার্নান্দো শুধু ক্লাব পর্যায়ের কোচই ছিলেন না, স্কুল ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর কাছেই ক্রিকেটের প্রাথমিক শিক্ষা নিয়েছিলেন কুশল মেন্ডিস। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে তরুণ প্রতিভা তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

খেলোয়াড়দের একটি সামান্য বিরোধ শেষ পর্যন্ত একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচের প্রাণ কেড়ে নেওয়ায় ঘটনাটি শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট অঙ্গনে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।

কালের আলো/এসএ

জাপানে হঠাৎ ভারী বর্ষণ, বিমানবন্দরে আটকা হাজার হাজার যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
জাপানে হঠাৎ ভারী বর্ষণ, বিমানবন্দরে আটকা হাজার হাজার যাত্রী

জাপানের পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক ভারী বর্ষণে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। একই সঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে পড়া হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন সরকারি ভবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে টোকিওর পূর্বাঞ্চলীয় চিবা প্রিফেকচারে মুষলধারে বৃষ্টির পর ভূমিধসের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি করা হয়। চিবা ও আশপাশের অঞ্চলের চার লাখেরও বেশি বাসিন্দাকে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগের কারণে প্রায় ৪৫ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। চিবায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়, যা ওই অঞ্চলে পুরো আগস্ট মাসের গড় বৃষ্টিপাতের সমান।

পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক যে, জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) প্রথমবারের মতো চিবা প্রিফেকচারের জন্য ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধস সংক্রান্ত সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৫’ সতর্কতা জারি করে।

টানা বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় চিবায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ইচিকাওয়া শহরের একটি সড়ক থেকে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাকুরা শহরে বন্যার পানিতে গাড়ি আটকে ৬৬ বছর বয়সী এক নারী মারা যান। এ ছাড়া বানের জলে চালক বের হতে না পেরে পৃথক গাড়িতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

শুক্রবার সকালে পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই বলেন, ‘এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক এক পরিস্থিতি ছিল। আমি ক্যারিয়ারে অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করেছি, কিন্তু এমন ভয়াবহ দৃশ্য আগে কখনো দেখিনি।’

প্রবল বৃষ্টির কারণে টোকিওর অন্যতম প্রধান যোগাযোগকেন্দ্র নারিতা বিমানবন্দরে রাত কাটাতে বাধ্য হন প্রায় ৭ হাজার আটকা পড়া যাত্রী। এ ছাড়া চিবা প্রাদেশিক প্রশাসনিক ভবনে আশ্রয় নিয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৭০০ জন।

জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, চিবায় সুয়ারেজ নিষ্কাশন লাইন উপচে তীব্র বেগে পানি বের হয়ে পার্শ্ববর্তী একটি পাঁচতলা ভবনের সমান উঁচুতে উঠে যাচ্ছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও বন্যা ও নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএকে