খুঁজুন
                               
, ,
           

যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় এজাহারনামীয় ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।

চট্টগ্রামের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, কিভাবে পানিতে বিষাক্ত কিছু মেশানো হলো তা তদন্ত করতে গিয়ে সাপ্লাই লাইন কেটে প্লাষ্টিক দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখা গেছে। ওখানে পানির দুটি লাইন দুইদিকে গেছে।

একটি স্থানীয় স্কুলের দিকে অন্যটি যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের দিকে। দুষ্কৃতকারীরা যৌথবাহিনীর সাপ্লাই লাইনের চাবি বন্ধ করে সেটি কেটে পাইপের ভেতরে বিষাক্ত কেমিক্যাল ঢুকিয়ে দিয়ে পুনরায় লাইনটি প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এখানে যৌথবাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা চায় না। তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে।

ক্যাম্পে হামলা করেছে, নানান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সবশেষে পানিতে বিষ মিশিয়েছে। এ ঘটনায় বাহিনীর ৩-৪ জন সদস্য অসুস্থ হলেও প্রাথমিক চিকিৎসায় এখন সুস্থ আছে। পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে, তবে এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পানি পান করতে গিয়ে দুর্গন্ধ ও পানিতে সাদা ফেনা দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে পানি পান করা থেকে বিরত থাকেন।

পরে পানির সরবরাহ লাইনের ট্যাংক খুলে সেখানেও ফেনা দেখতে পাওয়া যায়। পানির সরবরাহ লাইনের কাছাকাছি এলাকা থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার

দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের কারণে বৃহস্পতিবারের (৩০ জুলাই) দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি। সোমবার (২৭ জুলাই) তারা এ ঘোষণা দেয়।

তবে কমিশন বৃদ্ধির দাবি না মানলে ২৩ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানায় তারা।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধি, স্বয়ংক্রিয় কমিশন সমন্বয়সহ চার দফা দাবি উত্থাপন করেছিল।

এসময় নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকায় স্থির রয়েছে। অথচ গত প্রায় ১১ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম একাধিকবার বেড়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, ব্যাংক গ্যারান্টি কমিশন, ঋণের সুদ, ডলারের বিনিময় হার এবং স্টেশন পরিচালনার অন্যান্য ব্যয় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অধিকাংশ স্টেশন লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে।

সংগঠনটির চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ, ভবিষ্যতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেয়ার প্রথা বাতিল এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমি ইজারাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইসেন্স ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।

কালের আলো/এসএকে

ফেনী সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-চকলেটসহ ৬৮ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

ফেনী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
ফেনী সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-চকলেটসহ ৬৮ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

ফেনী সীমান্তে পৃথক চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, চকলেট ও একটি মিনি ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৮ লাখ ২৫ হাজার ৯৫০ টাকা।

সোমবার (২৭ জুলাই) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের বিশেষ একটি টহল দল জেলার ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।

​বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পার করে আনা ভারতীয় শাড়ি ও চকলেটের একটি বড় চালান দেশের ভেতরে পাচারের উদ্দেশ্যে জমা করা হয়েছিল। পরে বিজিবির বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে চোরাচালানি পণ্য ও পরিবহনে ব্যবহৃত মিনি ট্রাকটি জব্দ করে। জব্দ করা মালামাল পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করার কাজ চলছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও মাদকসহ অন্যান্য চোরাচালান বন্ধে তাদের এ ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম? ক্যারিয়ার ঠিক রাখতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম? ক্যারিয়ার ঠিক রাখতে যা করবেন

সাধারণত খুব ছোট ছোট জিনিস দিয়েই এর শুরু হয়। মিটিংয়ের পর আপনারা একসঙ্গে কফি খেতে যান। লাঞ্চের সময় সে আপনার জন্য একটি সিট ধরে রাখে। চাপের দিনগুলোতে আপনারা একে অপরের ভরসার মানুষ হয়ে ওঠেন। ডেডলাইন, একসঙ্গে করা রসিকতা, এবং এটাসেটা হাজারটা কথার মাঝে কোথাও না কোথাও নীরবে অনুভূতির জন্ম হয়।

কর্মক্ষেত্রের সম্পর্ক মোটেও অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু এটি বাইরের কারো সাথে ডেটিং করার মতো নয়, অফিসের প্রেমের ক্ষেত্রে বাড়তি দর্শক থাকে। আপনার সহকর্মীরা অনেক কিছু খেয়াল করে। অফিসের গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আর যদি সম্পর্ক খারাপও হয়ে যায়, তারপরও প্রতিটি সকালে একে অপরের সঙ্গে দেখা হয়।

এর মানে এই নয় যে আপনার কখনোই কোনো সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো উচিত নয়। এর মানে শুধু এই যে, আপনাকে এ ব্যাপারে আরও বিচক্ষণ হতে হবে। কিছু বিষয়ে খেয়াল করে চললে তা আপনার সম্পর্ক এবং কর্মক্ষেত্রে আপনার সুনাম দুটোই বাঁচাতে পারে।

শুরুতেই পুরো অফিসকে জানাবেন না
আপনার সহকর্মীদের সঙ্গে খবরটি শেয়ার করার লোভ হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি উত্তেজিত থাকেন। তবে এই প্রলোভন থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। অফিসের কথাবার্তা খুব অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সম্পর্কটি যদি নতুন হয়, তবে এটিকে কর্মক্ষেত্রের বাইরে বিকশিত হতে দিন, যাতে তা সবার মধ্যাহ্নভোজের আলোচনার বিষয় হয়ে না ওঠে। আপনার ব্যক্তিগত জীবনে যত কম লোক জড়িত থাকবে, পরবর্তীতে আপনাকে তত কম মতামতের সম্মুখীন হতে হবে।

ঝগড়া অফিসের দরজার বাইরেই রাখুন
আগের রাতে কি কোনো মতবিরোধ হয়েছিল? আপনার সহকর্মীদের তা জানতে দেওয়া উচিত হবে না। মিটিংয়ের সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া, অস্বাভাবিকভাবে শীতল আচরণ করা, বা সহকর্মীদের সামনে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করা- এগুলো সবার জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। কর্মক্ষেত্র এমন একটি জায়গা যেখানে ব্যক্তিগত আবেগকে পেছনে রাখা প্রয়োজন।

সেই জুটি হয়ে উঠবেন না যাদের নিয়ে সবাই কথা বলে
প্রতিটি অফিসেই এমন একজন থাকে। সেই জুটি যারা সবসময় একসঙ্গে বসে থাকে, লম্বা কফি বিরতির জন্য উধাও হয়ে যায়, একে অপরের কথা সম্পূর্ণ করে দেয়, বা প্রতিটি টিম আউটকে ডেটে পরিণত করে। এটা আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হতে পারে, কিন্তু অন্যদের জন্য এটি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আলাদা বন্ধুত্ব বজায় রাখা এবং দলের বাকিদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মেলামেশা করলে তা সবকিছুতে ভারসাম্য রাখবে।

দুজনের মধ্যে একজনের ক্ষমতা বেশি থাকলে অতিরিক্ত সতর্ক হন
যদি দুজনের মধ্যে একজন ছুটির আবেদন অনুমোদন করেন, প্রকল্প বরাদ্দ করেন বা কাজের মূল্যায়ন লেখেন, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। এমনকী কোনো পক্ষপাতিত্ব না থাকলেও অন্যরা তা আছে বলে ধরে নিতে পারে। আপনার কোম্পানিতে সম্পর্ক রিপোর্ট করা বা প্রকাশ করার বিষয়ে যদি কোনো নীতিমালা থাকে, তবে সেগুলো মেনে চলুন। এটি দীর্ঘমেয়াদে আপনাদের দুজনকেই সুরক্ষিত রাখে।

সম্পর্ককে পুরো কর্মদিবসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবেন না
একসঙ্গে কাজ করেন বলেই যে প্রতিটি অবসর মুহূর্ত একসঙ্গে কাটাতে হবে, এমনটা নয়। মাঝে মাঝে ভিন্ন সহকর্মীদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খান। আলাদাভাবে মিটিংয়ে যোগ দিন। একে অপরকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য জায়গা দিন। মজার ব্যাপার হলো, অফিসের সময়ে কিছুটা দূরত্ব কাজের বাইরে সম্পর্ককে আরও স্বাস্থ্যকর করে তোলে। মেসেজ পাঠানোর আগে ভাবুন। ভুলবশত অফিসের গ্রুপ চ্যাটে একটি ফ্লার্টিং মেসেজ চলে যাওয়া মানে এক নিমিষেই আপনার ক্যারিয়ারে বড় দাগ পড়ে যাওয়া হতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ