খুঁজুন
                               
, ,
           

কার মাথাব্যাথার কারণ বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম?

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
কার মাথাব্যাথার কারণ বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম?

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

অক্টোবরকে ডেডলাইন ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকের মুখে মুখে ঘুরছে বর্তমান পরিচালক মাহবুব আনামের নাম। বিসিবির সভাপতি পদে টিকতে না পারা ফারুক আহমেদও লড়বেন এই পদটিতে। পদ হারানোর আগে থেকে এখন অবধি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মাহবুব আনামকেই দোষারোপ করেছেন তিনি। বিরক্ত মাহবুব আনাম একবার প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক বিসিবি বস’র মানসিক সুস্থতা নিয়ে।

বিসিবি সভাপতি পদে তিনি ভোট করবেন এমন কথা কখনও বলেননি ৭০ দশকের মাঝামাঝি থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত খেলা মাহবুব আনাম। বোর্ড ব্যবস্থাপনায়ও দীর্ঘ দিন ধরে তিনি জড়িত। দক্ষ ও কৌশলী এই সংগঠক প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় যাবত রয়েছেন বিসিবির দায়িত্বে। তাকেই এখন বিসিবি নির্বাচনে ‘বড় ফ্যাক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে কারও কারও মাথাব্যাথার কারণও হয়ে উঠেছেন তিনি।

জানা যায়, মাহবুবু আনাম ও তাঁর স্ত্রী জাকিয়া আনাম ২০১৬ সালের মে মাসে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র এনটিগুয়া এন্ড বারবুডার নাগরিকত্ব পান। তারা নিজেরাই ওই বছরই বাংলাদেশ সরকারকে এই বিষয়টি ডিক্লেয়ার করেন। বৈধভাবেই তারা বিদেশে পাসপোর্ট নিয়েছেন। কিন্তু পুরনো স্বীকৃত একটি বিষয়কে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নতুন করে সামনে এনে জলঘোলা করার তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা অভিযোগ করেছেন। তাদের মতে, তৎপরতায় সম্পৃক্ত অনেকেই সম্ভবত ভুলে গেছেন ২০২২ সালের আগে বাংলাদেশের একজন নাগরিকের বিদেশি আয় ডিক্লেয়ার করার কোন আইন ছিল না।

একই সূত্র জানায়, ১৯৯০ সাল থেকে জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি এক্সপো লংকা পরিচালনা করেন মাহবুব আনাম। এটি চেইন বিজনেস হওয়ায় তিনি বৈধভাবে ফরেন রেমিট্যান্স আয় করেন। তিনি কনসালটেন্সী করেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসা করেন। তাঁর ডিভিডেন্ড কমিশন ছিল। তাঁর ছেলেও বিদেশে চাকরি করেন। তিনি বৈধভাবেই বিদেশে টাকা পাঠিয়েছেন। এখানে মানি লন্ডারিং’র বিষয়টি অবান্তর। এছাড়া তিনি আগেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ভিসা নট রিকোয়ার্ড নিয়েছেন।

সূত্র মতে, বিসিবি নির্বাচনে এখনও প্রার্থীতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা দেননি মাহবুব আনাম। কিন্তু তার আগেই তাকে নিয়ে খিস্তিখেউড় শুরু হয়েছে। নিজেদের স্বার্থহানির শঙ্কায় অনেকেই তাকে সরাসরি প্রতিপক্ষ মনে করছেন। ৯ বছর আগের মীমাংসিত বিষয়, যা তিনি নিজেই সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন সেই ইস্যুতে কূটকৌশল থিওরির মাধ্যমে তাকে ভোট থেকে দূরে রাখার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে কীনা এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ এই সংগঠককে পদ থেকে ছিটকে পড়া স্বেচ্ছাচারীরা কেন পর্দার অন্তরাল থেকে কলকাঠি নাড়ছেন সেটিও পরিস্কার সবার কাছেই।

কালের আলো/এমএসএএকে/এসআইপি

বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাস করেন এবং এই প্রকল্পের উদ্বোধন তারই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের চেষ্টা চললেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সারা পৃথিবী এখন এক গভীর জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই সংকট ভবিষ্যতে মানবজাতিকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশও সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাই জলবায়ু পরিবর্তনের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি দেশব্যাপী সবুজায়ন ও বৃক্ষায়ণকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বরিশাল সদর উপজেলার স্বনির্ভর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণ যেমন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো লাগানো গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করা। এ কারণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে গাছের পরিচর্যার একটি কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে জাতি এর সুফল ভোগ করবে।

তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাগানো গাছগুলোকে শিশুর মতো লালন-পালন করতে হবে। প্রশাসন একা সবসময় এটি করতে পারবে না। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে। কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলে এ কাজ সফল হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং বিআইডিসির কর্মকর্তারা গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বৃক্ষায়ণ এখন আমাদের জীবনযাপনের এক অনিবার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না করলে কোনোভাবেই নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান শর্তই হলো স্থিতিশীল পরিবেশ ও নিরাপত্তা। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয়োগে এগোবেন না।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, সিইআইজেডসহ দেশের সবকটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।

উন্নয়নকাজের এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান, চীনা সড়ক এবং সেতু কর্পোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই, চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ইয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামসহ চট্টগ্রামের স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আনোয়ারার এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পুরোপুরি চালু হলে দেশে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে। সেই সঙ্গে স্থানীয় স্তরে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই বিপুল সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ