খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

যাওয়ার সময় হয়েছে : সালাহ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
যাওয়ার সময় হয়েছে : সালাহ

লিভারপুলের সঙ্গে মোহাম্মদ সালাহর ৯ বছরের সম্পর্ক ভাঙতে চলেছে। দুই বছরের নতুন চুক্তি করলেও এক বছর আগেই অব্যাহতি চেয়েছেন মিশরীয় ফরোয়ার্ড। ক্লাবও তাকে ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে। বেশ কিছু কারণে ধারণা হতে পারে, তাকে ক্লাব ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। কিন্তু এই মিশরীয় ফরোয়ার্ড জোর দিয়ে বললেন, মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি তিনি এবং স্বেচ্ছায় চলতি মৌসুমের পর অ্যানফিল্ড ছাড়ছেন।

লিভারপুলে সালাহ তার এই বিদায়ী মৌসুম নিঃসন্দেহে ভুলে থাকতে চাইবেন। নিজেও স্বীকার করেছেন কঠিন এক সময় পার করতে হয়েছে তাকে। ফর্ম নিচের দিকে থাকায় গত ডিসেম্বরে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ আর্নে স্লট। একটা সময় হতাশ কণ্ঠে সালাহ বলেন, তাকে বাসের নিচে ছুঁড়ে দিয়েছে ক্লাব। কোচের সঙ্গেও তার রেষারেষির গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসে।

আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের পর ৩৩ বছর বয়সীর সঙ্গে ক্লাব ও স্লটের উষ্ণ সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সাবেক লিভারপুল অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ডের সঙ্গে টিএনটি স্পোর্টস-এর এক সাক্ষাৎকারে সালাহ বলেছেন, ‘পুরো মৌসুমজুড়ে আমার মনে হয়েছে এখনই এটা করার সঠিক সময়। আমি এটা নিয়ে খুশি। আমাদের সবার জন্য মৌসুমটা কঠিন ছিল, আমি বেশি কিছু বলতে চাই না।’

তিনি আরও বললেন, ‘আমি এনিয়ে খুব খুশি। এই মৌসুমে যা কিছু হচ্ছে তাতে মনে হয়েছে ‘না, এখন যাওয়ার সময়’। তাই আমি খুব খুশি।’ ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে চোট পাওয়ার কারণে মাঠের বাইরে সালাহ। আশঙ্কা করা হচ্ছিল, আর হয়তো মাঠে ফিরতে পারবেন না তিনি। কিন্তু স্বস্তির খবর, আবার দেখা যাবে তাকে লিভারপুলের জার্সিতে। ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে মৌসুমের শেষ হোম ম্যাচেই সম্ভবত তাকে জমকালো বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ওই ম্যাচের আগেই তিনি ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী।

সালাহ বললেন, ‘সত্যি বলতে আমি মনে করি আমার অনেক কিছু দেওয়ার আছে। শারীরিকভাবে আমি ভালোবোধ করছি। এই মৌসুমে আমি অনেক খেলা খেলেছি। আমি কী করতে যাচ্ছি, সেটা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। আমার হাতে অনেক বিকল্প আছে, যেগুলো ভালো বিকল্প।’

কালের আলো/এম/এএইচ

হজ শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
হজ শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন জামায়াত আমির

পবিত্র হজ পালন শেষে আগামীকাল সোমবার দেশে ফিরবেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তিনি সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২০ মে হজ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। হজ যাত্রার আগে বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত নেতারা তার সুস্বাস্থ্য, নিরাপদ সফর এবং হজ পালন শেষে সুস্থভাবে দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য দোয়া কামনা করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, হজকালীন ডা. শফিকুর রহমান দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করা হবে।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাই দহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ঝিনাই দহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ আছে তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধীদল থেকে পাঁচজন সদস্য চাওয়া হয়েছে। তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন, তারা পরে সিদ্ধান্ত জানাবে। এখন আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সমাজের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ড দেবে। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরহিতদের সরকারিভাবে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ
ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

ঈদুল আজহার ছুটির শেষ দিনেও রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকেই পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে হাজারো মানুষ ভিড় করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই বিনোদনকেন্দ্রে।

বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ, জেব্রা, ভাল্লুক, বানর ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখতে শিশু থেকে বয়স্ক সবার মধ্যেই ছিল ব্যাপক আগ্রহ। প্রাণীদের এক ঝলক দেখার জন্য বিভিন্ন খাঁচার সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতেও দেখা যায় দর্শনার্থীদের।

রোববার (৩১ মে) সরেজমিনে জাতীয় চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা যায়, প্রবেশ ফটক থেকে শুরু করে ভেতরের প্রায় প্রতিটি অংশেই মানুষের ভিড়। ছুটির শেষ দিন হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। শিশুদের হাত ধরে বাবা-মা, দলবেঁধে আসা তরুণ-তরুণী এবং পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো চিড়িয়াখানা।

বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে প্রাণীটিকে দেখছিলেন মোহাম্মদপুর থেকে আসা তরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাচ্চাদের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল চিড়িয়াখানায় আসার। ঈদের ছুটির শেষ দিন হওয়ায় তাদের নিয়ে চলে এসেছি। বাঘ ও সিংহ দেখেই তারা সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছে।

হাতির আবাসস্থলের সামনে দেখা যায় শিশুদের উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি। বাবা-মায়ের কাঁধে চড়ে কিংবা হাত ধরে দাঁড়িয়ে তারা বিশাল আকৃতির প্রাণীটিকে দেখছে। মিরপুর থেকে আসা সুরাইয়া আক্তার বলেন, আমার ছেলে বইয়ে হাতি দেখেছে, টেলিভিশনেও দেখেছে। কিন্তু সামনে থেকে দেখে ওর আনন্দের শেষ নেই।

জিরাফের খাঁচার সামনেও ছিল মানুষের ভিড়। লম্বা গলা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণীটিকে দেখে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। গাজীপুর থেকে আসা মাবরুর মুন্তাসির বলেন, জিরাফ সব সময়ই আমার পছন্দের প্রাণী। বাচ্চাদের নিয়েও এখানে এসেছি। ওরাও খুব আনন্দ পাচ্ছে।

চিড়িয়াখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, সিংহের খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। অনেকেই সিংহের চলাফেরা দেখার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। প্রাণীটি একবার গর্জন করলে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি হয়।

পাখির অভয়ারণ্যেও ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। ময়ূর, টিয়া, কাকাতুয়া ও বিভিন্ন বিদেশি প্রজাতির পাখি দেখতে আগ্রহী ছিলেন অনেকে। রামপুরা থেকে আসা মুনিয়া রহমান বলেন, পাখিগুলো খুব সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে ময়ূর দেখার জন্যই আমি এখানে বেশি সময় কাটিয়েছি।

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ঈদের ছুটিতে ঢাকায় খুব বেশি ঘোরাঘুরির সুযোগ থাকে না। তাই বন্ধুরা মিলে চিড়িয়াখানায় এসেছি। অনেক দিন পর এসে বেশ ভালো লাগছে।

দুপুর ১১টা পর দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে। টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। বিভিন্ন খাঁচার সামনে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে দেখা যায়। তবে ভিড় নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তাকর্মী ও আনসার সদস্যদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা নাজমা বেগম বলেন, এখনকার শিশুরা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কাটায়। বাস্তবে পশুপাখি দেখানোর জন্য সন্তানদের এখানে নিয়ে এসেছি। তারা প্রাণীগুলো দেখে অনেক কিছু জানতে পারছে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমান জানান, ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শনার্থী এসেছে। আজ ছুটির শেষ দিনেও মানুষের উপস্থিতি সন্তোষজনক। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গতকাল ১ লাখের বেশি দশর্নার্থী এসেছিল, তার আগেরদিন ৮০ হাজার মত, ঈদেরদিন ১৬ হাজার মত। তবে আজ সবচেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ