খুঁজুন
                               
, ,
           

ঘরে বসেই মিলবে পেনশন সংক্রান্ত সেবা, ওয়েবপোর্টাল ‘পেনশনার সল্যুশন’ সাশ্রয় করবে অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনাদের শ্রম ও সময়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
ঘরে বসেই মিলবে পেনশন সংক্রান্ত সেবা, ওয়েবপোর্টাল ‘পেনশনার সল্যুশন’ সাশ্রয় করবে অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনাদের শ্রম ও সময়

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় মানব জীবন দিনকে দিন অধিক প্রযুক্তি নির্ভর ও সহজতর হচ্ছে। সেই পথেই হাঁটছে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষার কাণ্ডারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। বাহিনীটির অগ্রগতি ও প্রযুক্তিগত উন্নতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পেনশন সংক্রান্ত সকল সেবাই মিলবে অনলাইনের মাধ্যমে। এজন্যই প্রবর্তন করা হয়েছে ‘পেনশনার সল্যুশন’ নামে একটি ওয়েব পোর্টাল। এর মাধ্যমে বাহিনীটির অগ্রযাত্রায় যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা।

তথ্যপ্রযুক্তির ক্রমবিকাশের এই সাফল্যের দৌলতে পেনশন নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের আর হন্তদন্ত হয়ে ছুটোছুটির প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই এই ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং যাবতীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন তাঁরা। এতে সাশ্রয় হবে শ্রম, সময় ও অর্থ।

মঙ্গলবার (২০ মে) ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর রেকর্ড অফিসে ‘পেনশনার সল্যুশন’ ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন করে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, ‘আজ বিমান বাহিনীর রেকর্ড অফিস কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের মাঝে পেনশন সংক্রান্ত সেবা দ্রুত, সহজ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ওয়েব পোর্টাল ‘পেনশনার সল্যুশন’ সংযুক্ত করা হলো। যার মাধ্যমে ঘরে বসেই পেনশনের ফাইলের বর্তমান অবস্থা ও সর্বশেষ পরিস্থিতি কী সেটি অবগত হওয়া যাবে।’

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিমানবাহিনীর অগ্রগতি ও প্রযুক্তিগত উন্নতির সাথে তাল মিলিয়ে বিমানবাহিনী রেকর্ড অফিস বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের পেনশন পরবর্তী সেবাসমূহ তাদের হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ নিজস্ব জনবলের মাধ্যমে ‘পেনশনার সল্যুশন’ নামে একটি ওয়েব পোর্টাল প্রবর্তন করেছে। অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের প্রদত্ত সেবাসমূহ আরো সহজ ও দ্রুত সম্পাদন করাই এই ওয়েব পোর্টালের উদ্দেশ্য।

আইএসপিআর আরও জানায়, ওয়েব পোর্টালটিতে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে লগইন করে অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যরা দেশে অথবা বিদেশে যেকোন স্থান থেকে সশরীরে হাজির না হয়েও পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং যাবতীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। অনলাইনে উল্লেখিত সেবা প্রদানের পাশাপাশি এই ওয়েব পোর্টাল লিখিত এবং ভয়েস মেসেজ গ্রহণ ও প্রদানের মাধ্যমে লাইভ সেবা প্রদানের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া ওয়েব পোর্টালটির যথাযথ ব্যবহার সময়, শ্রম এবং অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিমানবাহিনীর সকল সদস্যের পেনশনসহ অন্যান্য কার্যসম্পাদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, আমন্ত্রিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চাকুরিরত, অবসরপ্রাপ্ত বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি