খুঁজুন
                               
, ,
           

কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, অনলাইন জগৎ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব জায়গায় কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, কার্যকর বিচার এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কন্যাশিশুর কল্যাণে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ছেলে ও মেয়েকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং তাদের স্বপ্নপূরণের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা যোগ্যতা ও সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কন্যাশিশুকে বোঝা নয়, সম্ভাবনা হিসেবে দেখতে হবে। ছেলে ও মেয়েকে সমান মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি ছেলেদের ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের সম্মান করতে শেখাতে হবে। মেয়েদের বিয়ের জন্য সঞ্চয় করার পরিবর্তে তাদের শিক্ষা ও কল্যাণে বিনিয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কন্যাশিশুর জন্ম অফুরন্ত সম্ভাবনার সূচনা। তার শিক্ষা মৌলিক অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাল্যবিবাহের কারণে শৈশব থেমে যায়, শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয় এবং সম্ভাবনার অপচয় ঘটে।

কন্যাশিশু নির্যাতন ও নিপীড়ন প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রতিটি উপজেলায় কিশোরীবান্ধব সেবা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি হেল্পলাইন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, অধিকার সম্পর্কে জানা এবং নির্যাতনের শিকার হলে বিশ্বস্ত অভিভাবক, শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেন। আত্মরক্ষার জন্য মার্শাল আর্ট শেখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, কন্যাশিশুর বিশ্বজয়ের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। নারী ও কন্যাশিশুকে পিছিয়ে রেখে কোনো সমাজ বা জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন নিরাপদে জন্ম নেয়, নির্ভয়ে বেড়ে ওঠে, শিক্ষা গ্রহণ করে, দক্ষতা অর্জন করে এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে—এমন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার ডলি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শায়লা শারমিন জামান। পরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দুই কন্যাশিশু তাদের মতামত তুলে ধরে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জ্বালানি ও সার খাতে আলজেরিয়ার সহযোগিতা চান শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি ও সার খাতে আলজেরিয়ার সহযোগিতা চান শামা ওবায়েদ

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আলজেরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলউহাব সাইদানি। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে জ্বালানি খাতের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধ শিল্প, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয় উঠে আসে।

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সার খাতে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন শামা ওবায়েদ। একই সঙ্গে তিনি আলজেরিয়ায় পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ ছাড়া খেলাধুলা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত আবদেলউহাব সাইদানি। তিনি জ্বালানি, ওষুধ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৈঠকে আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা আরও গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চকবাজারে মনজুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, কাজ করেছে ১০ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
চকবাজারে মনজুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, কাজ করেছে ১০ ইউনিট

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারের ছোট কাটারায় মনজুর খান প্লাজায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে লাগা এ আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করে। অগ্নিকাণ্ডে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।

সোমবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে কারণ নির্ধারণ করা হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, যে ভবনে আগুনের সূত্রপাত, সেটি ব্যাগের গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আশপাশের কয়েকটি ভবনে কাপড়ের গোডাউনও রয়েছে। একটি ভবনে আগুন লাগার পর তা আশপাশের আরও এক-দুটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল ৫টা ২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সরু গলি, প্রচণ্ড ধোঁয়া ও পানির স্বল্পতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় তাদের।

ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আশপাশের মার্কেট, বাসাবাড়ি ও কারখানায় যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন আবদুস সালাম। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও উদ্ধারকর্মীদের দ্রুত চলাচল নিশ্চিত করতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পুরান ঢাকায় রাসায়নিকের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে চকবাজারের এই অগ্নিকাণ্ডের নির্দিষ্ট কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবে

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিজিবি সদর দফতরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান সোমবার (১২ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য নিরাপত্তা সহায়তা দেবে।

দুর্গাপূজা যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে লক্ষ্যে বিজিবি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, ‘এর মূল অংশ হলো নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়। সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেই চিহ্নিত করা, গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে বিজিবি নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত টহল ও সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, ঢাকায় বিজিবি মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিজিবি প্রস্তুত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্গাপূজা আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার দীর্ঘ ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রকাশ। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনেরা যেন নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিতে বিজিবি সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত থাকবে।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমকে