খুঁজুন
                               
, ,
           

ভারতীয় গণমাধ্যমে অপপ্রচারের ‘প্রাইম টার্গেট’ সেনাপ্রধান, সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপপ্রয়াস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
ভারতীয় গণমাধ্যমে অপপ্রচারের ‘প্রাইম টার্গেট’ সেনাপ্রধান, সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপপ্রয়াস

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

ভারতীয় গণমাধ্যমে গোয়েবলসীয় কায়দায় পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে গুজব আর অপপ্রচার। বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর ভারতের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে মূলধারার গণমাধ্যমে অপরিণামধর্শী কুৎসিত ধারার অপকৌশল বাস্তবায়ন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এবার চক্রটির ‘প্রাইম টার্গেট’ হয়েছেন দেশপ্রেমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শনিবার (০৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’কে ঘিরে রীতিমতো মিথ্যাচার, মনগড়া আর ফরমায়েশী অপতথ্যে ভারতীয় পত্রিকা ‘দ্য উইক’ খবর প্রকাশের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

যেখানে নিজেদের হিংসা, ঈর্ষা ও পরশ্রীকাতরতা মোটাদাগে প্রতীয়মান হয়েছে। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ কল্পকাহিনীতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়ানো হয়েছে। অথচ দেশের ক্রান্তিকালে সেনাপ্রধানের সাহসী ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত প্রশংসিত হয়েছে জনেজনে। সেই বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর মূল বার্তা ছিল পরিস্কার। তিনি বলেছিলেন, ‘জনগণের স্বার্থে ও রাষ্ট্রের যেকোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।’

কথা দিয়ে কথা রেখেছেন সেনাপ্রধান
প্রকৃত অর্থেই সেনাপ্রধান তাঁর সেদিনের কথা রেখেছেন। নিজের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে বার বার তিনি এটি প্রমাণ করেছেন। জনগণের আত্মার স্পন্দন ছোঁয়া তাঁর ওইদিনের এমন দৃঢ়চেতা বক্তব্য নিজের বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের আত্মা ও শরীরে প্রজ্জ্বলিত হয় গভীরভাবে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে সেদিনের বৈঠকটি শেষ হলেও দেশপ্রেমিক ও পেশাদার সেনাবাহিনী সংক্রান্ত মিথ্যাচারের বেসাতি নির্ভর এ ধরনের সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জনগণের নিকট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে করছে আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। তাঁরা ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটিকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয় সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য আইএসপিআর এর সাথে যোগাযোগ করাই সমীচীন।’

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এদেশের সম্পদ। দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সাংবিধানিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ গঠন এবং দেশের প্রতিটি দুর্যোগ মোকাবিলায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশ অকুতোভয় সেনানীরা দেশ গঠনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিজেদের আন্তরিকতা, কতর্ব্যনিষ্ঠা, দক্ষতা এবং সর্বোপরি নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাপী সুখ্যাতি ও প্রভূত সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের চলমান সঙ্কটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণেও প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে চলেছে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুধু কথায় নয় কাজের মধ্যে দিয়ে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রমাণ করেছে জাতীয় যেকোন প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকারে প্রস্তুত। তাঁরা জনগণের সেনাবাহিনী হিসেবেই দেশের জনগণের পাশে আছে। একই সঙ্গে দেশের অগ্রগতির ধারাকে অব্যাহত রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সব রকম সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।

সেদিনের বৈঠকের আদ্যোপান্ত
চলতি বছরের গত শনিবার (০৩ আগস্ট) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ গ্রহণ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সেদিন অনির্বাণ এক শিখার মতো অফুরন্ত শক্তি ও সাহসের বর্ণময় মন্ত্র গেঁথে দেন উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের হৃদয়-মস্তিষ্কে। সেনাপ্রধানের কার্যকর এ দিকনির্দেশনায় অশান্বিত হন বাহিনীটির সবাই।

নিজেদের প্রবল সাহস, সততা ও আত্মপ্রত্যয়ের মধ্যদিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেদীপ্যমান করেন দেশের প্রতি দায়িত্ববোধকে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের জনগণের আস্থার প্রতীক।’ তিনি যেকোন পরিস্থিতিতে জনগণের জান-মাল ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন। তাঁর ঐতিহাসিক এসব দিকনির্দেশনা প্রকারান্তরে নিজেদের বিবেক, মূল্যবোধ, রুচিবোধ ও দেশপ্রেমের গভীর দর্শনের বহি:প্রকাশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ওইদিন আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এদিন তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে সকল সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় সেনাসদরের উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাসহ সকল সেনানিবাস থেকে ফরমেশন কমান্ডাররাসহ সকল পদবির সেনাকর্মকর্তারা ভিডিও টেলিকনফারেন্স (ভিটিসি) এর মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, আপনারা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দ্বারা পক্ষপাতদুষ্ট হবেন না এবং অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনারা যা দেখছেন তা সত্য নাও হতে পারে। গুজব এড়িয়ে চলুন। দেশে এখন একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যা স্বাভাবিক করার দায়িত্বে সেনাবাহিনীকে সারাদেশে নিয়োজিত করা হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনাদের কারো মনে কোনো প্রশ্ন জন্ম নিলে সরাসরি আমাকে জিজ্ঞেস করবেন এবং কখনোই গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।’

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ আইএসপিআর’র
গত সোমবার (১৯ আগস্ট) বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্তৃক ‘সেদিন বৈঠকে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন সেনাপ্রধান’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। প্রতিবেদনে শুধুমাত্র ভারতীয় পত্রিকা ‘দ্যা উইক’ এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয় সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য আইএসপিআর এর সাথে যোগাযোগ করাই সমীচীন।

প্রকৃতপক্ষে, উক্ত বৈঠকটি ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়মিত একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক, যা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সুষ্ঠুভাবে এর সমাপ্তি ঘটে। দেশপ্রেমী ও পেশাদার সেনাবাহিনী সংক্রান্ত এ ধরনের সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জনগণের নিকট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় গণমাধ্যমের নিকট থেকে দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের প্রত্যাশা করে। সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য চেইন অব কমান্ড এর প্রতি দৃঢ় আনুগত্য এবং বিশ্বস্ততা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করে, যার প্রতিফলন তারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ প্রমাণ করেছে এবং করছে। ভবিষ্যতে গণমাধ্যম কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্যের প্রতিফলন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আশা করে।

আইএসপিআর আরও জানায়, শুধুমাত্র বহির্দেশের কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত অপপ্রচারের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করা এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে গুজব ছড়াতে সাহায্য না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। বস্তুনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংবাদ মাধ্যমসমূহকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকর।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি

ঢাকা নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) পরিচালনা করছে সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস)। এই ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীর বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের মৌলিক তথ্য নিবন্ধন, সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।

নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারে ডিএমপি ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর রমনা থানা থেকে সফ্‌টওয়্যারভিত্তিক সিআইএমএস কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে। ২০১৭ সালে এটি রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারিত হয় এবং ২০১৯ সালে নাগরিকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে চালু করা হয় সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ।

বর্তমানে সিআইএমএস ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে; যেখানে ৫০ লাখেরও বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এই কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে বসবাসরত সব নাগরিকের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন সিআইএমএস-এ নিবন্ধন করবেন?

সিআইএমএস’র মাধ্যমে নাগরিকদের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ করা হয়; যা বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে। একইসঙ্গে অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি শনাক্তকরণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার সহজ হয়।

নিবন্ধন করবেন যেভাবে

ঢাকা মহানগরের প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে সিআইএমএস নিবন্ধন ফরম পাওয়া যায়। নাগরিকরা ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে পারবেন। ফরম জমা দেওয়ার আগে নিজের কাছে একটি ফটোকপি সংরক্ষণ রাখা উত্তম।

ডিএমপির প্রতিটি থানা একাধিক বিটে বিভক্ত এবং প্রতিটি বিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার রয়েছেন। প্রয়োজনে নাগরিকরা সরাসরি বিট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশি সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন ঠিকানার সংশ্লিষ্ট থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের জন্য সুবিধা

সিআইএমএস-এ নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন, ফলে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ কমে যায় এবং বাড়িওয়ালাও অযথা হয়রানির ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকেন।

অন্যদিকে, ভাড়াটিয়ারা সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান, প্রয়োজনে দ্রুত আইনগত সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন এবং পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও সুবিধা লাভ করেন।

অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা

সিআইএমএস ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজন ব্যক্তির তথ্য যাচাই এবং অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। একইসঙ্গে বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডিএমপির আহ্বান

নিরাপদ, স্মার্ট ও অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়ে তুলতে রাজধানীর সব বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যকে সিআইএমএস-এ নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

আজ এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৯ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৩০ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
আজ এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৯ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৩০ জন

সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পর্যায়ের ১৪তম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুই শিফটের (সকাল ও বিকেল) পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ৪৩৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। একই দিনে পরীক্ষা চলাকালে নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বিভিন্ন বোর্ডের অধীনে মোট ৩০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শক বহিষ্কৃত হননি।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, সকাল ও বিকেলের সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী ১১টি শিক্ষাবোর্ডের (৯টি সাধারণ, ১টি মাদ্রাসা ও ১টি কারিগরি) অধীনে মোট ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯ লাখ ৮৭৫ জন। সার্বিকভাবে অনুপস্থিতির গড় হার ছিল ২.৭৪ শতাংশ।

সকালের শিফটে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (কোড-২৬৯), জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (কোড-১৭৮) এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র (কোড-২৭৭) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকালের শিফটে সাধারণ বোর্ডগুলোতে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হন।

একই সময়ে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ইসলামের ইতিহাস (কোড-২০৯), পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (কোড-২২৫) ও তাজবিদ দ্বিতীয় পত্র (কোড-২৩৩) বিষয়ের পরীক্ষায় ৮৩ হাজার ৮৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৮ হাজার ১২১ জন অংশ নেয়। এই বোর্ডে ৫ হাজার ৭৫০ জন অনুপস্থিত ছিল। নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এই বোর্ডে বহিষ্কার করা হয়েছে ১১ জন পরীক্ষার্থীকে।

এছাড়া, কারিগরি বোর্ডের অধীনে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-২ বিষয়ের পরীক্ষায় ৪৩ হাজার ৫১২ জনের মধ্যে ৪১ হাজার ৮২৯ জন অংশ নেয় এবং ১ হাজার ৬৮৩ জন অনুপস্থিত ছিল। তবে এই বোর্ডে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

অন্যদিকে, বিকালের শিফটে খাদ্য ও পুষ্টি ১ম পত্র (কোড-২৭৯) বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং ৩ জন অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিত ৩ জন পরীক্ষার্থীই ঢাকা বোর্ডের অধীনে ছিলেন। এই শিফটে ঢাকা বোর্ড ছাড়াও রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বোর্ডের তথ্য সমন্বিত হয়। তবে কুমিল্লা, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বিকেলে কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের বৈঠক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতারা।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডও যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে সাধারণ মানুষ সরকারের ভালো উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানতে পারে। এছাড়া তিনি স্বাধীন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য যে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, সে বিষয়ে সম্পাদকদের সহযোগিতাও কামনা করেন।

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও যায়যায়দিন-এর সম্পাদক শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, দৈনিক নয়া দিগন্ত-এর সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, যুগান্তর-এর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ওয়াদা-এর সম্পাদক শফিকুল আলম এবং মানবকণ্ঠ-এর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।

কালের আলো/এসএকে