খুঁজুন
                               
, ,
           

২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

প্রচলিত নাট্যরীতির বাইরে গিয়ে লিভিং থিয়েটারের নান্দনিকতা ও পরীক্ষামূলক ভাষায় নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছে নাট্যদল নাট্যধারা। ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শিরোনামের নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে আগামী ২৮ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে।

লিভিং থিয়েটারের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে নির্মিত এ প্রযোজনায় দর্শক ও মঞ্চের প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে নাট্যঘটনাকে আরও প্রত্যক্ষ ও অনুভবনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শরীরী ভাষা, প্রতীকী অভিনয়, আলো-আঁধারি, শব্দ ও আবহ নির্মাণকে নাটকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নাদিয়া মুরাদ। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই তরুণী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দিত্ব ও নির্যাতনের শিকার হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিয়ে মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হন তিনি। তাঁর সংগ্রাম ও সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন নাদিয়া মুরাদ।

তবে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শুধু নাদিয়া মুরাদের ব্যক্তিজীবনের গল্প নয়। যুদ্ধ, রাষ্ট্র, মৌলবাদ, বিশ্বরাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতিসত্তার ওপর আঘাত এবং মানবিক বিপর্যয়ের মতো সমকালীন নানা সংকটকে নাটকটির বিষয়বস্তু করা হয়েছে।

নাট্যদলের ভাষ্য অনুযায়ী, নাদিয়ার জীবনকাহিনিকে ব্যক্তিগত আত্মজীবনী হিসেবে নয়, বরং সময় ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। দর্শককে কেবল গল্পের দর্শক না রেখে নাট্যঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করাও এ প্রযোজনার অন্যতম লক্ষ্য।

নাটকের শেষাংশে উঠে আসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নাদিয়াই কি পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দোজখের শেষ মেয়ে? চলমান যুদ্ধই কি পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ? মৌলবাদের তৈরি দোজখই কি পৃথিবীর শেষ দোজখ? নাদিয়াই কি পৃথিবীর শেষ দোজখের শেষ মেয়ে? আর যুদ্ধশিশু কি পরিকল্পিত?

নাটকটি রচনা করেছেন আনিসুর রহমান এবং নাট্যনির্মাণ করেছেন আশীষ খন্দকার। অভিনয়ে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন, ফাহমিদা রহমান তৃষা, রিয়াদ মাহমুদ, হাফসা আক্তার, মো. আব্দুল আজিজ, মো. রফিকুল ইসলাম, রহিম পারভেজ, আল হাছিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর সিকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ দুলু ও হাফসা মাহমুদ ঋদ্ধি।

নাট্যকার হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান। নাট্যনির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত ও পোশাক পরিকল্পনায় আছেন আশীষ খন্দকার। সহযোগী নির্দেশক রিয়াদ মাহমুদ। মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন পলাশ সেন হেনরী।

নাটকটির নির্মাণে সহযোগিতা করেছে বিডিজবস ডট কম ও সাইমন কালিনারী ইনস্টিটিউট।

লিভিং থিয়েটারের পরীক্ষামূলক ভাষায় নির্মিত ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ সমকালীন বাংলা মঞ্চনাটকে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২৮ আগস্টের উদ্বোধনী মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রযোজনাটির যাত্রা।

কালের আলো/এসএ

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহুরুল ইসলাম বাবু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন।

বাবু পাবনা পিওয়াইসি ক্লাবের একজন কৃতি ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি পাবনা সাবেক ক্রিকেটার সমিতিরও সদস্য ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চাঁদাবাজ-দখলবাজদের কড়া হুঁশিয়ারি রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজ-দখলবাজদের কড়া হুঁশিয়ারি রিজভীর

চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানিয়েছেন, দলের নাম ভাঙিয়ে এসব অপকর্ম করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই হুঁশিয়ারি দেন রিজভী।

তার ভাষায়, ‘দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্বে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বিএনপির। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রিজভী দাবি করেন, ‘বিএনপি সব সময় জনগণের সঙ্গে সমতার পরিচয় দিয়েছে এবং অঙ্গীকার রক্ষার পরিচয় দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সরকার অত্যন্ত সততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে। ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে সরকার ব্যাপকভাবে কাজ করছে।’

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়নে বিরোধী দলের আনা ব্যর্থতার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি বিরোধী দলের একটি ঢালাও মন্তব্য। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সরকারের কাজের ডাটা প্রসেস করে ইতিবাচক প্রতিবেদন দিচ্ছে। সরকার বিজ্ঞানসম্মতভাবে ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’

বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী জানান, কাউন্সিলের বিষয়টি নিয়ে দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা চলছে। তবে দিন, তারিখ ও মাস এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভীই এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

৫ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবছরের মতো এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এছাড়া উপযুক্ত দিনে মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর কিছু সময় আগে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রিজভীর সভাপতিত্বে একটি যৌথ সভা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এআই নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করলেন বিল গেটস, চান আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
এআই নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করলেন বিল গেটস, চান আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাপী নতুন ধরনের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তাঁর মতে, এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি নতুন সংস্থা প্রয়োজন, যা পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার আদলে কাজ করবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে আলোচনাও করতে চান গেটস। তাঁর পরবর্তী চীন সফরে নভেম্বরে এ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর মুখপাত্র জানিয়েছেন।

গেটস মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বিপজ্জনক এআই মডেল তৈরির ক্ষেত্রে প্রথমে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করে, তাহলে চীনসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশও একই ধরনের উদ্যোগে যুক্ত হতে পারে। বিশেষ করে যেসব এআই মডেল মানুষের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেগুলোর প্রকাশ ও ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক সমন্বিত নীতিমালা চান তিনি।

এআইয়ের মাধ্যমে ক্ষতিকর রাসায়নিক অণু তৈরি এবং জৈবিক হামলার সম্ভাবনা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন গেটস। এ ধরনের ঝুঁকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের জন্য দেশগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রস্তাব দিতে চান তিনি। তাঁর মতে, এতে প্রযুক্তি খাতের স্বাভাবিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত না করেও বিপজ্জনক ব্যবহার ঠেকানো সম্ভব হতে পারে।

সম্প্রতি এআইয়ের সক্ষমতা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। গেটসের ভাষ্য অনুযায়ী, এআই এখন সাইবার হামলা চালাতে সক্ষমতা দেখাচ্ছে, একই সঙ্গে মানুষের চাকরি প্রতিস্থাপন এবং ব্যবহারকারীদের ওপর মানসিক প্রভাব তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও মেটার প্রযুক্তি বাস্তব ওয়েবসাইটে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে উল্লেখ করে গেটস বলেন, এসব নিরাপত্তা ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এআইয়ের কারণে কর্মসংস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। তাঁর মতে, প্রযুক্তির কারণে কিছু মানুষের চাকরি হারানোর বিষয়টি শুধু সাময়িক পরিবর্তন হিসেবে দেখলে চলবে না; সমাজ ও অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এআই ব্যবহার করে মানুষের শ্রম প্রতিস্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কর আরোপের ধারণাও দিয়েছেন গেটস। সেই অর্থ দিয়ে চাকরি হারানো মানুষদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ও পুনঃপ্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সমাজে কিছু কাজ মানুষের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথাও বলেছেন।

গেটস তাঁর সাম্প্রতিক লেখায় এআইয়ের এমন ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে প্রযুক্তির কারণে বৈষম্য বাড়বে না এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

তাঁর প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক সংস্থাটি কীভাবে কাজ করবে, তার পূর্ণাঙ্গ কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে গেটসের বক্তব্যে স্পষ্ট, এআইয়ের বিকাশকে শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হিসেবে না দেখে এর নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও মানবসমাজের ওপর প্রভাব বিবেচনা করে বৈশ্বিক নীতিমালা তৈরির সময় এসেছে।

গেটসের এই সতর্কবার্তা এমন সময়ে এলো, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এআই নিয়ন্ত্রণে নিজেদের নীতিমালা তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর মতে, দেশভিত্তিক বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও এখন জরুরি।

সূত্রঃ রয়টার্স

কালের আলো/এসএ