খুঁজুন
                               
, ,
           

মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর 

আদালত থেকে জামিন পাওয়ার দুদিন পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আনিস আলমগীরকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার মো. আল মামুন।

তিনি বলেন, শুক্রবার তার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে তার স্ত্রীসহ স্বজনেরা কারাগারে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন তাকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত।

গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করে। মামলায় আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। সেই মামলায়ও জামিন পান তিনি।

কালের আলো/এসএকে

বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ যুগ্মসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ যুগ্মসচিব

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ ৩২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে দায়িথ্ব পালন করা এসব কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে ছিলেন।

তারা হলেন- গোপাল চন্দ্র দাশ, এসএম ফেরদৌস, এসএম আব্দুল কাদের, মো. আলী আকবর, মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, মো. হেলাল হোসেন, আনার কলি মাহবুব, মোছা. সুলতানা পারভীন, নাজিয়া শিরিন, মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ মাসুদ আজম ছিদ্দিক, এসএম অজিয়ার রহমান, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, মো. শহিদুল ইসলাম, সরোজ কুমার নাথ, মো. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মো. কামাল হোসেন।

এছাড়াও, তালিকায় আছেন- মো. মাজেদুর রহমান খান, একেএম মামুনুর রশিদ, অঞ্জন চন্দ্র পাল, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এ জেড এম নুরুল হক, কাজী আবু তাহের, মো. শাহরিয়ার, মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, মঈনইল ইসলাম, মো. আসলাম হোসেন, মো. আবুল ফজল মীর।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা

সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো এইচ উশিয়ামা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য ডব্লিউএফপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সংস্থাটির চলমান সহায়তার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সম্পদের সংকটের মধ্যেও রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা অব্যাহত রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই সহযোগিতা প্রয়োজন।

শামা ওবায়েদ বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির স্কুল মিল কর্মসূচির অবদানেরও প্রশংসা করেন। তিনি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এ সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি উশিয়ামা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় ডব্লিউএফপি কাজ করছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ক্ষুধা ও ঝুঁকি কমাতে সংস্থাটির বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

খুলনা বিভাগ ও হবিগঞ্জে ডব্লিউএফপির কার্যক্রম, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জলবায়ু সহনশীলতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতি কার্যক্রমের বিষয়েও তুলে ধরেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে

দেশে গ্যাসের সংকট আর কতদিন থাকবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
দেশে গ্যাসের সংকট আর কতদিন থাকবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী

Oplus_131072

দেশজুড়ে চলমান গ্যাসের সংকট স্বাভাবিক হতে আরও ১০-১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নেভিগেটিং গ্লোবাল শিফটস: ফস্টারিং এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এফএসআরইউ মেরামতের কাজ চলছে। এই বিভ্রাটের কারণে দুটি এলএনজি কার্গো খালাস করা যাচ্ছে না। ফলে, দেশজুড়ে রান্নাঘরে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়াসহ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায়ও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় এখন এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আমদানি করা জ্বালানির দামও অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। গত ছয় মাসে প্রায় ৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি করতে হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিল পরিশোধও বাকি রয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের প্রধান সংকট এখন আর্থিক সমস্যা। সেগুলোর নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সম্প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। আগস্ট মাসের মধ্যেই এই কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে দর–কষাকষি ও জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান জ্বালানিমন্ত্রী।

সোমবারের এ বৈঠকের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস)। এতে সরকারি–বেসরকারি নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন। বৈঠকের মডারেটর ছিলেন বিআইপিএসএসের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি টার্মিনাল পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি ও আরেকটি বেসরকারি কোম্পানি সামিট। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার আগুন লেগে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/এসএকে