খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সৈন্যসামন্ত ক্রমশ হারিয়ে ফেলছেন বিসিবি প্রধান

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
সৈন্যসামন্ত ক্রমশ হারিয়ে ফেলছেন বিসিবি প্রধান

প্রবাসজীবনে বাংলাদেশের ক্রিকেট থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আইসিসি’র চাকরি নিয়ে চীন, থাইল্যান্ড এসব দেশে ক্রিকেটের বিস্তারের প্রচেষ্টা করেছেন, বাংলাদেশে কোচিংয়ের দায়িত্ব পেলে বিনে পয়সায় কাজ করার কথাও বলতেন। সেই আমিনুল কোচিং নয়, পেয়ে গেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হয়ে গেলেন। প্রথমে ফারুক আহমেদকে সরিয়ে, এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে। যে নির্বাচন অনেক প্রশ্নবিদ্ধ, প্রতিপক্ষের উপস্থিতিবিহীন। অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সঙ্গে মাসখানেক সময় কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন বুলবুল, উড়িয়ে দিয়েছেন না ফেরার গুঞ্জন। তবে দেশে ফিরলেও আশেপাশে সৈন্যসামন্ত ক্রমশ হারিয়ে ফেলছেন বিসিবি’র প্রধান। বিসিবি পরিচালক ফায়াজুর রহমান মিতু পদত্যাগ করেছেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে। তাকে নিয়ে ২৫ সদস্যের বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করা পরিচালকের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৪।

সবার আগে পদত্যাগ করেছিলেন ইশতিয়াক সাদেক। এরপর আমজাদ হোসেন। এরপর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক মনোনীত ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল। সবশেষ ফায়াজুর রহমান। তার পদত্যাগ পত্রটা এলো এমন সময় যখন বিসিবি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়ানোর জন্য খেলোয়াড় প্রতিনিধি, ক্লাব সংগঠকদের সঙ্গে বসার একটা তারিখ নির্ধারণ করেছে। ফাইয়াজুর রহমান ছিলেন বিসিবি’র শৃংখলা কমিটির প্রধান ও ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিসিবি’র পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে যাওয়া প্রসঙ্গে ফাইয়াজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাইছি না।’

ইশতিয়াক সাদেক তার বাবা সাবেক হকি খেলোয়াড় আব্দুস সাদেক এর অসুস্থতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন পদত্যাগের কারণ হিসেবে। তবে ভেতরের খবর মূলত আমিনুল ইসলামের সঙ্গে দ্বন্দই তার সরে যাওয়ার প্রধান কারণ। ইশতিয়াক টি-স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী যা বাংলাদেশের একমাত্র ২৪ ঘন্টার খেলার চ্যানেল। বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্স এরও তিনি প্রধান নির্বাহী। স্বার্থের সংঘাত মূলক অবস্থান নিয়ে বিসিবি প্রধানের সঙ্গে বিরোধের কারণেই তার সরে যাওয়া, এমনটাই অনেকের ধারণা। আমজাদ পদত্যাগ করেছেন তাকে না জানিয়েই বুলবুলের এনএসসি’র তদন্ত কমিটি গঠন সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমকে পাঠানোকে কেন্দ্র করে। ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল নির্বাচনের মাধ্যমে আসেননি, তিনি বিসিবিতে এনএসসির প্রতিনিধি।

শোনা যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার প্রত্যক্ষ আশীর্বাদেই তার এই পদপ্রাপ্তি। ফয়সালের বাবা মো আবুল কালাম কুমিল্লা-৯ আসন থেকে বিএনপির হয়ে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছেন। উত্তরা ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধি ফায়াজুর রহমান ৪০ ভোট পেয়ে ক্লাব প্রতিনিধিদের ক্যাটাগরি-২ থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৬ মাসেরও কম সময়ে ৪ জন পরিচালককে হারাল বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাজারে চলছে অস্থিরতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
বাজারে চলছে অস্থিরতা

বাজারে নিতপণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলে সরকার রেশনিং আরোপ করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামে বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়া আগের তুলনায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহণ খাতেও খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। যা এক মাস আগেও ১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকা। যা এক মাস আগে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি। আগে ছিল ৭৫০ টাকা। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে অস্থিরতা। আরেক দফা মূল্য বাড়াতে বাজার থেকে উধাও হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি সংকট দেখিয়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। যা এক মাস আগে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে চিনির দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা। যা ঈদের আগে ১০০ টাকা ছিল।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে। তাই দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হবে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের মাঝারি দানার চাল ৬৮ টাকা, সরু চালের মধ্যে মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও প্রতি কেজি সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

নয়াবাজারের ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবজি থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য পণ্যের দাম যেটুকু বাড়ার কথা তার তুলনায় বেশি দাম নেওয়ায় সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

কেজিপ্রতি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এক মাস আগে ছিল ৮০-৯০ টাকা। পটোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম ৩ দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কম ছিল। মূলত ট্রাক ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম বলেন, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাই। মা-বাবা, স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে আমার সংসার। সেখান আমিসহ তাদের খাবার জোগাড় করতে মাসে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল ৪ হাজার, ৫ লিটার তেল ৮৫০, বাসা ভাড়া ১২ হাজার, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগিসহ তরকারি রান্নার উপকরণ কিনতে ৮ হাজার, গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০, সাবান-ডিটারজেন্ট ও শ্যাম্পু ৫০০, মুদি বাজার আরও ২ হাজার, বিদ্যুৎ বিল ১০০০ ও মোবাইল টকটাইমে খরচ হয় ৫০০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহণ ব্যয় বাড়ার প্রভাব সরাসরি পণ্যের দামে পড়ছে। পাশাপাশি বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই বাজারে কঠোরভাবে তদারকি দরকার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি-ফাইনালে উঠেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে শুরুতেই আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং ২৪তম মিনিটে ফেররান তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরে। তবে ৩১তম মিনিটে আদেমোলা লুকমান গোল করে আতলেতিকোকে আবারও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন, যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা আক্রমণ চালালেও দুই দলই নেয় ১৫টি করে শট; লক্ষ্যে ছিল বার্সেলোনার ৮টি ও আতলেতিকোর ৫টি। বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল বাড়াতে পারেনি কাতালানরা, বিপরীতে গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় টিকে থাকে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বার্সেলোনার জন্য। ৭৭তম মিনিটে এরিক গার্সি‌য়া লাল কার্ড দেখলে যোগ করা সময়সহ শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। প্রথম লেগেও তারা খেলেছিল ১০ জনে।

শেষদিকে রবার্ট লেভানদোভস্কি ও রোনাল্ড আরাওহো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জিতেও হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

অন্যদিকে প্রায় ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেই উল্লাসে মাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

কালের আলো/এসএকে

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসাআর/এএএন