খুঁজুন
                               
, ,
           

সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময়

জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় সমস্যা, জনদুর্ভোগ, জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা এবং ভূরাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে এ মতবিনিময় হয়।

রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন- জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দল যে ভূমিকা পালন করছে, মতবিনিময় সভায় আমিরে জামায়াত তা সম্পাদকদের সামনে তুলে ধরেছেন।’

তিনি বলেন, জাতীয় সমস্যা ও জনদুর্ভোগের পাশাপাশি বিশেষ করে জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা সমাধানে জামায়াতের ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। সংসদে ও সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, অতীতে প্রচলিত ও প্রথাগত বিরোধী দলের যে খারাপ অনুশীলন ছিল, সেই প্রথা ভেঙে দিয়ে দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা এবং অন্যায় ও গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিরোধে জামায়াত যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সম্পাদকদের সামনে তুলে ধরেছেন আমিরে জামায়াত। সম্পাদকমণ্ডলী জামায়াতের এ নীতির প্রশংসা করেছেন বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের বিরোধিতা হবে নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক। মতবিনিময়ে দেশের বিরাজমান পরিস্থিতির পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রাজপথে বিরোধী দল আন্দোলন করলেও দেশ যেন অস্থিতিশীল না হয়, সে বিষয়ে সম্পাদকরা পরামর্শ দিয়েছেন।’

সরকারের ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর সম্পাদকদের সঙ্গে এটি প্রথম মতবিনিময় উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সরকারি দল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের এমপিদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। উন্নয়নমূলক কাজ, বরাদ্দ, সংসদে কথা বলা, আইন প্রণয়ন এবং বিভিন্ন নোটিশ গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিরোধী দল বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু এরপরও স্পিকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দল ইনসাফপূর্ণ আচরণ পাচ্ছে না; বরং বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। এসব বিষয়ও আমিরে জামায়াত সম্পাদকদের সামনে তুলে ধরেছেন।’

সম্পাদকদের লেখনীর মাধ্যমে সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে। সম্পাদকরা মতবিনিময়ে অভিমত দেন, সংসদের অতীতের বিরোধী দলগুলোর তুলনায় জামায়াতের ভূমিকা ব্যতিক্রম। জামায়াত গঠনমূলক পন্থায় সংসদকে কার্যকর রাখতে চায়, তবে এ ক্ষেত্রে সরকারকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক ইত্তেফাক-এর সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, দৈনিক যায়যায়দিন-এর সম্পাদক শফিক রেহমান, দৈনিক মানবজমিন-এর সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক প্রথম আলো-এর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, দৈনিক বণিক বার্তা-এর সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, দৈনিক নয়া দিগন্ত-এর সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, ডেইলি ওয়াদা-এর সম্পাদক শফিকুল আলম, দৈনিক ইনকিলাব-এর সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর সম্পাদক মারুফ কামাল খান, দৈনিক মানবকণ্ঠ-এর সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলা-এর সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, দৈনিক এদিন-এর সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম সাজু, দৈনিক খবরের কাগজ-এর সম্পাদক মোস্তফা কামাল, দৈনিক ভোরের ডাক-এর সম্পাদক কে এম বেলায়েত হোসেন, আজকের পত্রিকা-এর সম্পাদক কামরুল হাসান, দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর নির্বাহী সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য প্রতিদিন-এর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক করতোয়া-এর সম্পাদক মোজাম্মেল হক, দৈনিক জনতা-এর সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীন, আগামীর সময়-এর সম্পাদক মোস্তফা মামুন, খোলা কাগজ-এর সম্পাদক আহসান হাবীব, দ্য নিউ নেশন-এর সম্পাদক মো. মোকাররম হোসেন, গ্রিন ওয়াচ-এর সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দ্য ইভিনিং নিউজ-এর সম্পাদক এ বি এম সেলিম আহমেদ, ডেইলি সান-এর উপসম্পাদক আল আমিন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, দৈনিক সংগ্রাম-এর বার্তা সম্পাদক শামসুল আরেফীন এবং সাপ্তাহিক সোনার বাংলা-এর বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ ভূঁইয়া।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, আব্দুর রব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মাদ জাহিদুর রহমান ও দেলাওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি এবং আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শাহজালাল বিমানবন্দরে অভিযান, আটক ৪০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
শাহজালাল বিমানবন্দরে অভিযান, আটক ৪০

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০ জন ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিমানবন্দর থানা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিমানবন্দর গোলচত্বর, বিআরটিএ স্টেশন, বিমানবন্দর রেলস্টেশন, পুলিশ বক্সের আশপাশ, বিমানবন্দরের প্রবেশপথ ও ভিআইপি রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিমানবন্দর থানা পুলিশ জানায়, বিমানবন্দর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ ছিল। এতে দেশি-বিদেশি যাত্রীদের চলাচলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছিল। এ সমস্যা নিরসনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবারের অভিযানে আটক ৪০ জনসহ গত কয়েক দিনে বিমানবন্দর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে মোট ৩২৮ জন ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করা হয়েছে।

আটক শিশুদের মিরপুরের শিশু-কিশোর আশ্রয়কেন্দ্রে এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্পেশাল কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদি জানান, বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

শুরুতে পিছিয়ে, শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলে মোহনপুরের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
শুরুতে পিছিয়ে, শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলে মোহনপুরের জয়

রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে পিছিয়ে পড়েও বড় জয় পেয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল। তৃতীয় ম্যাচে গোদাগাড়ী উপজেলা ফুটবল দলকে ৫-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে মোহনপুর।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতেই এগিয়ে যায় গোদাগাড়ী। ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটে আলিম গোল করে গোদাগাড়ীকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ায় মোহনপুর। ম্যাচের ২৪ মিনিটে নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় ইদ্রিস গোল করে সমতায় ফেরান দলকে। এরপর ৪২ মিনিটে বাদলের গোলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মোহনপুর।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য আবারও সমতায় ফেরে গোদাগাড়ী। সুমনের গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-২। এরপর ম্যাচে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। দুই দলই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে।

এরপর মোহনপুরের বাদল নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। শেষদিকে হৃদয় ও মুমিন একটি করে গোল করলে মোহনপুরের জয় আরও বড় হয়। শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি ছিল। ম্যাচ পরিচালনা করেন প্রধান রেফারি আক্তার হোসেন। সহকারী রেফারি ছিলেন আব্দুল খালেক ও সুজন রানা। চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন রেজ।

টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একই ভেন্যু মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ফুটবল দল মুখোমুখি হবে পবা উপজেলা ফুটবল দলের।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মন্ত্রিসভায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিসভায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ১৮তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ এর অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নসকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো– বিদ্যমান দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯ রহিত করে এ অধ্যাদেশের অধীনে কৃত কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রেখে বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে। পুলিশ বাহিনীর অধীন এ ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

এ ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন-সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন ও বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ