খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পাহাড়ি জীবন পাল্টে দেবে সীমান্ত সড়ক, সেনাপ্রধানের পরিদর্শনে বাড়বে মনোবল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:০২ অপরাহ্ণ
পাহাড়ি জীবন পাল্টে দেবে সীমান্ত সড়ক, সেনাপ্রধানের পরিদর্শনে বাড়বে মনোবল

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

রাজস্থলী থেকে দুমদুম্যা। পাহাড়ের বুক চিরে এঁকেবেঁকে চলে গেছে সড়ক। দিগন্তজুড়ে বিস্তীর্ণ পাহাড়। কোথাও ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। চোখ মেলে তাকালে শুধুই সবুজ আর সবুজ। বুকভরা নিশ্বাস। মনের গভীরে প্রশান্তি দেবে পাহাড়ের মোহনীয় সৌন্দর্য। কোথাও ড্রোজারে কাটা হচ্ছে মাটি। কঠিন শিলা ভাঙছে হাইড্রোলিক হ্যামার। কোথাও-বা করা হচ্ছে রোলার। কেউ-বা করছে কারপেটিং। দুর্গম পাহাড়ে এভাবেই বিরামহীন গতিতে এগিয়ে চলছে সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজ। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় এ সীমান্ত সড়ক তৈরি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সীমান্ত এলাকার সুরক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে চ্যালেঞ্জিং জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্টদের মনোবল বাড়াতে সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী দুর্গম দুমদুম্যা ইউনিয়নের সাইচল আর্মি ক্যাম্প এলাকায় প্রকল্পটির কাজ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। মতবিনিময় ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্যদের।

সেনাপ্রধান নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে কাজ শেষ করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশের উন্নয়নে অনেকগুলো কাজ আমরা করছি। যার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত সড়ক নির্মাণ। এই সড়ক নির্মাণের কাজের অগ্রগতি দেখে আমি যথেষ্ট খুশি।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক ও সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে একনেকে অনুমোদিত হয়েছে ৩১৭ কিলোমিটার। নির্মাণাধীন এই সীমান্ত সড়ক বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ও জুরাছড়ির দুমদুম্যাকে যুক্ত করেছে। প্রথম পর্যায়ের অনুমোদিত ৩১৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ৯৫ কিলোমিটার। চলমান রয়েছে ১৩২ কিলোমিটার কাজ। চলতি বছরের এপ্রিলে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীন ১৬, ২০ এবং অ্যাডহক ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সীমান্ত সড়ক পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এই অঞ্চলে কাজ করা কঠিন। এই কঠিন কাজটি সেনাবাহিনীর সদস্যরা কতটা কষ্ট করে করছেন সেটি আপনারা দেখেছেন। এই কাজের সঙ্গে জড়িত সদস্যদের মনোবল বাড়াতেও আমার এই সফর।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে পার্বত্য জেলাসমূহের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ব্যবসা ও বাণিজ্যের প্রসার, সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের মূল ভূখন্ডে পরিবহনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং পার্বত্য জেলাসমূহে বিভিন্ন শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। সীমান্ত এলাকার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণের অবারিত সুযোগ তৈরি করবে।

সীমান্ত সড়ক পাহাড়ের চিত্র পাল্টে দেবে, বদলে দেবে জীবনমান এমন আশায় বুক বেঁধেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় রাজস্থলীর বাসিন্দা উচিং মারমা বলেন, ‘এই সড়কের মাধ্যমে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের চিত্র বদলে যাবে। তেমনি পর্যটকের আনাগোনাও বাড়বে। যার মাধ্যমে এই এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।

স্থানীয় দুমদুম্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পুচিং মং জানান, ‘এই সড়কের মাধ্যমে কৃষিজ পণ্যের বাজারজাতকরণে সুবিধা হবে এবং কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন।’

পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলামসহ সেনাসদর ও স্থানীয় ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে