খুঁজুন
                               
, ,
           

মাত্র ৮ মিনিটে ডুবল জাহাজ, নিখোঁজ বাংলাদেশিসহ ২২ নাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
মাত্র ৮ মিনিটে ডুবল জাহাজ, নিখোঁজ বাংলাদেশিসহ ২২ নাবিক

ভারতের ওডিশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিন দিন পরও নিখোঁজ রয়েছেন ২২ নাবিক। নিখোঁজদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে ভারতীয় কোস্টগার্ডের পাশাপাশি চীনের মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ সেন্টারও অভিযান চালাচ্ছে।

পানামার পতাকাবাহী এমভি ওশান উইনার নামের জাহাজটিতে মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের কাছ থেকে একটি লাইফবোট ও জরুরি বিপদসংকেত পাঠানোর যন্ত্র (ইপিআইআরবি) উদ্ধার করে। তবে লাইফবোটে কোনো নাবিককে পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে জাহাজ ও বিমান দিয়ে বিস্তৃত এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। চীনও দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ পাঠিয়ে উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করছে।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটির ২৪ নাবিকের মধ্যে ২০ জন চীনা, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক। জাহাজটি ওডিশার পারাদ্বীপ উপকূল থেকে প্রায় ৪২৫ কিলোমিটার দূরে ডুবে যায়। প্রথমে একদিকে কাত হয়ে পড়ার পর মাত্র আট মিনিটের মধ্যেই জাহাজটি সাগরে তলিয়ে যায়।

জাহাজটিতে ৭২ হাজার টনের বেশি লৌহ আকরিক ছিল। ওডিশা থেকে এসব আকরিক চীনে নেওয়া হচ্ছিল। নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলেই সব সময় সম্পর্ক সুন্দর থাকে না। অনেক সময় অজান্তে করা কিছু আচরণ সঙ্গীর মনে কষ্ট, অভিমান বা দূরত্ব তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে একই ধরনের আচরণ বারবার ঘটলে ভালোবাসার জায়গায় বিরক্তি ও হতাশা তৈরি হতে পারে।

তাই সঙ্গীকে ভালোবাসলেও নিজের কিছু অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য সব সময় বড় কোনো ঘটনা প্রয়োজন হয় না; ছোট ছোট অবহেলাও ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

সঙ্গীর কথা মন দিয়ে না শোনা

সঙ্গী কোনো কথা বলার সময় মোবাইল দেখা, টেলিভিশন চালু রাখা কিংবা কথার মাঝখানে বাধা দেওয়া তাঁকে মনে করাতে পারে যে তাঁর কথা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব সমস্যার সমাধান দিতে হবে এমন নয়, অনেক সময় মন দিয়ে শোনাটাই সঙ্গীর জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে।

সবকিছুতেই সমালোচনা করা

সঙ্গীর কাজ, পোশাক, সিদ্ধান্ত বা ব্যক্তিত্ব নিয়ে নিয়মিত নেতিবাচক মন্তব্য করলে আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়তে পারে। গঠনমূলক পরামর্শ আর প্রতিটি বিষয়ে খুঁত ধরা এক বিষয় নয়। সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীর ভালো কাজগুলোর প্রশংসাও করা প্রয়োজন।

অন্যের সঙ্গে তুলনা করা

‘অমুকের স্বামী এমন’, ‘অমুকের স্ত্রী এত ভালো’—এ ধরনের তুলনা সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতি আলাদা। তাই অন্য কারও সঙ্গে তুলনা না করে নিজেদের সম্পর্কের সমস্যাগুলো নিয়েই কথা বলা ভালো।

অভিমান জমিয়ে রাখা

কোনো বিষয়ে কষ্ট পেলে কথা না বলে দিনের পর দিন অভিমান করে থাকা সমস্যার সমাধান করে না। বরং এতে ভুল বোঝাবুঝি বাড়তে পারে। তাই উত্তেজনার সময় নয়, পরিস্থিতি শান্ত হলে নিজের কষ্টের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সঙ্গীকে জানানো ভালো।

ব্যক্তিগত সময় ও স্পেস না দেওয়া

ভালোবাসার অর্থ সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকা নয়। প্রত্যেক মানুষেরই কিছু ব্যক্তিগত সময়, বন্ধু বা নিজস্ব আগ্রহ থাকতে পারে। সঙ্গীর ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান না করলে সম্পর্কের মধ্যে চাপ তৈরি হতে পারে।

সব সিদ্ধান্ত একা নেওয়া

দাম্পত্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঙ্গীর মতামতকে গুরুত্ব না দিলে তাঁর মনে অবহেলার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। কোথায় ঘুরতে যাবেন থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত—গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া পারস্পরিক সম্মান বাড়ায়।

রাগের সময় আঘাত করে কথা বলা

রাগের মুহূর্তে বলা কিছু কথা পরে ভুলে গেলেও সঙ্গীর মনে দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে। অপমান, গালাগাল বা পুরোনো ভুল টেনে এনে আক্রমণ করা সমস্যাকে আরও জটিল করে। তাই উত্তেজনা বেশি হলে কিছু সময় বিরতি নিয়ে পরে আলোচনা করা ভালো।

শুধু সমস্যার সময় কথা বলা

অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে দৈনন্দিন কথাবার্তা ধীরে ধীরে শুধু সংসারের কাজ, সন্তান, টাকা-পয়সা বা সমস্যা নিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। অথচ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে একসঙ্গে হাসা, গল্প করা, দিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং পরস্পরের খোঁজ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

সঙ্গীর অনুভূতিকে ছোট করে দেখা

‘এটা নিয়ে এত কষ্ট পাওয়ার কী আছে?’ বা ‘তুমি বেশি ভাবছ’—এ ধরনের কথা সঙ্গীর অনুভূতিকে অস্বীকার করতে পারে। কোনো বিষয় আপনার কাছে ছোট মনে হলেও সেটি সঙ্গীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাঁর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করাই সম্পর্কের জন্য বেশি ইতিবাচক।

ভালোবাসা প্রকাশ করতে ভুলে যাওয়া

সম্পর্ক দীর্ঘ হলে অনেকেই ধরে নেন, সঙ্গী এমনিতেই জানেন যে তিনি ভালোবাসেন। কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। একটি প্রশংসা, ধন্যবাদ, খোঁজ নেওয়া কিংবা ছোট্ট একটি যত্নের আচরণও সম্পর্ককে উষ্ণ রাখতে পারে।

সম্পর্কে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হলো ভুল বুঝতে পারার পর তা নিয়ে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে নিজের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করা। পারস্পরিক সম্মান, যোগাযোগ, বিশ্বাস ও যত্ন—এই বিষয়গুলোই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কালের আলো/এসএ

বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বলিউডে ফুল অউর কাঁটে সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণ ও মাধুর অভিষেক ঘটানো পরিচালক কুকু কোহলি মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কুকু কোহলির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। প্রিয় বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তিনি।

কুকু কোহলির মৃত্যুর বিষয়ে অশোক পণ্ডিত বলেন, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। কারণ কুকু কোহলি ছিলেন তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি জানান, কুকু কোহলি হৃদ্‌রোগে মারা যাবেন—এমনটা কখনো ভাবেননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কুকু কোহলি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন এবং খাবারের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।

অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, কুকু কোহলি সব সময় হাসিখুশি ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ ছিলেন। তাঁকে কখনো বিষণ্ন অবস্থায় দেখেননি। কুকু কোহলির ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দিকটিই তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি কুকু কোহলির সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, ‘ফুল অউর কাঁটে’ সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণকে বলিউডে নিয়ে আসেন কুকু কোহলি। এর আগে দীর্ঘ সময় তিনি কিংবদন্তি নির্মাতা রাজ কাপুরের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

বন্ধুর মৃত্যুতে নিজের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথাও জানান অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, কুকু কোহলির মৃত্যুতে তিনি একজন খুব কাছের বন্ধুকে হারিয়েছেন।

১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফুল অউর কাঁটে’ কুকু কোহলির ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সিনেমা। এই সিনেমার মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক হয় অজয় দেবগণ ও অভিনেত্রী মাধুর। সিনেমাটি মুক্তির পর অজয় দেবগণ দ্রুত দর্শকদের নজর কাড়েন।

পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলির উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সুহাগ’ (১৯৯৪), ‘হকীকত’ (১৯৯৫), ‘আনাড়ি নং ১’ (১৯৯৯), ‘জুলমি’ (১৯৯৯) ও ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ (২০০২)। তাঁর পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা ‘ওহ তেরা নাম থা’ মুক্তি পায় ২০২৪ সালে।

কুকু কোহলির মৃত্যুতে বলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবন এবং অজয় দেবগণের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তাঁকে স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএ

‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’-এর তৃতীয় সিজন নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। নিজের জন্মদিনে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে নতুন সিজনের চিত্রনাট্য শেষ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এতে ‘মহানগর ৩’ নিয়ে দর্শকদের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয়তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ‘মহানগর’ প্রথম মুক্তি পায় ২০২১ সালে। দুই বছর পর ২০২৩ সালে দর্শকদের সামনে আসে দ্বিতীয় সিজন। গল্প, চিত্রনাট্য ও অভিনয়ের কারণে সিরিজটি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।

দ্বিতীয় সিজনের শেষেই তৃতীয় কিস্তি আসার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও ‘মহানগর ৩’ নিয়ে নির্মাতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশফাক নিপুণের যেকোনো পোস্টে দর্শকদের একটি বড় অংশ তৃতীয় সিজন নিয়ে জানতে চাইতেন।

এর মধ্যে একবার সিরিজটির কাজ শুরুর খবরও সামনে এসেছিল। পরে জানা যায়, বাজেট সংকটের কারণে হইচই বাংলাদেশ তখন ‘মহানগর ৩’ নির্মাণ করতে পারছে না।

তবে এবার খোদ নির্মাতার ইঙ্গিতে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন দর্শকেরা। বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আশফাক নিপুণ। ভিডিওর একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘যাই হোক, এখন স্ক্রিপ্টটা শেষ করে আসি। সময় হাতে বেশি নেই।’

কোন চিত্রনাট্যের কথা বলছেন, সেটিও খুব বেশি গোপন রাখেননি নির্মাতা। ভিডিওতে তিনি নিজের কণ্ঠে ‘মহানগর’-এর পরিচিত ইন্ট্রো মিউজিক গেয়ে শোনান। এতেই দর্শকদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, বহুল প্রতীক্ষিত ‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য নিয়েই কাজ করছেন তিনি।

পরে তাঁর পোস্টের মন্তব্যে এক ভক্ত সরাসরি জানতে চান, ‘তাহলে কি মহানগর ৩ ভায়া?’ জবাবে আশফাক নিপুণ লেখেন, ‘ইয়েস’। নির্মাতার এই সংক্ষিপ্ত উত্তরেই সিরিজটির তৃতীয় সিজন নিয়ে নতুন করে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে।

তবে ‘মহানগর ৩’-এর শুটিং কবে শুরু হবে কিংবা সিরিজটি কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।

সিরিজটির প্রথম দুই সিজনে পুলিশ কর্মকর্তা ওসি হারুন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মোশাররফ করিম। তৃতীয় সিজনেও তাঁকে একই চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নতুন সিজনে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে বিশেষ চমক হিসেবে দেখা যেতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ