খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কঠোর সমালোচনা পার্থর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কঠোর সমালোচনা পার্থর

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

তিনি বলেন, ওই সময় রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি নতুন প্রজন্মকে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এমপি পার্থ দাবি করেন, গত দেড় দশকের শাসনামলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে পড়ছে।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনাহীন সিদ্ধান্তের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি। শেয়ারবাজার সংকট, বিভিন্ন আন্দোলন-সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়গুলো তরুণরা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারছে না।

এমপি পার্থ বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অতীতে। বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও বাস্তবতার সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।

পার্থ আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী’

Oplus_131072

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন।

শনিবার (৩০ মে) ঢাকার শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাক্সক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি বিএনপি এবং এদেশের সমগ্র গণমানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত ও স্মৃতিময় একটি দিন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ। আমরা এই গভীর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছি।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে সমস্ত মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য তৈরি করে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের আদর্শের রাজনীতি করি।

গণতন্ত্রের প্রতি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই দেশটিকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা হবে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের যে চেতনা, তার আলোকেই দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা হবে।

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় বেগম জিয়ার সীমাহীন ত্যাগ ও সংগ্রামের কথাও সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি লড়াই ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমরা এখানে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য দোয়া করেছি এবং দেশ ও জনগণের সেবায় নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছি।

কালের আলো/এসএকে

বিএনপির একজন কর্মী বেঁচে থাকা পর্যন্ত আ.লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
বিএনপির একজন কর্মী বেঁচে থাকা পর্যন্ত আ.লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন কর্মী বেঁচে থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।

শনিবার (৩০ মে) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি রাঙ্গুনিয়াবাসীর পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে আমরা এই মাজারে নিয়মিত আসছি। আমাদের যেকোনো জাতীয় কর্মসূচি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলেও আমরা এখানকার দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে তা শুরু করি।

বিগত সরকারের আমলে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ তুলে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, কয়েক বছর আগেও যখন আমরা এখানে দোয়া করতে ও ফুল দিতে আসতাম, তখন নানা বাধার সম্মুখীন হতে হতো।

আমাদের অনেক সময় রাতের আঁধারে কিংবা ফজরের সময় এখানে আসতে হয়েছে। সবসময় হামলার আশঙ্কা ছিল।

তিনি আরও বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করেছিল, তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

পরে শহীদ জিয়ার সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Oplus_131072

ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরেজমিন তদারকি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে টকশোসহ জনপরিসরে বিষয়টি নিয়ে মতামত দিচ্ছেন অনেকে। এটিকে যেমন ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, আবার অনেকে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই পরিদর্শনে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগে, কো রবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঈ দের আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনা কতটা বাস্তবায়ন হচ্ছে, তা দেখতে ঈ দের পরদিন তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন।

একইসঙ্গে, স্থানীয় সরকার বিভাগকে দেওয়া আরেক নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।

ঈদের দ্বিতীয় দিন রাজধানীতে কো রবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নামেন প্রধানমন্ত্রী। গুলশান থেকে শুরু করে হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, পুরান ঢাকা, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বা জার এলাকায় কো রবানির বর্জ্য ও জমে থাকা ময়লা দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রকাশের পর শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে হাতিরঝিল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈ দের সময় সেখানে পশুর বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গ ন্ধ ও পরিবেশদূষণের সৃষ্টি হয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

কো রবানির বর্জ্য অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ ইতিবাচক দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, নগরবাসীর স্বস্তির জন্য পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ভালো কাজের প্রশংসা হওয়া উচিত। তবে এসব উদ্যোগের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সহ সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা সরকারের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। সাময়িক পদক্ষেপের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, কো রবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ সময়োপযোগী। বিষয়টি নিয়ে মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সন্ধানী বার্তা/এসএকে