খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

রংপুরে হাম-রুবেলায় আক্রান্ত ১১, উপসর্গে শনাক্ত ১১৬ জন

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
রংপুরে হাম-রুবেলায় আক্রান্ত ১১, উপসর্গে শনাক্ত ১১৬ জন

রংপুর বিভাগে হামের সংক্রমণ বাড়লেও গত তিন মাসে কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ সময়ের মধ্যে সাতজনের হাম ও চারজনের রুবেলায় আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ থাকা আরও ৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক কম। এখন পর্যন্ত সাতজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর ১১৬ জনের উপসর্গ থাকায় সন্দেহজনক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে আসা প্রত্যেক রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের দিনাজপুরে ৩ জন ও পঞ্চগড়ে ৪ জন হামের উপসর্গ নিয়ে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়াও, গত ৩০ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত রংপুর বিভাগের আট জেলায় হামের উপসর্গ থাকা ৯৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও ৩০ জন। এর মধ্যে লালমনিরহাটে তিনজন, দিনাজপুরে তিন, গাইবান্ধায় তিন, ঠাকুরগাঁওয়ে সাত এবং দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন ভর্তি রয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ, এই তিন মাসে বিভাগের আট জেলায় মোট ১১৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ২৫ জন, গাইবান্ধায় ২১ এবং রংপুর জেলায় ১৯ জন রয়েছে। এ ছাড়া নীলফামারীতে ১৬ জন, কুড়িগ্রামে ১২, পঞ্চগড়ে ১০, ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ এবং লালমনিরহাটে ৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনের হাম ও চারজনের রুবেলা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর মধ্যে দুই বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যাই বেশি। হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা ও সংক্রমণ রোধে হাসপাতালগুলোতে আলাদা করে আইসোলেশন কক্ষে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে সরেজমিন দেখা যায়, এ বিভাগের তিনটি ওয়ার্ডে ১২০ শয্যার বিপরীতে দ্বিগুণের বেশি রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। তবে সংক্রমণ এড়াতে শিশু বিভাগের পাশের একটি কক্ষকে হামের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশন হাম কর্নার করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়ায় আরেকটি কক্ষ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

চিকিৎসক ও নার্সরা জানিয়েছেন, আসন অনুপাতে দ্বিগুণ রোগীর চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তার ওপর হাম সংক্রামক ব্যাধি হওয়ায় আইসোলেশন প্রয়োজন হচ্ছে। এতে অন্য রোগীদের গাদাগাদি করে রাখতে হচ্ছে।

রমেকের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আয়েশা সুলতানা বলেন, হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের হাম কর্নারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। তবে নতুন আরও রোগী ভর্তি হওয়ায় নতুন করে আরেকটি কক্ষ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক গওসুল আজিম চৌধুরী বলেন, রংপুর বিভাগের দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে হাম রোগীদের জন্য আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের এসব কর্নারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। যেসব শিশু এখনও হামের টিকা পায়নি, তাদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত রংপুর বিভাগে হামের পরিস্থিতি ভাল রয়েছে। আশা করছি আক্রান্তদের চিকিৎসার কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ