খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ফাঁকা ঢাকার বাতাস আজ সহনীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
ফাঁকা ঢাকার বাতাস আজ সহনীয়

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি এবং টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার

বায়ুর মানে লক্ষণীয় উন্নতি হয়েছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকা, গণপরিবহন ও ধূলিকণা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যাওয়ায় মেগাসিটি ঢাকার বাতাস এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান পরিমাপক সংস্থা ‘এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স’ (AQI) অনুযায়ী, ঢাকার বায়ু দূষণের স্কোর ৮২। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত প্রধান ১২৭টি শহরের তালিকায় ঢাকা আজ ১৯তম অবস্থানে রয়েছে। পরিবেশের পরিভাষায় এই মানকে ‘মাঝারি’ বা সহনীয় পর্যায় বলা হয়।

দূষণের এ তালিকায় ২১৭ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনসাসার স্কোর ১৮৯। তৃতীয় স্থানে চিলির সান্তিয়াগোর স্কোর ১৫০। এ ছাড়া চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কোর ১৪৫।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার স্কোর ১৪২।

দেশের ৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদে রাজধানীতে যানবাহন ও নির্মাণকাজ কমে যাওয়া এবং অধিক পরিমাণে বৃষ্টি হওয়াতে বায়ুদূষণের মাত্রা তাৎক্ষণিকভাবে কমে এসেছে। টানা বৃষ্টিতে ধুলাবালিও কমে গেছে, যার ফলে আজ মেগাসিটি ঢাকার বাতাস সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

একিউআই মান অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১০০ স্কোর থাকলে তখন বায়ুর গুণমানকে ‘মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে তাপমাত্রা কমায় ও বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় দূষিত কণাগুলো নিচের দিকে আটকে থাকে। ফলে এই সময়ে সাধারণত ঢাকার বাতাস আরও বেশি দূষিত হয়।

বায়ু দূষণের কারণে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর (শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা থাকা ব্যক্তি) নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এই অবস্থায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

বুধবার (২৪ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৯টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৯ হাজার ৮৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৮৯টি ফ্লাইটে ২৮ হাজার ৮৪৫ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৮৮০ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩২৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই কৃষক ও কনটেন্ট নির্মাতা কবির হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, কবির হোসেন ছিলেন একজন কর্মঠ, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও কৃষিপ্রেমী মানুষ। কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং কৃষকের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের বাস্তব চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ কৃষক ও কৃষি অঙ্গনের পরিচিত মুখকে হারালো।

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবির হোসেন ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষকের জীবন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নানা দিক তুলে ধরে কবির হোসেন ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তদন্তে তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ