খুঁজুন
                               
, ,
           

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা হাম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পেরেছি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন কী অবস্থা ছিল। সবার প্রচেষ্টায় আমরা হাম মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে সক্ষম হচ্ছি। অনেক ডাক্তারদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। একটা চীনা টিমের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। আমারও কিন্তু ছোটবেলায় হাম হয়েছে, আমার মনে আছে এবং তখনকার মায়েদের একটা কথা ছিল, জন্মের পরে একবার হাম হবেই। একবার জলবসন্ত হবেই।

শিশুদের মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হয়, এখনকার মায়েরা ব্রেস্টফিডিংয়ে অভ্যস্ত না। দিন দিন কমে আসছে। একদিকে সিজারিয়ান অপারেশনে বেবি হওয়া, তার শারীরিক গঠন অত্যন্ত দুর্বল এবং মারাত্মক হুমকির মুখামুখি নিয়ে যায় শিশুকে। একটি বাচ্চা যখন মায়ের পেটে গড়ে ওঠে, যতক্ষণ না আল্লাহ নির্ধারিত সময়ে সে বের হবে, দুনিয়ার মুখ না দেখবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে মায়ের কাছ থেকে পেটে পুষ্টি নিতেই থাকে।

এ সময় পুষ্টিকর্মীদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমার অনুরোধ থাকবে আপনাদের কাছে, যারা ঘরে ঘরে যান, মায়েদেরকে বলা যাতে করে বাচ্চাদেরকে বুকের দুধ পান করান।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষিত মহিলাদের মধ্যে কর্মজীবীরা কাজের দোহাই দেন। কেন! কাজে যাওয়ার আগেও তো একটা সময় থাকে। কাজ থেকে ফিরে এসে সময় থাকে, সেই সময়টা তো দুইবেলা অন্তত বাচ্চাকে বুকের দুধ দেওয়া যায়।

সমাজ থেকে মাদক দূর করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন নির্বাচন করি, নেশার কথা অনেকে বলেছে। আমি বক্তব্যে বলতাম যে, ভালো কথা আমরা নেশা দূর করব, কিন্তু আপনারা যারা আপনাদের সন্তানদেরকে সন্ধ্যার পরে ঘরের বাইরে রাখেন; পাখিরা সব নীড়ে ফিরে, কিন্তু আমাদের বাচ্চারা বাইরে থাকে কী করে?

কালের আলো/এসএকে

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ-৮১) অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই হবে তাঁর প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ।

অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সাইডলাইন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন তিনি। জাতিসংঘ সফরের আগে অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এখন সফরসূচি চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে নোট ভার্বাল পাঠিয়ে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে সফরকাল হবে আট থেকে দশ দিন। নিউইয়র্কে অধিবেশন শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেশে ফিরবেন তিনি।

এবারের অধিবেশনে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রায় চল্লিশ বছর পর একই সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান ও সাধারণ পরিষদের সভাপতির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলে নজর কেড়েছে।

২০০৬ সালে শেষবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর এবারের সফরকে স্মরণীয় করে তুলতে নিউইয়র্কে বড় নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে ভার্চুয়াল প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করেছেন। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নেতাকর্মীরা নিউইয়র্কে জড়ো হবেন।

সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ছিল গত জুনে মালয়েশিয়া ও চীন। সেখানে জনশক্তি রপ্তানি, বাণিজ্য ও অন্যান্য বিষয়ে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর বেশ কয়েকটি দেশ থেকে আমন্ত্রণ এলেও জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে অন্য কোনো সফর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সাগরে লঘুচাপ, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপ, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতেই এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তবে এই লঘুচাপের নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম বলেই জানান আবহাওয়াবিদেরা। এতে বেশি বৃষ্টিও হবে না।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আর রাজধানীতেও দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে।

চলতি মাসে ইতিমধ্যে দুই দফায় নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাতে খুব বেশি বৃষ্টি হয়নি। এবারের লঘুচাপটির আবার নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কমে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক। আজ সকালে তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হয়তো কিছুটা বাড়তে পারে। তাতে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে।

আবহাওয়ার বার্তায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

গতকাল দেওয়া ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, এবারের এ লঘুচাপ বাংলাদেশে তেমন কোনো প্রভাব সৃষ্টি করবে না। এ সপ্তাহে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হলেও টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে আগামী রোববার বৃষ্টি বাড়তে পারে। আর এর দুই দিন পর আবার একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, আজ দুপুর বা বিকেলের দিকে রাজধানীতে বৃষ্টি হতে পারে। তবে এ বৃষ্টি বেশি হবে না।

গতকালের চেয়ে আজকের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলেও আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি হতাশার বহি:প্রকাশ: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি হতাশার বহি:প্রকাশ: ইরান

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে হতাশার বহি:প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছে তেহরান।

রোববার (২৩ আগস্ট) টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় আরাঘচি বলেন, সামরিক অভিযান থেকে আবার পুরোনো নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনায় ফিরে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের হতাশারই প্রমাণ।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ওয়াশিংটনের নতুন নিষেধাজ্ঞাও ইরানকে পরাজিত করতে পারবে না।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞ ঘোষণা করতে পারেন বলে হুমকি দিয়েছেন।

এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি ব্যাপক চাপে রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা হয়েছে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর ইরানে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের মধ্যেও ইরান পিছু হটেনি। হরমুজ প্রণালিতে অনুমোদনহীন তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। বিশ্বের তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে কার্যত অবরোধ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, তারা সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে আবার পুরোনো পরিকল্পনা সামনে আনছে—এটি তাদের হতাশারই প্রমাণ।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ন্যায্য ও সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছাতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে সম্মানের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা কখনো ভয় পাইনি। তাদের সব পদক্ষেপ—অবরোধ হোক বা সামরিক অভিযান—ব্যর্থ হয়েছে। তাদের এই নতুন পদক্ষেপও ব্যর্থ হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ