খুঁজুন
                               
, ,
           

সব অলাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করছে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
সব অলাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করছে ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৭৫০টির বেশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। একই সঙ্গে ‘অলাভজনক’ ও অদক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পার্লামেন্টে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রাবোও বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো কার্যত কোনো উৎপাদনশীল কাজ করছে না। এসব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত লোকসান করলেও লাভ দেখায় এবং সেই লাভের হিসাব অনেক সময় কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়।

তিনি বলেন, গত বছর রাষ্ট্রীয় সম্পদ পরিচালনার জন্য ইন্দোনেশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ‘দানান্তারা’ প্রতিষ্ঠার পর জানা যায়, দেশে মোট ১ হাজার ৭৪টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

প্রাবোও বলেন, আমি ভেবেছিলাম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ৩০০ বা ৪০০টি হবে। কিন্তু দেখা গেল, সংখ্যা ১ হাজার ৭৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি কোনো দায়িত্ববোধ ছাড়াই নিজেদের মতো করে পরিচালিত হয়।

এখন পর্যন্ত ২৯০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ ৩০০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাবোও বলেন, আমরা ৭৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করব এবং শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানই রাখব, যেগুলো উৎপাদনশীল এবং জনগণের জন্য অতিরিক্ত মূল্য তৈরি করে।

তিনি এই উদ্যোগকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ, এমনকি সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় করপোরেট পুনর্গঠন হিসেবে উল্লেখ করেন।

২.৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয়

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের উদ্যোগে এরই মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ২.৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে বলে জানান প্রেসিডেন্ট।

এই সাশ্রয়ের মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বেতন, ভবন ও গাড়ি ভাড়া এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণের খরচ।

চলতি বছরের জন্য সরকারের লক্ষ্য হলো ৭০ ট্রিলিয়ন রুপিয়ার বেশি ব্যয় সাশ্রয় করা।

সূত্র; এএফপি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

সরকারি কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. বাবলু কাজী (৬০)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবী থানাধীন মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, বাবলু কাজী ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের দিতেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার মো. সবুজ সরকারের কাছ থেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে বাবলু কাজীর সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করে ডিবি।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি জানায়, চক্রটি সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষের আনাগোনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করত। চক্রের একজন নিজেকে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যরা তার গাড়িচালক বা অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি অফিসে চলাফেরা করত। এতে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে তারা নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলত।

কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হতো। এমনকি চাকরিতে যোগদানের পর টাকা পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হতো। ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জনের পর তাদের হাতে ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন তুলে দেওয়া এবং নকল হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করানো হতো।

প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম এক-দুই মাস নিজেদের পকেট থেকে কিছু টাকা ‘বেতন’ হিসেবেও দেওয়া হতো। পরে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেত চক্রের সদস্যরা।

এ ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাবলু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

রাজধানীর প্রবেশপথে চেকপোস্ট, ৩২ নম্বরে অতিরিক্ত পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
রাজধানীর প্রবেশপথে চেকপোস্ট, ৩২ নম্বরে অতিরিক্ত পুলিশ

১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আনা হয়েছে জলকামান। সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন শতাধিক পুলিশ সদস্য। মোতায়েন করা হয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদেরও।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে দায়িত্ব পালনরত এপিবিএনের এসআই জহুরুল জানান, ভোর থেকেই তারা সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। রমনা জোনের পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সকাল থেকে এপিবিএনের ৩৩ সদস্য সড়কের দুপাশে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

এর আগে শুক্রবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের আওতায় আনা হয়েছে।

রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে। নগরের বিভিন্ন প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যদেরও মাঠে রাখা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি/

কেউ অর্থাভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
কেউ অর্থাভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না, কিংবা কেউ অর্থাভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট ‘ভবন-২’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই বিশেষায়িত হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি আজ বড় রূপ ধারণ করেছে।

গ্রামের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যাতে সাধারণ চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সেজন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল সিস্টেম গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে।

এরই অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট’ প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে জানিয়ে তিনি ঘোষণা দেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হবে।

শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় ২০০ শয্যা বিশিষ্ট ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলছে। আগামী অক্টোবর মাসেই হাসপাতালগুলো একযোগে চালু করা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক আচরণের তাগিদ দিয়ে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয় ও মানসিক কষ্ট বুঝে চিকিৎসকদের সহানুভূতিপূর্ণ আচরণ সেবার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

একই সঙ্গে চিকিৎসক, রোগী ও স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন কিংবা রোগীরা যদি চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রাখতে না পারেন, তবে কেবল হাসপাতাল ভবনের উন্নয়ন করে বিদেশে চিকিৎসাকেন্দ্রিক নির্ভরতা বন্ধ করা যাবে না।

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গঠন কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং একটি বাস্তব ও কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ধারাবাহিক পদক্ষেপ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ