খুঁজুন
                               
, ,
           

এলজিআরডি মন্ত্রীর ভাবনায়—শান্তির শক্তি, সংস্কৃতির সেতুবন্ধন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
এলজিআরডি মন্ত্রীর ভাবনায়—শান্তির শক্তি, সংস্কৃতির সেতুবন্ধন

পারমাণবিক বোমা ধ্বংস করতে পারে একটি শহর, যুদ্ধ বদলে দিতে পারে একটি ভূখণ্ডের মানচিত্র। কিন্তু মানুষের ভেতরের ভয়, অবিশ্বাস ও বিভাজন মুছে দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা অস্ত্রের নেই। সেই জায়গা থেকেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের বার্তা—‘পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে শান্তি।’ তাঁর মতে, শান্তিতে বিনিয়োগ এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের মধ্য দিয়েই সংঘাত থেকে বেরিয়ে টেকসই উন্নয়ন ও সুন্দর সমাজের পথে এগোনো সম্ভব।

শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লাল সবুজ সাংস্কৃতিক একাডেমি আয়োজিত বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘গ্ল্যামার এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

  • শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই
  • শান্তিতে বিনিয়োগ এবং শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে জোর
  • বাংলাদেশে সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব

ধ্বংস নয়, শান্তিই প্রকৃত শক্তি

নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ছাত্র হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বোমাকে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তিনি মনে করেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো শান্তি।’ বক্তব্যটির তাৎপর্য কেবল যুদ্ধবিরোধী আহ্বানে সীমাবদ্ধ নয়। মন্ত্রীর বক্তব্যে শান্তিকে উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও উঠে আসে। তাঁর মতে, সংঘাতের পেছনে সম্পদ ব্যয়ের পরিবর্তে শান্তিতে বিনিয়োগ করা গেলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অস্থিরতা ও যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ তৈরি হতে পারে।

সংস্কৃতি যেখানে সীমান্ত মানে না

শান্তির এই বিনিয়োগে শিল্প-সংস্কৃতিকে অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই।’ ভাষা না বুঝেও মানুষ সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্যসহ শিল্পের নানা মাধ্যমে অন্য মানুষের অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এই সর্বজনীনতাই সংস্কৃতিকে সম্প্রীতির শক্তিতে পরিণত করে। ভিন্ন ভাষা, পরিচয় ও ভূগোলের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সেতু তৈরি করে শিল্প। ফলে সংস্কৃতিচর্চা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; সামাজিক দূরত্ব কমানো, পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরিরও কার্যকর মাধ্যম।

বাংলার সংস্কৃতিতেই সম্প্রীতির শক্তি

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী প্রয়াত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শিল্পকলা একাডেমির প্রাঙ্গণে গ্রামবাংলার ভাটিয়ালি, বাউলসহ বিভিন্ন লোকসংগীতের শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁদের গান শুনতেন জিয়াউর রহমান। ড. আবদুল মঈন খান জানান, পরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে আট কোটি টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এ সময় জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী।

এক দিনের নয়, প্রতিদিনের শান্তি

জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস পালনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শান্তির পক্ষে কাজ শুধু একটি দিবসের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। বছরের প্রতিটি দিন শান্তির পক্ষে কাজ করতে হবে। এখানেই তাঁর বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক—শান্তিকে আনুষ্ঠানিকতার বাইরে নিয়ে সামাজিক ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ করা। কারণ সংঘাত ও অস্থিরতার পরিবেশে উন্নয়নের সুফল টেকসই হয় না। বিপরীতে শান্তিপূর্ণ সমাজ মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক সংহতি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি শক্ত করে।

শান্তির অবকাঠামো গড়তে সংস্কৃতির প্রসার

বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বে একটি সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গড়ার উদাহরণ তৈরি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন ড. আবদুল মঈন খান। এ জন্য শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরফাতুর রহমান আপেল। শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল বা শোষণের সঙ্গে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিভিন্ন দেশকে ভোগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতাও সহজে শেষ হওয়ার নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়। কারণ মানুষের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে। যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় বাংলাদেশের নেই। দিন শেষে এসব সংকটের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেসব যুদ্ধের প্রভাবেও বাংলাদেশকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করবে—এটাই প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ, যেখানে তারা শান্তিতে কাজ করতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারবেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ প্রতিপাদ্যে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগরসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ২৩টি টিম একযোগে ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ করতে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সিলিন্ডারের নিরাপত্তাবিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

ভোক্তাদের সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল, মেয়াদ ও দৃশ্যমান ত্রুটি যাচাই করার পাশাপাশি মূল্যতালিকা দেখে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করা যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিমানবন্দরে হুমকি-মারধরের মামলা, আখতারুজ্জামান রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে হুমকি-মারধরের মামলা, আখতারুজ্জামান রিমান্ডে

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ।

শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, আখতারুজ্জামানকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার ভোরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আসা ওমরাহ যাত্রীদের লাগেজ ও জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও অশালীন ভাষায় কথা বলেন। পরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে ভিডিও ধারণ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নিষেধ করতে গেলে আখতারুজ্জামান তাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গ্রেপ্তারের আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক ভিডিও বার্তায় আখতারুজ্জামান বলেন, ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি জনগণ ও প্রবাসীদের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা জানান।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে কটিয়াদী আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি