খুঁজুন
                               
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
           

প্রধানমন্ত্রী হয়েও জনতার কাতারে তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী হয়েও জনতার কাতারে তারেক রহমান

কালের আলো রিপোর্ট:

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে দেশে ফিরেই রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের চিরায়ত সব রেওয়াজ ভাঙতে শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কখনও ইমামকে চেয়ার এগিয়ে দিয়েছেন নিজেই। জনসভায় বক্তব্যের মধ্যেই মঞ্চে ডেকে সাধারণ নাগরিকের মতামত জেনেছেন। তাদের সঙ্গে কথোপকথনের চমক এনেছিলেন। এলাকার সমস্যার কথা শুনেছেন, সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, প্রশ্ন করেছেন আবার উত্তরও দিয়েছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন নেতা কেবল নিজেই কথা বলেন না সাধারণ মানুষের কথাও তিনি শোনেন। কেউ কেউ সম্ভবত মনেই করেছিলেন এসব ভোট টানার কৌশল। কিন্তু চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পরও একের পর এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন দেশের ১১তম এই প্রধানমন্ত্রী। ভোটে বিএনপির কাছে পরাজিত জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের বাসায় গিয়ে রাজনীতিতে শিষ্টাচার ও সৌজন্যের এক ব্যতিক্রমী নজির স্থাপন করেছেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের প্রথম সকালেই সরকারপ্রধান ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যকার দূরত্ব কমাতে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলার নতুন রীতি চালু করেন। প্রধানমন্ত্রী কিংবা কোনও ভিভিআইপি মুভমেন্টে বরাবর রাস্তাঘাট বন্ধ করে দুপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর প্রহরায় গাড়ি ছুটতে দেখার সংস্কৃতি বন্ধ করলেন। সরকারি বিলাসবহুল গাড়ির পরিবর্তে নিজের গাড়িতেই সাধারণ মানুষের মতোই চলাচল করছেন। ট্রাফিক সিগন্যালে লাল বাতি জ্বললেই থেমে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। কোন কোন জায়গায় দীর্ঘ সময় সিগন্যালে বসে থাকছেন। কোন তড়িঘড়ি নেই। অতীতে প্রথা মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর বহরে ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ি থাকতো। এখন সেটি মাত্র চারটিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। পরিবর্তন এসেছে নিরাপত্তা প্রটোকলেও। রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে সড়কের দু’পাশে পোশাকধারী পুলিশের দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না। নেতিবাচক এই সংস্কৃতি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবারের (১৯ ফেব্রুয়ারি) চিত্রও ছিল অভিন্ন। তারেক রহমান নিজের চালক এবং নিজস্ব অর্থে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির গণরায়ের পর দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক ও গুণগত পরিবর্তন আনতে আগে নিজে জনবান্ধব সব দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। সরকারপ্রধানের এই মানসিকতা অন্য সবার জন্যই বড় বার্তা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে আগামীকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি ছুটির দিনেও তিনি দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাবেন। প্রশাসনে কর্মচাঞ্চল্য বাড়াতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তিনি কাজ করার এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র। এর আগে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই নতুন প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট বরাদ্দ না নেওয়ার ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে মন্ত্রীদের সরকারি কাজে বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাহুল্য খরচ না করার কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন। তার এসব পদক্ষেপ সাধারণ মানুষকে আশান্বিত করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসিত হচ্ছে। সাধারণ পথচারীরাও এখন বলছেন, ‘দীর্ঘ দিন পর মনের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে বাংলাদেশ।’ অন্য একজন বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনতার কাতারেই রয়েছেন। এটি ভালো দিক। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল এমনই।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় খরচে লাগাম টানা এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রীর এসব উদ্যোগ প্রশাসন ও রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করবে।

বৃহস্পতিবারের (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসা থেকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ গাড়িতে সচিবালয়ে যান। সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে যাত্রা শুরু করে চারটি ট্রাফিক সিগন্যালে লালবাতি জ্বলে উঠলে গাড়ি নিয়ম মেনে থামে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি বাংলাদেশ সচিবালয়ে পৌঁছান। পুরো পথে সময় লাগে ৪১ মিনিট। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সরকারপ্রধান সাধারণ নিয়মেই সড়কপথ ব্যবহার করেছেন। পথে সিগন্যালে গাড়ি থামলে পথচারীরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন। কেউ কেউ কাছ থেকে সেলফিও তোলেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আতিকুর রহমানের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট তারেক রহমান তাঁর ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন অদৃশ্য দেয়াল তৈরি করতে চান না। প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলের বাড়াবাড়ির লাগাম টেনে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। সাধারণ মানুষ তাঁর এই স্টাইলকে পছন্দ করেছেন। জনতার নেতা হিসেবে জনগণের কাছাকাছি থাকছেন। এটি নতুন ধারার রাজনীতির বহি:প্রকাশ। তিনি বিভিন্ন সময় বলেছিলেন-শান্তি, ঐক্য, সহনশীলতা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করাই তার ‘প্ল্যান’। তিনি তাঁর কথা রেখেছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর ট্রাঙ্ক রোডে হরতালের পক্ষে শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত ফেনীর যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারকে নতুন বাড়ি উপহার দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ এপ্রিল) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল নতুন বাড়ি নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। আমরা বিএনপি পরিবার সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

ফেনী সদর উপজেলার ১৩ নম্বর ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজারের যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর হরতালের পক্ষে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। তারেক রহমানের নির্দেশে হারুনুর রশিদকে নতুন বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এই বাড়ি নির্মাণের কাজটা তদারকি করবে। এই সংগঠন সারাদেশে বিএনপির বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষদের সহায়তা দিয়ে আসছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন দায়িত্ব পালন করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এই মুহূর্তেই আমাদের মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব না, সচেষ্ট আছি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
এই মুহূর্তেই আমাদের মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব না, সচেষ্ট আছি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, আপনারা জানেন যে লেবাননে এখন একটি যুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের ফ্লাইট এখন সুবিধাজনক নয় যে আমরা এই মুহূর্তেই আমাদের এই মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব। আমরা সচেষ্ট আছি, খুব শিগগিরই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং লেবাননে আমাদের যে মিশন আছে, তারা কাজ করছে—কীভাবে নিরাপদভাবে মেয়েটিকে (মরদেহ) আমরা শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, গত দুই দিন আগে লেবাননে যে হামলাটা হয়েছে, সেই হামলায় ৩০০ জনের মতো ক্যাজুয়ালটি (যুদ্ধে হতাহত) হয়েছে। তার মধ্যে আমাদের একজন বাংলাদেশি মেয়ে, সে লেবাননে কাজ করতো, সে নিহত হয়েছে একটি পরিবারের সাথে। সেই পরিবারটিও নিহত হয়েছে। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলায়। ইতিমধ্যে তার পরিবারের সাথে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। কথা বলা হয়েছে। এখানে তার যে বোন থাকে, সেই বোনের সাথেও আমরা যোগাযোগ করেছি। আমাদের জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক ইতিমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করেছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন,আমি শুধু আমার জেলার মেয়ে হিসেবে বলতে পারি যে, আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তার পরিবারকে সেই শোক সহ্য করার শক্তি দিন এবং আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে, যাতে আমাদের বাংলাদেশিরা যারা এসব দেশে আছে তারা যেন নিরাপদে থাকে। যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে একটি নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করতে। মিশনগুলো কাজ করছে। যেমন- লেবাননে আমাদের যে বাংলাদেশিরা আছে, তাদেরকে আমরা একটি নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করেছি এবং তারা যেন নিরাপদে থাকে, সে চেষ্টা করছি। ওই দেশগুলোতে যারা বাংলাদেশি দেশে আসতে চায়, নিরাপত্তার অভাবে—তারা যেন নিরাপদে দেশে ফিরে আসতে পারে, সে ব্যবস্থাও আমরা করছি।

তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কিছু বাংলাদেশিকে বিমানের একটি চার্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে ফেরত এনেছি এবং যারা আসতে চায় তাদেরও আসার ব্যবস্থা করছি। এখন পর্যন্ত আমাদের আটজন বাংলাদেশি এই যুদ্ধে নিহত হয়েছে বিভিন্ন দেশে এবং এই প্রথম একজন নারী নিহত হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা চেষ্টা করছি এবং সরকার সচেষ্ট আছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের যেসব রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বিদেশে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরছে, তারা যেন আবার কোনো কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারে—সেটার জন্য বাংলাদেশ সরকার অবশ্যই দেখবে এবং আমরা সচেষ্ট আছি। এটা আমাদের ম্যানিফেস্টোর একটি অংশ এবং আমরা অবশ্যই দেখব, যাতে আমাদের ভাইয়েরা যারা এতদিন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে বিদেশে ছিলেন, দেশের রেমিট্যান্স ও অর্থনীতিতে সহযোগিতা করেছেন, তারা যেন আবার একটি কর্মে যুক্ত হতে পারেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে না আসায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয় ৷

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাগেরহাটের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শুধু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও তিনি মর্মাহত।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশে মানুষ এবং সব প্রাণের বসবাসের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এই অমানবিক ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম শরীফ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. পলাশ কুমার দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ-উল-হাসান।

কালের আলো/এসআর/এএএন