খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর বনানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে বনানীর এরশাদ মাঠে হাম প্রকোপ প্রতিরোধে এ বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

টিকাদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ডিএসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরেই প্রয়াত বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে যান তিনি। এ সময় বাবা-মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

চীন ও মালয়েশিয়ায় ছয় দিনের সরকারি বিদেশ সফর শেষে গতকাল ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে যদি ভালো কিছু অর্জন হয়ে থাকে— এটি বাংলাদেশের অর্জন, দেশের মানুষের অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসব কথা বলে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে এই সংসদের পক্ষ থেকে, তার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং আন্তরিকভাবে সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এখানে মূল বিষয় যেটি, এটি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য।

আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে যে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’। যে কাজটি করার চেষ্টা করেছি, আমার অবস্থান থেকে আমি আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত কোন বিষয় নেই। যদি কিছু অর্জন হয়ে থাকে, ভালো কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে— এটি বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি দেশের মানুষের অর্জন।

তারেক রহমান আরও বলেন, যেহেতু সংসদের সকল সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা- উনিও উৎসাহ প্রদান করেছেন দেশের জন্য, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য— সেজন্য আবারো আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সকল সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতাসহ সকল সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে ধানমন্ডি-হাতিরঝিল লেক: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে ধানমন্ডি-হাতিরঝিল লেক: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

রাজধানীর ধানমন্ডি ও হাতিরঝিল লেককে আরও পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে তুলতে সরকার সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেকে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে হাতিরঝিলেও চলমান সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) হাতিরঝিল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লেকগুলো অব্যবস্থাপনার মধ্যে ছিল। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। এখন সমন্বিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেক সুন্দর একটি লেকে পরিণত হবে। অন্যদিকে প্রায় এক মাস ধরে হাতিরঝিল লেকে উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। আমরা নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিদর্শন ও তদারকি করছি।

হাতিরঝিলের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় ও নিরাপদ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সেখানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেকের দুই পাশে মাটি ফেলে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর যাতে কোনো হকার সেখানে বসতে না পারে, সেজন্য আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি আরও বলেন, রেস্টুরেন্ট, বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন কোয়ার্টারে ৫০ শতাংশের বেশি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রতি শনিবার উপজেলা পর্যায়ের সব স্কুল ও কলেজে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ।

মীর শাহে আলম বলেন, সরকার দেশের মানুষকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে কাজ করছে। আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না। তবে অবশ্যই একটি বাসযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ