খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে ৯০০ মার্কিন পণ্যে কানাডার পাল্টা শুল্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে ৯০০ মার্কিন পণ্যে কানাডার পাল্টা শুল্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯০০ ধরনের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। এসব মার্কিন পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি কানাডীয় ডলার। পণ্যের ধরনভেদে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছে অটোয়া।

কানাডার কর্মকর্তারা মঙ্গলবার জানান, নতুন এই পাল্টা শুল্ক আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর কানাডা এই পদক্ষেপ নিল।

নতুন শুল্কের আওতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, আসবাবপত্র, পোশাক, প্রসাধনী, পারফিউম, সামুদ্রিক খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এছাড়া কিছু গৃহস্থালি সরঞ্জাম এবং নির্দিষ্ট ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামজাত পণ্যে ২৫ শতাংশ এবং কিছু যন্ত্রপাতিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘সমানুপাতিক’ ও ‘কৌশলগত’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব মোকাবিলা এবং কানাডীয় অর্থনীতি ও ব্যবসাগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যেই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শুধু পাল্টা শুল্ক আরোপ নয়, মার্কিন শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় ব্যবসা ও কর্মীদের সহায়তায় অতিরিক্ত ৭৫০ কোটি কানাডীয় ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুল্কযুদ্ধের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক চাপের মুখে পড়তে পারে, তাদের টিকিয়ে রাখা এবং কর্মসংস্থান ধরে রাখাই এই সহায়তা প্যাকেজের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরশীল কানাডীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে অটোয়া বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি জোরদার করবে।

কানাডার এই পাল্টা পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি। যুক্তরাষ্ট্র কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

হোয়াইট হাউস কানাডার পাল্টা শুল্কের সমালোচনা করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত ছিল। তবে কানাডা আলোচনায় ‘অযৌক্তিক দাবি’ করেছে বলে অভিযোগ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতি কানাডীয় শিল্প ও অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা।

বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে কানাডীয় গাড়ি নিয়েও নতুন হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এতে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা পরস্পরের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শুল্কযুদ্ধ হলে উভয় দেশের ব্যবসা, ভোক্তা ও কর্মসংস্থানে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে সাম্প্রতিক শুল্ক বিরোধ উত্তর আমেরিকার বাণিজ্য ব্যবস্থায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। কানাডা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের জবাব দিতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করছে, অন্যদিকে নিজেদের ব্যবসা ও কর্মীদের জন্য আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি শুল্ক দীর্ঘায়িত হলে আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত দুই দেশের ভোক্তাদের ওপরও পড়তে পারে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সরবরাহব্যবস্থা ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তেও অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কানাডার ঘোষিত নতুন শুল্ক ৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়ার পর দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক কোন দিকে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। ওয়াশিংটন ও অটোয়ার মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয় কি না, নাকি পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরও বাড়ে—তা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে নজর রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এসএ

পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এনসিপির অভিযোগ, ২০ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদে বিএনপি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক শক্তি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে থাকা মানুষের প্রতিনিধিত্ব কার্যত অনুপস্থিত।

দলটির মতে, এ ধরনের একতরফা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জেলা পরিষদগুলোর নিরপেক্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ও জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এসব পরিষদ পরিচালনা করা উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও বলেছে, পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিবৃতিতে পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। দলটি বলছে, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের পর ওই বছর একবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকার মনোনীত বা অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান’-পরবর্তী বাংলাদেশে অনির্বাচিত ও দলীয়ভাবে প্রভাবিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আর দেখতে চায় না এনসিপি। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হতে পারে, তবে এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের বিকল্প নয়।

এনসিপি খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সরাসরি, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার এই সিরিজ।

সিরিজে দুই দল খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে এখনো ওয়ানডে সিরিজের নির্দিষ্ট সূচি চূড়ান্ত হয়নি। আফগানিস্তান এই সিরিজের আয়োজক হওয়ায় সীমিত ওভারের ম্যাচগুলোর তারিখ ও ভেন্যু তারাই চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের জন্য অপরিচিত কোনো ভেন্যু নয়। গত বছরও দেশটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।

সেবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা। তবে ওয়ানডে সিরিজে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে আফগানিস্তান।

এবার অবশ্য দুই দলের লড়াই হবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। ওয়ানডের পাশাপাশি টেস্টেও মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে দুই দলের জন্যই সিরিজটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতে চাইবে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পরই ব্যস্ত সূচিতে ঢুকে পড়বে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের সামনে থাকবে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ।

ফলে পরপর গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজ সামনে থাকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ও ভারতের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সময়ে ভারতের আফগানিস্তান সফরের সূচি থাকায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সময় নিয়েও নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ফলে ভারত সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চললেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের অক্টোবরের সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় টাইগারদের আন্তর্জাতিক সূচি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।

আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম। একের পর এক টেস্ট ও সীমিত ওভারের সিরিজ থাকায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস, স্কোয়াড ব্যবস্থাপনা এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে জয় দিয়ে সেই পথ আরও শক্ত করতে চাইবে টাইগাররা।

গতবার ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও পাবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি টেস্টে প্রথমবারের মতো দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে ভারত সিরিজের অনিশ্চয়তার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়। অক্টোবরের এই সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটেই ভালো ফল করে পরবর্তী কঠিন সিরিজগুলোর আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ।

সূত্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

কালের আলো/এসএ

বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে

প্রতারণা মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশান থানা থেকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশানের এরাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ২০০৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালে গুলশান থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে বুধবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি