খুঁজুন
                               
, ,
           

জ্বালানি ও দক্ষ জনশক্তিতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
জ্বালানি ও দক্ষ জনশক্তিতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব বিষয়ে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র দেন হাইকমিশনার। এ জন্য রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন। অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান তিনি। একই সঙ্গে বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন।

দেশের কর্মশক্তির দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভারসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহের কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি তৌফিক ইমরোজ খালিদীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদী দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম জগতের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং সংবাদ পরিবেশনে ডিজিটাল মাধ্যমের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে অবদান রেখেছে।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে পেশাদারিত্ব, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার চর্চায় তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রতিমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের এই গভীর শোক ও ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সম্পাদক হিসেবে তিনি এর সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল সংবাদ কার্যক্রম এগিয়ে নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন একজন পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের উদ্দেশে ‘ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরা অবস্থায় ডিবি সদস্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠেন আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি পুলিশের সদস্যদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ও ভাই, ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান।’ একই সঙ্গে দুই হাত উঁচু করে মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পরানোর ইশারা করেন।

বর্তমানে আখতারুজ্জামান বিমানবন্দর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানান, বিমানবন্দর থানায় করা একটি মামলায় আখতারুজ্জামানকে আসামি করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এ জন্য ফরওয়ার্ডিং প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম  বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি