খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: ফেনীতে দেড় হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: ফেনীতে দেড় হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত!

সারাদেশের মতো ফেনীতেও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফেনীতে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে ৫ হাজার ৩৩৪ জন নিবন্ধন করে অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ৩ হাজার ৭৮৮ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৭১ দশমিক ০২ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষায় ফেনীতে ১ হাজার ৫৪৬ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। অনুপস্থিত থাকার শিক্ষার্থীদের মাঝে সবচেয়ে বেশি ফেনী সদর উপজেলায়। আর উপস্থিতির হারে এগিয়ে ছিলো ফুলগাজী উপজেলা।

জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, ফেনী সদর উপজেলায় ১৮৭৭ জন রেজিস্ট্রেশন করে অংশ নেয় ১২২৫ জন। দাগনভূঞা উপজেলায় ৯৯১ জনের মাঝে অংশ নেয় ৭২৫ জন। সোনাগাজীতে ৮৩৯ জনের মাঝে ৬৩০ জন, ছাগলনাইয়ায় ৬৬০ জনের মাঝে ৪৩৫ জন, পরশুরামে ৪৪৯ জনের মধ্যে ৩৫৩ জন ও ফুলগাজীতে ৫১৮ জন রেজিস্ট্রেশন করে ৪২০ শিক্ষার্থী প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষায় অংশ নেয়। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর মাঝে ফেনী সদরে ৬৫২, দাগনভূঞায় ২৬৬, সোনাগাজীতে ২০৯, ছাগলনাইয়ায় ২২৫, পরশুরামে ৯৬ জন ও ফুলগাজীতে ৯৮ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীর হারে তলানিতে ছিলো ফেনী সদর উপজেলায় মাত্র ৬৫.২৬ ভাগ। উপস্থিতির হারে সর্বোচ্চ ছিলো ফুলগাজীতে ৮১.০৮ ভাগ। এছাড়াও ছাগলনাইয়া উপজেলা উপস্থিতির হার ছিলো ৬৫.৯১, দাগনভূঞায়৭৩.১৬, সোনাগাজীতে ৭৫.০৯, পরশুরামে ৭৮.৬২ ভাগ।

ফেনী সদর উপজেলায় ঠিক কি কারণে অধিক সংখ্যক ৩৪ দশমিক ৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো এর কোন সুস্পষ্ট কারণ জানাতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। তবে উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে ফেনী সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় মনিটরিংয়ে কমতি থাকাকে দুষছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফেনী সদর উপজেলায় অনুপস্থিতির সংখ্যা বেশি হওয়ায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, জেলার অন্যান্য উপজেলায় বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের শিক্ষার্থীরা রেজিস্টেশন মোতাবেক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুপস্থিতির হার বেশি হওয়া উদ্বেগজনক। কারণ এ উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। তেমন কোনো প্রান্তিক জনপদ নেই। শুধুমাত্র শিক্ষা অফিসের প্রয়োজনীয় মনিটরিং কম থাকা ও প্রাথমিক শিক্ষকদের উদাসীনতায় এ সংখ্যা সদর উপজেলায় তলানিতে পড়েছে।

ফেনী সদর উপজেলায় শিক্ষার্থী অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভিন কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

ফেনী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হৃষীকেশ শীল বলেন, জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষায় ৫ হাজার ৩৩৪ জন উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ১ হাজার ৫৪৬ জন অংশ নেয়নি। জেলা এ পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিলো ৭১ শতাংশ। শান্তিপূর্ণভাবে জেলাজুড়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথায়ও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা অথবা বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

কালের আলো/এসাআর/এএএন

কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

১৯৫৪ সালে পবিত্র কাবা তাওয়াফের একটি দৃশ্য, ছবি : সংগৃহীত

মুসলমানদের পবিত্রতম নগরী মক্কা। কাবাঘর ও মসজিদুল হারামকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই শহর শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্র নয়, ইতিহাসের নানা বাঁকে রাজনৈতিক সংঘাত ও সামরিক সহিংসতারও সাক্ষী। সর্বশেষ সেই দীর্ঘ ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের সংঘাত। সৌদি আরবের দাবি, হুতিদের পাঠানো একটি ড্রোন মক্কার দিকে এগোচ্ছিল। মঙ্গলবার মক্কার দক্ষিণে সেটি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয় এবং পবিত্র নগরীর আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। ফলে নতুন এই ঘটনাটি একদিকে সৌদি নিরাপত্তাব্যবস্থার সামনে চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে মক্কাকে ঘিরে অতীতের সংঘাতের স্মৃতিও সামনে এনেছে।

  • ৬৮৩-এর অবরোধ থেকে ১৯৭৯-এর মসজিদুল হারাম দখল
  • ২০১৭-এর ক্ষেপণাস্ত্র দাবি পেরিয়ে এবার ড্রোনের অভিযোগ
  • হুতিদের ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির, অস্বীকার হুতিদের 

অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত কাবা
মক্কায় রাজনৈতিক সংঘাতের ইতিহাস বহু পুরোনো। দ্বিতীয় ফিতনার সময় ৬৮৩ সালে উমাইয়া বাহিনী মক্কা অবরোধ করে। সংঘাতের মধ্যে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ৬৯২ সালেও আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের বাহিনী মক্কা অবরোধ করে এবং কাবাকে ঘিরে লড়াই হয়। সৌদিপিডিয়ার তথ্যেও ওই সময় কাবার ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ রয়েছে। এর প্রায় আড়াই শতাব্দী পর ৯২৯/৯৩০ সালে কারমাতিদের হামলা মক্কার ইতিহাসে আরও ভয়াবহ অধ্যায় তৈরি করে। আবু তাহিরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা হাজিদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং কাবা থেকে হাজরে আসওয়াদ নিয়ে যায়। পাথরটি দীর্ঘ সময় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পর মক্কায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

মসজিদুল হারামে বন্দুকধারীদের দখল
আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ১৯৭৯ সালের মসজিদুল হারাম অবরোধ। ২০ নভেম্বর জুহাইমান আল-ওতাইবির নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি দল মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের জিম্মি করে। তারা মোহাম্মদ আল-কাহতানিকে প্রতীক্ষিত মাহদি হিসেবে ঘোষণা করে সৌদি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহের লড়াইয়ের পর সৌদি বাহিনী মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

হাজিদের মিছিল থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
১৯৮৭ সালে ইরানি হাজিদের রাজনৈতিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মক্কায় ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। সৌদি সরকারি হিসাবে নিহত হন ৪০২ জন—২৭৫ ইরানি, ৮৫ সৌদি এবং ৪২ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক। আহত হন ৬৪৯ জন। তবে সংঘর্ষের কারণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সৌদি আর ইরানি বর্ণনায় তীব্র পার্থক্য ছিল।

বোমা হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্রের ছায়া
১৯৮৯ সালে মসজিদুল হারামের কাছে বোমা বিস্ফোরণে একজন হাজি নিহত ও ১৬ জন আহত হন। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ ১৬ কুয়েতি নাগরিককে এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। অভিযোগে ইরানের সংশ্লিষ্টতার কথাও ওঠে, যা তেহরান অস্বীকার করে।

২০১৭ সালে আবার মক্কার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ তোলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। সৌদির দাবি ছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি মক্কার কাছে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়। হুতিরা অবশ্য মক্কাকে লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করে এবং অন্য লক্ষ্যবস্তুর কথা জানিয়েছিল।

পুরোনো ইতিহাসে নতুন অধ্যায়
মক্কার ইতিহাসে সংঘাতের ধরন বদলেছে—কখনো সেনাবাহিনীর অবরোধ, কখনো সশস্ত্র দখল, কখনো বিক্ষোভ ও বোমা হামলা, আবার কখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি। সর্বশেষ ড্রোনের অভিযোগ সেই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে এবারের ঘটনাতেও মূল প্রশ্ন একই—পবিত্র নগরীর নিরাপত্তা কতটা সংঘাতের বাইরে রাখা সম্ভব।

সৌদি আরব যেখানে মক্কার আকাশসীমাকে কঠোর নিরাপত্তা-সীমা হিসেবে দেখছে, হুতিরা সেখানে সৌদি অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করছে। ফলে ঘটনাটির সামরিক তাৎপর্যের পাশাপাশি এর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও নজরে রাখার বিষয় হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: সৌদি পিডিয়া, ওয়াশিংটন পোস্ট, ইউপিআই, আরব নিউজ, উইকিজিরো

কালের আলো/এম/এএইচ

কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কারখানার ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি কাবার ভেতর থেকে পাঁচজনের ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে পড়ে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুলাল নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, একটি কভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়।

নতুন দামে ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত এ দাম সমন্বয় করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি