খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কার মাথাব্যাথার কারণ বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম?

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
কার মাথাব্যাথার কারণ বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম?

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

অক্টোবরকে ডেডলাইন ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকের মুখে মুখে ঘুরছে বর্তমান পরিচালক মাহবুব আনামের নাম। বিসিবির সভাপতি পদে টিকতে না পারা ফারুক আহমেদও লড়বেন এই পদটিতে। পদ হারানোর আগে থেকে এখন অবধি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মাহবুব আনামকেই দোষারোপ করেছেন তিনি। বিরক্ত মাহবুব আনাম একবার প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক বিসিবি বস’র মানসিক সুস্থতা নিয়ে।

বিসিবি সভাপতি পদে তিনি ভোট করবেন এমন কথা কখনও বলেননি ৭০ দশকের মাঝামাঝি থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত খেলা মাহবুব আনাম। বোর্ড ব্যবস্থাপনায়ও দীর্ঘ দিন ধরে তিনি জড়িত। দক্ষ ও কৌশলী এই সংগঠক প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় যাবত রয়েছেন বিসিবির দায়িত্বে। তাকেই এখন বিসিবি নির্বাচনে ‘বড় ফ্যাক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে কারও কারও মাথাব্যাথার কারণও হয়ে উঠেছেন তিনি।

জানা যায়, মাহবুবু আনাম ও তাঁর স্ত্রী জাকিয়া আনাম ২০১৬ সালের মে মাসে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র এনটিগুয়া এন্ড বারবুডার নাগরিকত্ব পান। তারা নিজেরাই ওই বছরই বাংলাদেশ সরকারকে এই বিষয়টি ডিক্লেয়ার করেন। বৈধভাবেই তারা বিদেশে পাসপোর্ট নিয়েছেন। কিন্তু পুরনো স্বীকৃত একটি বিষয়কে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নতুন করে সামনে এনে জলঘোলা করার তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা অভিযোগ করেছেন। তাদের মতে, তৎপরতায় সম্পৃক্ত অনেকেই সম্ভবত ভুলে গেছেন ২০২২ সালের আগে বাংলাদেশের একজন নাগরিকের বিদেশি আয় ডিক্লেয়ার করার কোন আইন ছিল না।

একই সূত্র জানায়, ১৯৯০ সাল থেকে জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি এক্সপো লংকা পরিচালনা করেন মাহবুব আনাম। এটি চেইন বিজনেস হওয়ায় তিনি বৈধভাবে ফরেন রেমিট্যান্স আয় করেন। তিনি কনসালটেন্সী করেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসা করেন। তাঁর ডিভিডেন্ড কমিশন ছিল। তাঁর ছেলেও বিদেশে চাকরি করেন। তিনি বৈধভাবেই বিদেশে টাকা পাঠিয়েছেন। এখানে মানি লন্ডারিং’র বিষয়টি অবান্তর। এছাড়া তিনি আগেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ভিসা নট রিকোয়ার্ড নিয়েছেন।

সূত্র মতে, বিসিবি নির্বাচনে এখনও প্রার্থীতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা দেননি মাহবুব আনাম। কিন্তু তার আগেই তাকে নিয়ে খিস্তিখেউড় শুরু হয়েছে। নিজেদের স্বার্থহানির শঙ্কায় অনেকেই তাকে সরাসরি প্রতিপক্ষ মনে করছেন। ৯ বছর আগের মীমাংসিত বিষয়, যা তিনি নিজেই সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন সেই ইস্যুতে কূটকৌশল থিওরির মাধ্যমে তাকে ভোট থেকে দূরে রাখার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে কীনা এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ এই সংগঠককে পদ থেকে ছিটকে পড়া স্বেচ্ছাচারীরা কেন পর্দার অন্তরাল থেকে কলকাঠি নাড়ছেন সেটিও পরিস্কার সবার কাছেই।

কালের আলো/এমএসএএকে/এসআইপি

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি