খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে অধ্যাপক শেখ রোকন উদ্দিন আহমেদ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ
মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে অধ্যাপক শেখ রোকন উদ্দিন আহমেদ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

নড়াইলের লোহাগড়ার করফা গ্রামজুড়েই যেন উৎসবের আমেজ। সবার মাঝেই আনন্দ উদ্দীপনা। একটি কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন। পূর্ণাঙ্গ সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে ‘অধ্যাপক শেখ মো: রোকন উদ্দিন আহমেদ ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র’। সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র পৈতৃক ভিটার ৫০ শতাংশ জমিতে তাঁর প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার নামাঙ্কিত এই হাসপাতালটি তৃণমূলে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে রবিবার (১৫ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু করেছে।

দৃষ্টিনন্দন এই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ নিজ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন এক অধ্যায়ের সূত্রপাত করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিজয়, লাল-সবুজ পতাকাসংবলিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহারে একাত্তরের রণাঙ্গনে জীবনবাজি রাখা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা অধ্যাপক শেখ মো: রোকন উদ্দিন আহমেদ’র স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখতে এই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি যাত্রাপথের সোনালী তোরণ স্পর্শ করার মধ্যে দিয়ে এবার গ্রামীণ পরিমণ্ডলে হাতের নাগালে জরুরি প্রসূতি সেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, শিশু স্বাস্থ্য সেবা, ডেলিভারী ব্যবস্থাসহ সাধারণ সকল চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বশির আহমেদ এই প্রতিবেদককে জানান, ‘অধ্যাপক শেখ মো: রোকন উদ্দিন আহমেদ ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণে ২০২২ সালের ২৩ জুন কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ৫ কোটি ৬৬ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ে চলতি বছরের ৬ জুন এই কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।’

তিনি জানান, হাসপাতাল ভবনটি চারতলা ভিত্তির ওপর তিনতলা বিশিষ্ট এবং ডরমিটরি ভবনটি তিনতলা ভিত্তির ওপর তিনতলা বিশিষ্ট। এই কেন্দ্রটি এই এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে।

সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র হৃদয়ে আলাদা স্থান করে নিয়েছে নড়াইল। মহান মুক্তিযুদ্ধের কঠিন সময়টিতে তিনি এখানে ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেই কীনা যুদ্ধ দিনের স্মৃতি তাঁর মনে চির জাগরূক হয়ে আছে। সম্ভবত এজন্যই তিনি বলেন, ‘এলাকা ভুলতে পারবো না, ইনশাআল্লাহ বারবার আসবো।’

জেনারেল শফিউদ্দিনের বাবা অধ্যাপক রোকন উদ্দিন আহমেদ একজন বিদ্যানুরাগী মানুষও ছিলেন। নড়াইলে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে অবদান রেখেছেন। তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন মহীরুহ। সেখানে তাঁর নামে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এস এম রোকন উদ্দিন আহমেদ ভবনও রয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় অনেক আগেই সেখানকার মানুষ তাকে ভালোবেসে তার নামে ‘অধ্যাপক রোকন উদ্দিন’ সড়কের নামকরণ করেছেন।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের করফা গ্রামে বাবার নামে নির্মিত মরহুম ‘অধ্যাপক শেখ মো. রোকন উদ্দিন আহমেদ ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র’ বেলুন উড়িয়ে ও ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধনের পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার করফা গ্রাম আমার পূর্বপুরুষের ভিটা-মাটি। আমি নাড়ির টানে এখানে বারবার ফিরে আসি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।’

এরপর তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করেন। পরে সেনাপ্রধান করফা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করেন ও শিশু কিশোরদের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করেন। স্থানীয় সুধীজনদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ হয়েছে। এজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’ সবশেষে তিনি এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ