খুঁজুন
                               
, ,
           

সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলেই সব সময় সম্পর্ক সুন্দর থাকে না। অনেক সময় অজান্তে করা কিছু আচরণ সঙ্গীর মনে কষ্ট, অভিমান বা দূরত্ব তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে একই ধরনের আচরণ বারবার ঘটলে ভালোবাসার জায়গায় বিরক্তি ও হতাশা তৈরি হতে পারে।

তাই সঙ্গীকে ভালোবাসলেও নিজের কিছু অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য সব সময় বড় কোনো ঘটনা প্রয়োজন হয় না; ছোট ছোট অবহেলাও ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

সঙ্গীর কথা মন দিয়ে না শোনা

সঙ্গী কোনো কথা বলার সময় মোবাইল দেখা, টেলিভিশন চালু রাখা কিংবা কথার মাঝখানে বাধা দেওয়া তাঁকে মনে করাতে পারে যে তাঁর কথা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব সমস্যার সমাধান দিতে হবে এমন নয়, অনেক সময় মন দিয়ে শোনাটাই সঙ্গীর জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে।

সবকিছুতেই সমালোচনা করা

সঙ্গীর কাজ, পোশাক, সিদ্ধান্ত বা ব্যক্তিত্ব নিয়ে নিয়মিত নেতিবাচক মন্তব্য করলে আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়তে পারে। গঠনমূলক পরামর্শ আর প্রতিটি বিষয়ে খুঁত ধরা এক বিষয় নয়। সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীর ভালো কাজগুলোর প্রশংসাও করা প্রয়োজন।

অন্যের সঙ্গে তুলনা করা

‘অমুকের স্বামী এমন’, ‘অমুকের স্ত্রী এত ভালো’—এ ধরনের তুলনা সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতি আলাদা। তাই অন্য কারও সঙ্গে তুলনা না করে নিজেদের সম্পর্কের সমস্যাগুলো নিয়েই কথা বলা ভালো।

অভিমান জমিয়ে রাখা

কোনো বিষয়ে কষ্ট পেলে কথা না বলে দিনের পর দিন অভিমান করে থাকা সমস্যার সমাধান করে না। বরং এতে ভুল বোঝাবুঝি বাড়তে পারে। তাই উত্তেজনার সময় নয়, পরিস্থিতি শান্ত হলে নিজের কষ্টের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সঙ্গীকে জানানো ভালো।

ব্যক্তিগত সময় ও স্পেস না দেওয়া

ভালোবাসার অর্থ সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকা নয়। প্রত্যেক মানুষেরই কিছু ব্যক্তিগত সময়, বন্ধু বা নিজস্ব আগ্রহ থাকতে পারে। সঙ্গীর ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান না করলে সম্পর্কের মধ্যে চাপ তৈরি হতে পারে।

সব সিদ্ধান্ত একা নেওয়া

দাম্পত্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঙ্গীর মতামতকে গুরুত্ব না দিলে তাঁর মনে অবহেলার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। কোথায় ঘুরতে যাবেন থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত—গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া পারস্পরিক সম্মান বাড়ায়।

রাগের সময় আঘাত করে কথা বলা

রাগের মুহূর্তে বলা কিছু কথা পরে ভুলে গেলেও সঙ্গীর মনে দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে। অপমান, গালাগাল বা পুরোনো ভুল টেনে এনে আক্রমণ করা সমস্যাকে আরও জটিল করে। তাই উত্তেজনা বেশি হলে কিছু সময় বিরতি নিয়ে পরে আলোচনা করা ভালো।

শুধু সমস্যার সময় কথা বলা

অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে দৈনন্দিন কথাবার্তা ধীরে ধীরে শুধু সংসারের কাজ, সন্তান, টাকা-পয়সা বা সমস্যা নিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। অথচ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে একসঙ্গে হাসা, গল্প করা, দিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং পরস্পরের খোঁজ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

সঙ্গীর অনুভূতিকে ছোট করে দেখা

‘এটা নিয়ে এত কষ্ট পাওয়ার কী আছে?’ বা ‘তুমি বেশি ভাবছ’—এ ধরনের কথা সঙ্গীর অনুভূতিকে অস্বীকার করতে পারে। কোনো বিষয় আপনার কাছে ছোট মনে হলেও সেটি সঙ্গীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাঁর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করাই সম্পর্কের জন্য বেশি ইতিবাচক।

ভালোবাসা প্রকাশ করতে ভুলে যাওয়া

সম্পর্ক দীর্ঘ হলে অনেকেই ধরে নেন, সঙ্গী এমনিতেই জানেন যে তিনি ভালোবাসেন। কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। একটি প্রশংসা, ধন্যবাদ, খোঁজ নেওয়া কিংবা ছোট্ট একটি যত্নের আচরণও সম্পর্ককে উষ্ণ রাখতে পারে।

সম্পর্কে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হলো ভুল বুঝতে পারার পর তা নিয়ে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে নিজের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করা। পারস্পরিক সম্মান, যোগাযোগ, বিশ্বাস ও যত্ন—এই বিষয়গুলোই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কালের আলো/এসএ

কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কারখানার ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি কাবার ভেতর থেকে পাঁচজনের ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে পড়ে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুলাল নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, একটি কভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়।

নতুন দামে ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত এ দাম সমন্বয় করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

অটোরিকশা উচ্ছেদ নয়, নিবন্ধন ও ফিটনেসের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
অটোরিকশা উচ্ছেদ নয়, নিবন্ধন ও ফিটনেসের আওতায় আনার দাবি

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্পূর্ণ বন্ধ বা উচ্ছেদ না করে আধুনিকায়ন, নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, চালকদের প্রশিক্ষণ ও বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় এনে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে ঢাকা মহানগর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সামাদ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি এস এম আবু বকর বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ বা উচ্ছেদের পরিবর্তে আধুনিকায়ন, নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, চালকদের প্রশিক্ষণ, বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, নির্ধারিত রুট ও সড়ক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে একদিকে যাত্রী ও অন্যান্য সড়ক ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে এ খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত চালক, মালিক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা ও অধিকারও সুরক্ষিত থাকবে।

১০ দফা দাবি

সংগঠনের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আধুনিকায়ন ও ফিটনেস সনদ প্রদান। পাশাপাশি বাণিজ্যিক লাইসেন্স ও জোনভিত্তিক রুট পারমিট চালুর দাবি জানানো হয়েছে।

চালকদের ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবস্থা এবং প্রতিটি অটোরিকশা গ্যারেজে ডি-৩ ক্যাটাগরির বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে।

এ ছাড়া গ্যারেজ থেকে সরকারের প্রাপ্য বিদ্যুৎ বিল ও রাজস্ব যথাযথভাবে আদায়, সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়কে অটোরিকশার জন্য পৃথক ‘লো-স্পিড লেন’ এবং জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত ঢাকার প্রধান সড়কে পৃথক লেন নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রধান ও ফিডার সড়ক বিবেচনায় বৈজ্ঞানিকভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ অটোরিকশার সিলিং নির্ধারণ, দেশের পরিবহন ব্যবস্থার আইনি কাঠামোর মধ্যে এ যানবাহনকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং নীতিনির্ধারণে মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তরের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, অটোরিকশা খাতের সমস্যার স্থায়ী সমাধান শুধু নিষেধাজ্ঞা বা উচ্ছেদের মাধ্যমে সম্ভব নয়। প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক, নিরাপদ, নিবন্ধিত ও আইনসম্মত কাঠামোর মধ্যে এ খাতকে নিয়ে আসা প্রয়োজন।

তারা বলেন, অটোরিকশা বন্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্রেকিং সিস্টেম ও অনিরাপদ বডি স্ট্রাকচারের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। এ কারণে বুয়েট অনুমোদিত আধুনিক ব্রেকিং সিস্টেম ও নিরাপদ ডিজাইনের ই-রিকশা দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদনের সুযোগ দিতে হবে।

একই সঙ্গে পুরোনো অটোরিকশাগুলো আধুনিক ও নিরাপদ প্রযুক্তিতে রূপান্তরের জন্য তিন থেকে পাঁচ বছরের নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার দাবি জানান তারা।

নেতারা বলেন, ১০ দফা দাবি নিয়ে চালক-মালিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করে বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আইন মেনে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সেক্রেটারি মো. আবু বকর ছিদ্দিক এবং কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসাইন ও শরিফুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি