খুঁজুন
                               
, ,
           

শুধু বাঁধ নয়, উপকূলের মানুষের জীবনও বাঁচাবে ৭,৫০০ কোটির প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
শুধু বাঁধ নয়, উপকূলের মানুষের জীবনও বাঁচাবে ৭,৫০০ কোটির প্রকল্প

বন্যা, লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় ১৪ জেলার মানুষের সুরক্ষায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার বড় প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প আগামী অর্থবছর থেকে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা অবকাঠামো নির্মাণ নয়, নিরাপদ পানি, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু সহনশীল জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই হবে প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

ঝুঁকির বলয়ে ১৪ জেলা

প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমের নেতৃত্বে নয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বন্যা ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ১৪ জেলায় সমন্বিত প্রকল্প
  • গুরুত্ব পাচ্ছে নিরাপদ পানি ও জীবিকা

বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্র্যাটেজিক ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ফ্লাড এমপিএ)’ এবং ‘কোস্টাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগের অভিঘাত সামাল দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।

বাঁধের বাইরে নজর জীবিকা ও নিরাপত্তায়

প্রকল্পের আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসে বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত জীবন নিশ্চিত করা। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

লবণাক্ততার বিরুদ্ধে নিরাপদ পানির লড়াই

উপকূলের দীর্ঘস্থায়ী লবণাক্ততা সংকট মোকাবিলায় প্রকল্পে পানি শোধন ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘমেয়াদে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।

জলবায়ু অভিযোজনের বড় পরীক্ষা

উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা ও লবণাক্ততা এখন আর বিচ্ছিন্ন দুর্যোগ নয়; এগুলো মানুষের বসতি, আয়-রোজগার ও জীবনযাত্রার ওপর স্থায়ী চাপ তৈরি করছে। ফলে প্রস্তাবিত প্রকল্পে অবকাঠামোর সঙ্গে পানি, জীবিকা ও সামাজিক সুরক্ষাকে যুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা গেলে এটি উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে তাৎক্ষণিক দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

বৈঠকে পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

লালন মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
লালন মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাজার এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে লালন শাহ মাজার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদে মাজার এলাকা থেকে বের করে দেয়।

ভেড়ামারা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শোভন আহমেদ জানান, ব্যক্তিগত সফরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ছেঁউড়িয়ার লালন মাজারে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয় বাউল শিল্পীদের গান শোনেন। পরে মাজারের মূল ফটকের সামনে এলে কয়েকজন হঠাৎ তার ওপর হামলা ও ধাওয়া দেয়। পরে তাকে মাজারের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

শোভন আহমেদ বলেন, কারা হামলা করেছে বা কী কারণে হামলা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজারে এসেছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে নিরাপদে এলাকা ত্যাগে সহায়তা করে।

ওসি আরও জানান, মাজার এলাকার বাইরে যাওয়ার পর তারা পুলিশি প্রটোকল ছাড়াই চলে যান। এ ঘটনায় মামলা হবে কি না বা তারা কোথায় গেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।

এদিকে হামলার কারণ, জড়িতদের পরিচয় ও গাড়ি ভাঙচুরে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলা-সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলা-সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবরের প্রথম সোমবার দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবার ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিতকরণ ও সুষম নগর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বস্তিবাসী মানুষের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে।

তিনি বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ শুধু একটি ঘরের নিশ্চয়তা নয়; এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তাও জড়িত।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।

পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ারুল কবীর।

রোববার (৪ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ারুল কবীরকে কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

একই আদেশে কর্নেল মো. সাইদুল ইসলামকে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব নিয়োগ ও বদলির আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি