খুঁজুন
                               
, ,
           

শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া চারে বাংলাদেশ, টিকে থাকতে পারবে কি টাইগার্সরা?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া চারে বাংলাদেশ, টিকে থাকতে পারবে কি টাইগার্সরা?

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাকাইয়ে এবার ইনিংস ও ৫১ রানে জিতে সেই হারের জবাব দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র দেড় দিনের একটু বেশি সময়ে ম্যাচ শেষ করে প্যাট কামিন্সের দল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে।

হারের পরও খুব একটা পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়া নাজমুল হোসেনের দল ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে আছে তালিকার চারে।

২০২৫-২৭ চক্রে ৯টি দল মোট ২৭টি সিরিজে ৭১টি টেস্ট খেলবে। চক্র শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল খেলবে ২০২৭ সালের ফাইনাল। এবারও মোট পয়েন্ট নয়, ‘পারসেন্টেজ অব পয়ে ন্টস’ বা পিসিটির ভিত্তিতে দলগুলোর অবস্থান নির্ধারিত হচ্ছে।

প্রতি জয়ে ১২ পয়েন্ট, ড্রয়ে ৪ এবং টাই হলে দুই দলকে দেওয়া হয় ৬ পয়েন্ট করে। হারলে কোনো পয়েন্ট নেই।

শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া

১০ ম্যাচে ৮ জয় ও ২ হারে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ৯৬, পিসিটি ৮০ শতাংশ। বাকি ১২ টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনটি অ্যাওয়ে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি হোম এবং ভারতের বিপক্ষে পাঁচটি অ্যাওয়ে টেস্ট খেলবে তারা।

বাকি ম্যাচগুলো থেকে ৬৩ পয়েন্ট পেলেই ৬০ শতাংশ পিসিটি ধরে রাখতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ জয় ও এক ড্রতেই তা সম্ভব। আর বাকি ১২ ম্যাচের আটটিতে জয় ও চারটিতে হারলেও তাদের পিসিটি হবে ৬৮.১৮ শতাংশ।

দক্ষিণ আফ্রিকাও শক্ত অবস্থানে

চার ম্যাচে তিন জয় নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পিসিটি ৭৫ শতাংশ। বাকি ১০ টেস্টের আটটিই ঘরের মাঠে খেলবে তারা। অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে প্রোটিয়ারা।

বাকি ম্যাচগুলো থেকে অন্তত ৬৫ পয়েন্ট পেলে ৬০ শতাংশ পিসিটি ধরে রাখতে পারবে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাঁচ জয় ও দুই ড্রতে সেটি সম্ভব। সাত জয় ও তিন হার হলে তাদের পিসিটি দাঁড়াবে ৭১.৪৩ শতাংশে।

নিউজিল্যান্ডেরও সুযোগ ভালো

ছয় ম্যাচে চার জয়, এক হার ও এক ড্রয়ে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ৫২, পিসিটি ৭২.২২ শতাংশ। বাকি ১০ টেস্টের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে দুটি ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি খেলবে ঘরের মাঠে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চারটি এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলবে অ্যাওয়ে।

বাকি ১০ ম্যাচ থেকে অন্তত ৬৪ পয়েন্ট পেলে ফাইনালের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে থাকবে কিউইরা। ছয় জয় ও তিন হার হলে তাদের পিসিটি হবে ৬৪.৫৮ শতাংশ; সাত জয় ও তিন হার হলে ৭০.৮৩ শতাংশ।

বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ

ছয় টেস্টে তিন জয়, দুই হার ও এক ড্রয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৪০। পিসিটি ৫৫.৫৬ শতাংশ। বাকি ছয় টেস্টের দুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে, দুটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অ্যাওয়ে এবং দুটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে।

৬০ শতাংশ পিসিটি ছুঁতে বাংলাদেশের দরকার আরও ৪৭ পয়েন্ট। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি টেস্টেই জয় পেলে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

আর ওই চার জয়ের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজে অন্তত একটি জয় পেলে বাংলাদেশের পিসিটি বেড়ে দাঁড়াবে ৬৯.৪৪ শতাংশ। সেই অবস্থান ফাইনালের লড়াইয়ে নাজমুল হোসেনদের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলতে পারে।

অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য ঘরের মাঠের চার টেস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পূর্ণ ৪৮ পয়েন্ট তুলে নিতে পারলে ফাইনালের পথ অনেকটাই সহজ হবে।

ভারতের সামনে কঠিন পরীক্ষা

১০ ম্যাচে পাঁচ জয়, চার হার ও এক ড্রয়ে ভারতের পয়েন্ট ৬৪, পিসিটি ৫৩.৩৩ শতাংশ। বাকি আট টেস্টের একটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অ্যাওয়ে, দুটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাওয়ে এবং পাঁচটি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে।

বাকি আট ম্যাচ থেকে অন্তত ৬৬ পয়েন্ট পেলে ৬০ শতাংশের ওপরে উঠতে পারবে ভারত। ছয় জয় ও দুই হার হলে তাদের পিসিটি হবে ৬২.৯৬ শতাংশ। সাত জয় ও এক হার হলে সেটি বেড়ে দাঁড়াবে ৬৮.৫২ শতাংশে।

শ্রীলঙ্কার সমীকরণ কঠিন

পাঁচ ম্যাচে মাত্র একটি জয় নিয়ে শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট ২০, পিসিটি ৩৩.৩৩ শতাংশ। বাকি সাত টেস্টে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে তারা।

৬০ শতাংশে যেতে হলে বাকি ম্যাচগুলোতে তাদের অন্তত ৬৭ পয়েন্ট দরকার। অর্থাৎ ছয় জয় অথবা পাঁচ জয় ও দুই ড্র করতে হবে। সাত ম্যাচের সব কটিতে জিততে পারলে অবশ্য পিসিটি ৭২.২২ শতাংশে উঠবে।

ইংল্যান্ডের ফাইনাল কঠিন

১৪ ম্যাচে পাঁচ জয়, আট হার ও এক ড্রয়ে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫০, পিসিটি ২৯.৭৬ শতাংশ। স্লো ওভার রেটের কারণে তাদের ১৪ পয়েন্ট কাটা গেছে।

বাকি সাত টেস্টের সব কটিতে জিতলেও ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ পিসিটি হবে ৫৩.১৭ শতাংশ। ফলে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষীণ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানও পিছিয়ে

১২ ম্যাচে মাত্র দুই জয় নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পিসিটি ২০.৮৩ শতাংশ। তাদের বাকি দুটি টেস্টই বাংলাদেশের বিপক্ষে অ্যাওয়ে। দুটিতে জিতলেও সর্বোচ্চ পিসিটি হবে ৩২.১৪ শতাংশ। ফলে ফাইনালের দৌড় থেকে তারা কার্যত ছিটকে গেছে।

পাকিস্তানের অবস্থাও স্বস্তিদায়ক নয়। সাত ম্যাচে দুই জয় ও পাঁচ হারে তাদের পয়েন্ট ১৬, পিসিটি ২২.২২ শতাংশ। স্লো ওভার রেটের কারণে কাটা গেছে আরও ৮ পয়েন্ট।

বাকি ছয়টি টেস্টের সব কটিতে জিতলে পাকিস্তানের পিসিটি সর্বোচ্চ ৫৭.৫ শতাংশে উঠতে পারে। পাঁচ জয় ও এক ড্র হলে হবে ৫১.৬ শতাংশ।

বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে

ম্যাকাইয়ের বড় হার বাংলাদেশের পিসিটি কমিয়ে দিলেও ফাইনালের লড়াই থেকে তারা ছিটকে যায়নি। বরং বাকি ছয় টেস্টের চারটি ঘরের মাঠে হওয়ায় সামনে বড় সুযোগ রয়েছে।

ঘরের মাঠে চার জয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অন্তত একটি অ্যাওয়ে জয় বাংলাদেশকে প্রায় ৭০ শতাংশ পিসিটির কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে। তবে শীর্ষ তিনে থাকা অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের শক্ত অবস্থানের কারণে পথটি সহজ হবে না।

তবু এখন পর্যন্ত হিসাব বলছে, নিজেদের বাকি ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে পারলে নাজমুল হোসেনের দল প্রথমবারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে জোরালোভাবে টিকে থাকতে পারে।

কালের আলো/এসএ

গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের

চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উঠতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখা, গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, গ্যাসের সরবরাহ এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মেরামত করা হয়েছে। তবে এলএনজি কার্গো সরবরাহে কিছু সমস্যার কারণে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগছে।

শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুতের বকেয়া বিল এককালীন পরিশোধের পরিবর্তে ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা। এতে শিল্প খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ভোলার নতুন গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জরুরি পাইপলাইন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত এই গ্যাস জাতীয় পর্যায়ে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভরতা কমাতে ১ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও উৎপাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত গুরুত্ব দিয়ে স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। এখন নতুন করে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হচ্ছে।

এলএনজির আন্তর্জাতিক বাজারদর বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ছিল প্রায় ১২ থেকে ১৪ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও ইউরোপের বাড়তি চাহিদার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

কাতারসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চলমান সংকট একদিনে তৈরি হয়নি; এটি বহু বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যার ফল। সংকট কাটিয়ে একটি ভালো অবস্থায় যেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা নেই; বরং ধীরে ধীরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছে সরকার।

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন আনসার-ভিডিপির ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন আনসার-ভিডিপির ডিজি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে উৎসবমুখর ও গৌরবোজ্জ্বল পরিবেশে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান, নতুন পদায়নপ্রাপ্ত এবং অবসরপ্রাপ্ত বিদায়ী কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সদর দপ্তর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া। বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ উপমহাপরিচালক পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত মো. আসাদুজ্জামান গনীসহ চাকরিজীবনের ২০ বছর পূর্ণ করে পরিচালক ও উপপরিচালক পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

উপসচিব পদে নতুন কর্মস্থলে পদায়নপ্রাপ্ত মোহা. ইয়াছিন আরাফাত এবং চাকরিজীবন শেষে অবসরে যাওয়া বিদায়ী কর্মকর্তা পরিচালক মো. আব্দুস সামাদকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জিত এই পদোন্নতি কর্মকর্তাদের আগামী দিনের দায়িত্ব পালনে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা কমান্ড্যান্ট, ঢাকা মহানগরের ৪ জোনের অধিনায়ক এবং পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও বিদায়ী কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চলতি অর্থবছরেই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
চলতি অর্থবছরেই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আলোচনার বিষয়গুলো জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষ আগামী সপ্তাহে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনার জন্য ইসির সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের তফসিল, তারিখ নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করবে। ইসির সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং করবে।

বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় পানি সরবরাহে ডেনমার্কের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, রাজধানীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ফেজের কাজ শেষ করতে ডেনমার্ক সহায়তা করবে। এই ধাপে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পানি শোধনাগারে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা করবে দেশটি। এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে পরিশোধ করবে সরকার। এতে সরকারের ওপর চাপ পড়বে না।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মেঘনা নদী থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি শোধন সম্ভব হবে।

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ডেনমার্ক ১০০ কোটি টাকা দেবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ