খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

রাঙ্গা-চুন্নু বিরোধ এবার প্রকাশ্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
রাঙ্গা-চুন্নু বিরোধ এবার প্রকাশ্যে

রাজনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো:

এরশাদের মৃত্যুর পর জি এম কাদের দল পরিচালনায় তাঁর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জিয়াউদ্দিন বাবলুকে। তাঁর মৃত্যুর পর তিনি দলীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেন মুজিবুল হক চুন্নুকে। স্বভাবতই সিদ্ধান্ত মনমতো হয়নি মসিউর রহমান রাঙ্গার। ভেতরে ভেতরে নিজেদের বিরোধের কথা শোনা গেলেও কখনও সেটি প্রকাশ্যে আসেনি। কিন্তু এবার রাজধানীতে গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে আলোচনায় রীতিমতো তর্কে জড়িয়েছেন দলটির বর্তমান ও সাবেক মহাসচিব। মুজিবুল হক চুন্নু গঠনমূলক সমালোচনা করলেও যেন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন রাঙ্গা। চুন্নুর আগে তিনি মহাসচিব ছিলেন এই ক্ষোভে চুন্নু সমালোচনা করেছেন বলেও বুলি আওড়ান মসিউর রহমান রাঙ্গা। দু’নেতার এমন বাহাসের মধ্যে দিয়েই মূলত প্রকাশ্যে এসেছে রাঙ্গা-চুন্নু বিরোধ।

বিরোধ যেভাবে প্রকাশ্যে এলো
রবিবার (৩ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনের অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে মুজিবুল হক দুর্ঘটনায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ রাজধানীতে সাম্প্রতিক তিনটি দুর্ঘটনায় প্রসঙ্গ টেনে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার অনেক উন্নয়নের দাবিদার। হ্যাঁ, উন্নয়ন অনেক করেছে। কিন্তু রাজধানী শহর ঢাকায় ট্রান্সপোর্টের একটি নীতিমালা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা চোখে দেখিনি। ঢাকা শহরে ঘর থেকে বের হওয়া কোনও উপায় নেই। ঢাকা শহরে যেসব বাস চলে তার বেশিরভাগই পুরনো ও লক্করঝক্কক। লাইসেন্স নেই, কোনও আইন মানে না। রাস্তায় যেখানে-সেখানে পার্ক করে রাখে।’

এ সময় সংসদে পাশের সিটে বসা মশিউর রহমান রাঙ্গার প্রতি ইঙ্গিত করে চুন্নু বলেন, ‘আমার পাশে বসে আছেন বাংলাদেশ বাস ওনার্স সমিতির সভাপতি। ওনাদের বলবো, আপনারা মানুষের প্রতি দরদী হন। যে সমস্ত গাড়ি ব্রেক নেই, পুরনো ইঞ্জিন, রঙ নেই…। এগুলো সরকার… কেউ দেখে না। আপনারা সরকারের সাথে যোগসাজশে জনগণকে কষ্ট দিচ্ছেন?’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি পদ্মা ব্রিজসহ অনেক উন্নয়ন করেন… কিন্তু আপনি টোটালি ফেইল ট্রান্সপোর্টেশনের বিষয়ে। ২৪ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স আজ আটকা, ঢাকা শহরে আজ গাড়ি চলে না। ভালো বাস নেই। ঢাকায় সরকারের কি নতুন পাঁচশো- ১ হাজার বাস নামানোর সক্ষমতা নেই? মানুষ নিজের টাকা দিয়ে টিকিট কিনে গাড়িতে যাবে। কিন্তু লাইনের পর লাইন, টিকেট কিনে ওঠারও কোনও বাস নেই। এত অপ্রতুল পরিবহন। এ বিষয়টি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করবো।’

পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুজিবুল হকের বক্তব্যের জবাব দেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গা। তিনি বলেন, ‘(মুজিবুল হক চুন্নু) আমার কলিগ, আমি ওনার আগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ছিলাম দুই বছর। তারপর উনি মহাসচিব হয়েছেন। সেই ক্ষোভে কিনা বা আমি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি সেই ক্ষোভে কিনা কিংবা জনগণের দুর্দশা দেখেই কিনা- কীভাবে উনি বলেছেন, আমি বুঝতে পারলাম না। পরিবহনের এই বিষয়টি আমাকে বললেনও না, হঠাৎ করে বললেন- আমার সভাপতি পাশে রয়েছেন।’

রাঙ্গা বলেন, ঢাকায় আগে পরিবহনগুলো ৮-৯টি ট্রিপ দিতো। যানজটের কারণে এখন একটি বাস তিনটির বেশি ট্রিপ দিতে পারে না। আয় আগের তুলনায় কমে গেছে। উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হোক, আর যে কোনও কারণে হোক গতিসীমা কমে গেছে।

গাড়ির ফিটনেস না থাকা এবং লক্কর-ঝক্কর বাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ফিটনেস আছে কিনা তা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিআরটিএ দেখবে। গাড়ি একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে চলে না, তা আমি বলবো না। এটা বিভিন্ন সময় হয়ে থাকে। চালকরা করে থাকে। আমরা বাসের মালিক, আমরা তো চালক না, আমরা গাড়ি চালাই না, এজন্য এ বিষয়টি বলতে পারবোনা। তবে ফিটনেসের বিষয়টি আমাদের পরিবহন মালিকদের। ফিটনেস না থাকলে জরিমানা করা হয়। ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে মাঝ বরাবর গাড়িগুলো কেটে ফেলা হয়, যাতে করে আর চালাতে না পারে।’

তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রসববেদনার জন্য আমাদের এই সমস্যা হচ্ছে, আমাদের এটা মেনে নিতে হবে।

নির্দিষ্ট কোনও গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে এবং সে বিষয় মুজিবুল হক চুন্নু তাকে জানাতে পারলে সংসদে বসেই জরুরি ব্যবস্থা নিতে পারতেন বলেও জানান মসিউর রহমান রাঙ্গা।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার তাকে নিয়ে সংসদে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের দেওয়া বক্তব্যেরও জবাব দেন চুন্নু। তিনি বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী আমাকে বললেন, আমি নাকি অসত্য কথা বলেছি। আমার অসত্য কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই, আমি ব্যবসা করি না। আমি বাজারে যাই, এক সপ্তাহ আগে যে বেগুনের দাম ছিলো ৪০ টাকা পরশু দিন বাজারে গিয়ে দেখি ৭০ টাকা। ৩০ টাকার শসা ১০০ টাকা কেজি। ৩০ টাকার পেঁয়াজের কেজি ৩৫ টাকা। চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা। ৬৩০ টাকার গরুর গোশত ৬৫০ টাকা। শুধু সয়াবিন তেলের দাম কমেছে বৃদ্ধি পায়নি। তথ্যমন্ত্রীকে বলবো, কথা বলতে পয়সা লাগে না কিন্তু… (আমি) অসত্য কথা বলেছি… ‘অসত্য কথা’ শব্দটি কখন ব্যবহার করবেন ওনার শেখা প্রয়োজন।’

কালের আলো/এনএল/এএ

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ
পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরেছে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মাঠ পর্যায়ে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যদের পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে সময় শেষ হয়ে যায়নি; অভিযান অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ফলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনীকে মাঠে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে না। পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং পুলিশ বাহিনীকে আবারও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের আস্থা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুলিশ বাহিনীকে একটি কার্যকর ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। জনগণের মনেও সেই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনীকে মাঠ থেকে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তবে কীভাবে এই প্রত্যাহার কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে বসে পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি।

চলমান বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, জুয়াড়ি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সময় শেষ হয়ে যায়নি। অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন অভিযান চলছে। প্রতিদিনই দাগী আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জুয়া ও অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধীদের আটক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও যৌথ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এককভাবেও অভিযান পরিচালনা করছে।

‘বড় গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করেই অভিযানে নামা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারের চলমান অভিযানের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে

প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

Oplus_131072

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় আকারের একটি সহায়তা কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে উন্নত মানের জুতা দেওয়া হবে। প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জুতা প্রস্তুতকারী ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত স্কুল জুতা বিতরণ করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারকে অনুদান দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই উদ্যোগটি শুধু একটি বিতরণ কর্মসূচি না হয়ে শিশুদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমন্বিত সহায়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এজন্য জুতার মান, স্টাইল ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুতার গুণগত মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকলে সেটি শিশুদের মধ্যে অসম অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য মান নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপজেলায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের (প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী) জুতা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে সীমিত পরিসরে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পাইলট হিসেবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি টেকনিক্যাল ও কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ, লেদার ইন্সটিটিউট ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সহযোগী প্রতিটি কোম্পানির একজন প্রতিনিধি রাখার নির্দেশনা দেন এবং ডিজাইন, কোয়ালিটি চেকিং, সার্টিফিকেশন সবকিছু যেন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হয়, সেজন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ত রাখার কথাও বলেন।

কালের আলো/এসএকে

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে