খুঁজুন
                               
, ,
           

হামের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেড ক্রিসেন্টের ছয় মাসের কর্মসূচি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
হামের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেড ক্রিসেন্টের ছয় মাসের কর্মসূচি শুরু

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) যৌথভাবে ছয় মাসব্যাপী একটি জরুরি সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাম সংক্রমণের কারণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬ লাখ মানুষের কাছে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু, তাদের অভিভাবক এবং স্বাস্থ্য ব্যয়ের চাপের মুখে থাকা পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে আইএফআরসি বাংলাদেশ ডেলিগেশনের সিনিয়র কমিউনিকেশনস অফিসার সামিউল ইসলাম শোভনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সরকারের সহায়ক হিসেবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর লক্ষ্য সংক্রমণ কমানো, স্থানীয় পর্যায়ে হাম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। কক্সবাজার অঞ্চলে, যেখানে ঘনবসতি ও সীমিত সম্পদের কারণে ঝুঁকি বেশি, সেখানে ক্যাম্প পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এই কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৯৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে পরিবারপ্রতি ৬ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া ৫০ হাজার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। হামের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সহায়তা দেওয়া হবে। ১ হাজারের বেশি প্রশিক্ষিত রেড ক্রিসেন্ট যুব স্বেচ্ছাসেবককে কাজে লাগানো হবে, যাদের মধ্যে ২৫০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক টিকাদান কেন্দ্রে সহায়তা করবেন। সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ; অভিভাবক, স্বেচ্ছাসেবক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং গুজব প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম এনডিসি বলেন, হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি একটি গুরুতর জাতীয় জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশুদের ওপর। দেশের অন্যতম বৃহৎ মানবিক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দিতে কাজ করছে। আইএফআরসির জরুরি সহায়তার ফলে এখন আমরা আমাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে পারছি। নগদ সহায়তা প্রদান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা এবং প্রয়োজনের সময় আক্রান্ত শিশুর অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হচ্ছে।

বাংলাদেশে আইএফআরসির হেড অব ডেলিগেশন আলবার্তো বোকানেগ্রা বলেন, প্রতিটি হাম আক্রান্ত শিশুর পরিবার উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা ও আর্থিক চাপে রয়েছে। রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রতিদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন, জীবনরক্ষাকারী তথ্য পৌঁছে দিচ্ছেন এবং মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা নিতে সহায়তা করছেন। এই জরুরি তহবিলের মাধ্যমে আইএফআরসি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সহায়তা দিচ্ছে। কমিউনিটি পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করা, হাসপাতালের ওপর চাপ কমানো এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টকে সময়োপযোগী ও জীবনরক্ষাকারী সহায়তা দিতে এটি ভূমিকা রাখছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আমরা আমাদের সহায়তা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচিকে সহায়তা করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে, নিরাপদে এবং আস্থার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারে।

কালের আলো/এসএকে

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও আইডিএর মধ্যে এ সংক্রান্ত ২১ কোটি ৯২ লাখ স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেম নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ নামের প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ইআরডি জানিয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তা জোরদার হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর তৃতীয় দফার লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অভিমুখে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে দাবি করে এবারও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবিও জানান তিনি।

লংমার্চের কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। সকাল ৮টায় মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, ফকিরহাট ও রূপসা ব্রিজ হয়ে খুলনায় যাবে লংমার্চের বহর।

এরপর খুলনা থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জিলা স্কুল মাঠে পৌঁছাবে লংমার্চের বহর। রাত সাড়ে ৮টায় সেখানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর, ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের চাচড়ার মোড় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, লংমার্চ চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, পথচারী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কোনো পক্ষ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে কর্মীদের ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাতেও নিন্দা জানানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাট বন্ধে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো কার্যক্রম সিসিটিভি মনিটরের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন এ নোটিশ পাঠান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দেশে আসা ও বিদেশগামী যাত্রী, পর্যটক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের লাগেজ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগ রয়েছে। একটি অসাধু চক্র তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করছে। এতে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চুরি বন্ধে লাগেজ পরিবহন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নোটিশে। এ জন্য উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ খালাস, ট্রলিতে তোলা, র‍্যাম্প এলাকা দিয়ে পরিবহন এবং ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম উচ্চমানের সিসিটিভির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অ্যারাইভাল লাউঞ্জে বড় পর্দার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া যাত্রীদের সামনে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা বা তল্লাশির প্রয়োজনে কাস্টমস কিংবা কোনো নিরাপত্তা সংস্থা যাত্রীর লাগেজ খুললে বা পরীক্ষা করলে সেই কার্যক্রমও ক্যামেরায় ধারণ করে যাত্রীর সামনে সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি