খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্বের প্রশংসায় প্রেসিডেন্ট ফাস্টিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৯, ৬:১০ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্বের প্রশংসায় প্রেসিডেন্ট ফাস্টিন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বিশ্বের অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় দেশগুলোতে শান্তি স্থাপনে আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। নিজেদের পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বিশ্বের নানা প্রান্তে লাল-সবুজের পতাকার সম্মান আরো উজ্জ্বল করার পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের সফলতারও স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

আরও পড়ুন: আন্ত:অভিযান সক্ষমতা বাড়াতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রশিক্ষণ সহযোগিতার প্রস্তাব সেনাপ্রধানের

এরই ধারাবাহিকতায় নিজেদের জীবনবাজি রেখে মধ্য আফ্রিকার মহামুল্যবান খনিজ সমৃদ্ধ দেশ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকেও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ভয়-শঙ্কা ও প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করে জাতিগত বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পিছিয়ে পড়া এ দেশটির সাধারণ মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা।

ফলে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের মানুষের জন্য বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসায় মেতেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাস্টিন আর্চেঞ্জ তোয়াদেরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বাঙ্গিতে নিজ সদর দপ্তরে দেশটিতে সফরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এমন প্রশংসা করেন।

সাক্ষাতকালে পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও সহযোগিতা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নানা কৌশলে ও পেশাদারিত্বকে কাজে লাগিয়ে সেখানকার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। এতে তাঁরা বেশ সাফল্যও পেয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এ দরিদ্র দেশে সন্ত্রাসীদের কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যমদূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেও সেখানকার জনসাধারণের কাছে তাঁরা আস্থার শেষ ঠিকানা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দেশটির স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা শান্তিরক্ষীদের অনন্য অবদানের কথাই কৃতজ্ঞচিত্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সঙ্গে আলাপে উপস্থাপন করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাস্টিন আর্চেঞ্জ তোয়াদেরা।

সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র কালের আলোকে জানিয়েছে, সাক্ষাতকালে প্রথমেই সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

সাক্ষাতে নিজ দেশে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাস্টিন আর্চেঞ্জ তোয়াদেরা। তিনি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহবানে সাড়া দিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠিয়ে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদান রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

পাশাপাশি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট দেশটির অবকাঠামো, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান। তিনি তাঁর দেশের মানুষের জন্য বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন।

একই সূত্র আরো জানিয়েছে, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছেন মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং’র মতো আরও ইউনিট সেখানে পাঠাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। প্রেসিডেন্ট দূর দেশ থেকে এসে সেন্ট্রাল আফ্রিকায় জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলাদেশী সৈনিকদের অবদানের কথাও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাকে নিশ্চিত করেন সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (মিনুস্কা) মানুষের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন ও দীর্ঘ মেয়াদী সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ। পরে তিনি প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাস্টিন আর্চেঞ্জ তোয়াদেরাকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে পৌঁছালে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি মিনুস্কার এসআরএসজি ও ফোর্স কমান্ডারের সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

গত বুধবার (২৬ জুন) সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (মিনুস্কা) এলাকা পরিদর্শন করতে তিনদিনের সরকারি সফরে ঢাকা ত্যাগ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। গুরুত্বপুর্ণ এ সফর শেষে আগামী ২৯ জুন তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এএ/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ