খুঁজুন
                               
, ,
           

২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ
২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘তার সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার- বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।’

রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দফতর ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের আয়োজক জেপি মর্গান এবং অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওয়াল স্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশি এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন, আর তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূলনীতি একই-সাফল্য নিশ্চিত করা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন। আজ তিনি দেশের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগগুলো সরাসরি তুলে ধরতে চান।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। দেশটির রয়েছে তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। এটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং তা অব্যাহত থাকবে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে।’

জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও সহজ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা, বিধিবিধান সহজ করা, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নয়ন, মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় তার সরকার। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্বের উদ্যোগ এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা তুলে ধরেন তিনি।’

বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গ্যানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট পেয়েছেন এবং দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তব্যের পর কী ঘটে, তার ভিত্তিতেই একটি দেশকে মূল্যায়ন করেন। বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত, মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তর করা যায় এবং মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত নেওয়া যায়-এসব তাঁদের যৌক্তিক প্রশ্ন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নীতির মাধ্যমে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা তৈরি করাই সরকারের দায়িত্ব। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেন নয়, উভয় পক্ষের জন্য মূল্য সৃষ্টি করবে এমন দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব চায়।’

ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন এবং তাঁদের স্বার্থ ও সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য অত্যন্ত সরল- আরও বিনিয়োগ, আরও বাণিজ্য, আরও কর্মসংস্থান, আরও প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব।’

বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে, আপনাদের কথা শুনতে এবং যেখানে সম্ভব বাধা দূর করতে আমরা প্রস্তুত। আশা করি, আপনাদের অনেককেই শিগগিরই বাংলাদেশে দেখতে পাব।’

বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সন্ধানী বার্তা/আরডি/এমডিএইচ

প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান, নিয়োগপত্রের দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান, নিয়োগপত্রের দাবি

রাজধানীর শাহবাগে নিয়োগপত্রের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক প্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন।

রোববার বেলা ১১টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন। এর আগে সকাল থেকেই তারা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে থাকেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে রোববার সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মও গড়ে তোলা হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন শেষে অন্তত ২ হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।

নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগপত্র ইস্যু করে তাদের কাজে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ দাবিতে তারা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৬ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৬ জন

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে মিরপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৪ জন রয়েছেন। এছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৯৯ জন, মতিঝিলে ৬৮ জন, লালবাগে ৫২ জন, ওয়ারীতে ৫২ জন, রমনায় ৪৩ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৮ জন, গুলশানে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ হাজার ৩১৪ পিস ইয়াবা, দুটি সুইট গিয়ার, একটি ব্যানার, ছয়টি মুখোশ, ১১টি মোবাইল ফোন, ৫ হাজার ১০০ টাকা ও একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জমি নিয়ে বিরোধ, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
জমি নিয়ে বিরোধ, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, জমিজমা নিয়ে দখল-বেদখল অথবা দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে রাজধানীর মানিকদিতে ‘নিউগিনি প্রপার্টিজ’ নামের একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানে ঢুকে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ওই প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও রয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, হামলার খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গফরগাঁওয়ের বাসিন্দা ও ভাসানটেক বস্তির মামুন (৩৫), টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও মজুমদারের মোড়ের অটোরিকশাচালক আসলাম এবং বরগুনার পাথরঘাটার বাসিন্দা ও ভাসানটেক বস্তির মুন্না (২৯)।

হামলার কারণ সম্পর্কে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি জমিজমা কেন্দ্রিক দখল-বেদখল কিংবা দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

চাঁদাবাজির কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে চাঁদাবাজির কোনো তথ্য পুলিশের কাছে নেই। তদন্ত শেষ হলে হামলার মূল কারণ এবং এর পেছনে কারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তা জানা যাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি