খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আইনি ঝামেলায় টেইলর সুইফট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
আইনি ঝামেলায় টেইলর সুইফট

মার্কিন পপতারকা টেইলর সুইফট। এবার আইনি ঝামেলায় জড়ালো তার নাম। ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ অ্যালবামের কারণে গায়িকার বিরুদ্ধে জেনেশুনে প্রায় একই রকম শিরোনাম ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে লেখক-গায়িকা ম্যারেন ওয়েড মামলা করেছেন বলে খবর দ্য হলিউড রিপোর্টারের।

সোমবার (৩০ মার্চ) ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ম্যারেন ওয়েড।

যেখানে তিনি ইউএমজি রেকর্ডিংস ও সুইফটের বিরুদ্ধে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন ও অন্যায্য প্রতিযোগিতার অভিযোগ এনেছেন। তার ভাষ্য, ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ নামটি গত এক যুগ ধরে গড়ে তোলা ‘কনফেশনস অব আ শোগার্ল’ ব্র্যান্ডকে ‘বিলীন’ করে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

ফলে সুইফট যেন অ্যালবামটির বর্তমান নাম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকেন- আদালতের কাছে এই আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে হারানো মুনাফা, আইনজীবীর ফি ও অন্যান্য ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের আবেদন করেছেন ওয়েড।

এক বিবৃতিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী জেমি পার্কিনেন বলেন, ‌‘একজন একক শিল্পী ১২ বছর ধরে একটি ব্র্যান্ডকে গড়ে তুলেছেন, সেখানে তার চেয়ে বড় কেউ এসে সেটি নাই করে দেবেন- এমনটা হতে দেওয়া উচিত নয়।’

রিয়েলিটি শো ‘আমেরিকাস গট ট্যালেন্ট’-এ অংশ নেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে পরিচিত মুখ ম্যারেন ওয়েড। ২০১৪ সালে তিনি ‘লাস ভেগাস উইকলি’-তে ‘কনফেশনস অব আ শোগার্ল’ শিরোনামে কলাম লেখা শুরু করেন। এতে বিনোদন দুনিয়ার একজন হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে এটি একটি পডকাস্ট ও লাইভ শো-তে পরিণত হয়, যেখানে থাকে পপ ও জ্যাজসংগীতের পরিবেশনা। ২০১৫ সালে কনফেশনস অব আ শোগার্ল ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করেন তিনি।
গত বছর সুইফট তার দ্বাদশ অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ প্রকাশ করেন। প্রথম সপ্তাহে এটি যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ লাখ এবং বিশ্বব্যাপী ৫৫ লাখ ইউনিট বিক্রি হয়ে সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড গড়ে।

মামলার অভিযোগ অনুসারে, সুইফট যখন ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ নিবন্ধন করার জন্য আবেদন করেছিলেন, তখন মার্কিন পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস তা প্রত্যাখ্যান করেছিল, যেহেতু তা ওয়েডের নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস উল্লেখ করেছিল যে, নাম দুটিতে ‘অব আ শোগার্ল’ নামের একটি মূল বাক্যাংশ রয়েছে।
আরো জোর দিয়ে বলা হয়েছিল, দুটি নামই যদি সংগীত ও নাট্য পরিবেশনা-সম্পর্কিত বিনোদনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তবে তা ভোক্তাদের এই বিশ্বাসে পরিচালিত করবে যে দুটির মধ্যে হয়তো এক ধরনের যোগসূত্র রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে এখনও টেইলর সুইফট কিংবা তার টিমের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মুদি দোকান থেকে বিউটি পার্লার, বাড়ছে ভ্যাটের পরিধি 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
মুদি দোকান থেকে বিউটি পার্লার, বাড়ছে ভ্যাটের পরিধি 

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার, রেস্তোরাঁসহ মোট ১৬টি ব্যবসায়ী খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নোত্তরে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। সংসদে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

৩৫ নম্বর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বিগত অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা আছে কি না এবং থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?

জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ এক লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। তিনি বলেন, নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনবার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এগুলো হলো– মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিক্স-এর দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস; মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা: পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনেটারি ও ফিটিংস, টাইলস এর দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্ণিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

নেইমার কত মিনিট খেলবে, জানালেন আনচেলত্তি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
নেইমার কত মিনিট খেলবে, জানালেন আনচেলত্তি

সবঠিক থাকলে প্রায় ৩ বছর পর ব্রাজিলে জার্সি পরে ভোরে মাঠে নামবেন নেইমার জুনিয়র। হাইতি ম্যাচের পর এই কথা আগেই নিশ্চিত করেছিলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে আলোচনা চলছে কতক্ষণ মাঠে থাকবেন এই তারকা ফুটবলার।

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন ছুটে যায় আনচেলত্তির কাছেও। জবাবে তিনি, সে ৯০ মিনিটও খেলতে পারে। ভালো অবস্থায় আছে, খুব কঠোর পরিশ্রম করেছে। অনুশীলনও ভালো হয়েছে। তাকে নিয়ে আমি খুবই খুশি।

নেইমার গত ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় সর্বশেষ চোটে পড়েন। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলের ম্যাচে চোটে পড়ার পর আর জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। তবে অবশেষে স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছেন তিনি।

নেইমারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টির কথাই শুনিয়েছেন আনচেলত্তি, নেইমার প্রস্তুত। সে এই সপ্তাহে ভালো অনুশীলন করেছে, ম্যাচের জন্যও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। আমরা সবাই খুব খুশি। তার গুণগত মান দলকে অনেক কিছু দিতে পারে।

বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৪টায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেই দেখা যাবে তাকে। প্রায় তিন বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর এই ম্যাচ দিয়েই তার ফেরার মঞ্চ প্রস্তুত।

কালের আলো/এসএকে

উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতে জাতীয় নীতি কাঠামো করছে ইউজিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতে জাতীয় নীতি কাঠামো করছে ইউজিসি

দেশের উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে একটি জাতীয় নীতি কাঠামো (ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক) প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

এ কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং একই সঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ সহজ হবে।

বুধবার (২৪ জুন) ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত অগ্রগতি হয়। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ও ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট ড. গ্রেস মুকুপা এ জাতীয় নীতি কাঠামো তৈরিতে সহযোগিতা করছেন। নীতিমালা প্রণয়ন ও পর্যালোচনার জন্য ইউজিসি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়াল ডিগ্রি, জয়েন্ট ডিগ্রি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলাও এর উদ্দেশ্য।

নীতিমালার আওতায় ‘টু প্লাস টু’ মডেল চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর বাংলাদেশে এবং পরবর্তী দুই বছর অংশীদার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানের পৃথক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

বৈঠকে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভীন, আমেরিকান সেন্টারের পাবলিক এনগেজমেন্ট ডিরেক্টর স্কট হার্টম্যান, পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা ও পাবলিক এনগেজমেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বিষয়ক পরিচালক সাকিব এরশাদ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব এডুকেশন তৌফিক হাসানসহ সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ