খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবিক বৈভবে শীতার্তের পাশে ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাব, মিলেছে ইতিবাচক সাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মানবিক বৈভবে শীতার্তের পাশে ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাব, মিলেছে ইতিবাচক সাড়া

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

হাড় কাঁপানো শীতে গরিব ও অসহায় মানুষের ভোগান্তি ও কষ্ট সীমাহীন। মানবিকতার পরিশুদ্ধ হৃদয় নিয়েই বিপন্ন এসব মানুষের পাশে এবার দাঁড়িয়েছে ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাব। দিন চারেক আগে সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি ১ হাজার ৫০০ দু:স্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের পর রোববার (০১ জানুয়ারি) রাজধানীর বাউনিয়া এলাকায় ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাব ১ হাজার গরিব ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করেছে শীতবস্ত্র।

ভিডিও দেখুন এখানে

ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাব’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র স্ত্রী নুরজাহান আহমেদ এসব পরিবারের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন। তিনি জনসেবামূলক এই কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে এ ধরণের মানবিক কার্যক্রমে অব্যাহত সহযোগিতা প্রদানের জন্য ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাবের সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতির (সেপকস) সম্মানিত পৃষ্ঠপোষক, সেনানিবাস লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুরজাহান আহমেদ নিজেদের গভীর দৃষ্টিভঙ্গিতে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ মানবিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত ও সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিশ্চয়তা আর নির্ভরতায় তাদের মন-মননে স্নিগ্ধ এক পরশ বুলিয়ে দিয়েছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সেপকস, সেনানিবাস লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের এমন মানবিক বৈভব সৎ ও অকৃত্রিম মানসিকতারই প্রতিফলন হিসেবে জনমনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, শীতবস্ত্র বিতরণের এই মানবিক কার্যক্রম সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। শীতবস্ত্র বিতরণকালে ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী ও সহ-সভানেত্রী; প্রয়াস এর সহকারী পৃষ্ঠপোষক; চিলড্রেন ক্লাব ঢাকা অঞ্চলের সভানেত্রী; জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার লজিস্টিকস এরিয়া এর সহধর্মিনী; সেপকস ঢাকা অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী, ঢাকা সেনানিবাস লেডিস ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, অফিসার, অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রধান শিক্ষক নেই, বেতনও নেই; সংকটে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক নেই, বেতনও নেই; সংকটে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে নেই প্রধান শিক্ষক। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বেও নেই কেউ। নানা সংকটে এক সময়ের জমজমাট প্রতিষ্ঠানটি এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। সাত বছর ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা। অন্যদিকে শ্রেণিকক্ষ, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও পরিবহনসহ নানা সমস্যায় কমে গেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাশে মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। প্রথম বছর ৬৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। তখন ১৬ শিক্ষক ও তিন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে ২০১৯ সালের পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২০ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠদানের অনুমোদন পায় বিদ্যালয়টি।

পরে বিদ্যালয়টি উপাচার্যের বাসভবনের পাশে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে জরাজীর্ণ আধাপাকা ভবনের নয়টি কক্ষে প্লে থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১৬০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। বৃষ্টি হলে টিনের চাল দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নেই। এমনকি একই কক্ষে একাধিক শ্রেণির পাঠদানও করতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমের পাশে ঝোপঝাড় থাকায় সেখানে সাপের ভয় রয়েছে। নেই খেলার মাঠও। ফলে নানা সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী হওয়া কমে গেছে।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে তাদের। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ এবং অনেক সময় নিজেদের পকেটের টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিম আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে তৎকালীন উপাচার্য চলে যাওয়ার পর থেকেই তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ। বিদ্যালয় স্থানান্তরের পর সংকট আরও বেড়েছে। সমস্যা সমাধান করা গেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি জেলার অন্যতম ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে পারে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান জানিয়েছেন, বিদ্যালয়টির বর্তমানে কোনো অনুমোদন নেই এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামেও নেই। তিনি বলেন, কমিটি গঠন করে বিদ্যালয়টিকে অর্গানোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর ইউজিসির অনুমোদন নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপাচার্য আরও বলেন, শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়টির সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনায় রেলওয়ে ইয়ার্ডে রূপসা এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ওয়াশপিটে নেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বগি দুটির ১২টি চাকা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রা শেষে রূপসা এক্সপ্রেসের খালি ট্রেনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ওয়াশপিটে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় ইয়ার্ডের ভেতরে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটি খালি থাকায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দুর্ঘটনার পর খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সীমান্ত এক্সপ্রেসের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কখন ট্রেনটি ছাড়তে পারবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ঢাকাগামী ২৫ আপ নকশীকাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রাও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

খুলনা স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অন্যান্য ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। তবে সীমান্ত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল বা শোষণের সঙ্গে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিভিন্ন দেশকে ভোগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতাও সহজে শেষ হওয়ার নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়। কারণ মানুষের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে। যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় বাংলাদেশের নেই। দিন শেষে এসব সংকটের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেসব যুদ্ধের প্রভাবেও বাংলাদেশকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করবে—এটাই প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ, যেখানে তারা শান্তিতে কাজ করতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারবেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ প্রতিপাদ্যে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি