খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আত্মহত্যা নিয়ে তরুণদের যে আহ্বান জানালেন প্রতিমন্ত্রী নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
আত্মহত্যা নিয়ে তরুণদের যে আহ্বান জানালেন প্রতিমন্ত্রী নুর

ছোট ছোট অপ্রাপ্তি বা সাময়িক ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর।

তিনি বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণ, ইতিবাচক মানসিকতা এবং ছোট ছোট উদ্যোগই জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

শনিবার (২ মে) রাজধানীর বাংলা একাডেমির শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে আঁচল ফাউন্ডেশনের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং একটি সমন্বিত সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত দিনব্যাপী এই সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘জেনারেশন জেড, আলফা ও বেটা প্রজন্মের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা’।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে মানসিক চাপ ও হতাশা বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে আত্মঘাতী প্রবণতায় রূপ নিচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জীবনে ব্যর্থতা আসবেই, তবে সেই ব্যর্থতাকে শক্তিতে রূপান্তর করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়েই ছোট ছোট উদ্যোগ নিলে ধীরে ধীরে সফলতার পথ তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ, এমপি। তিনি তরুণদের মানসিক চাপ মোকাবিলায় বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনা তুলে ধরে সঠিক মেন্টর, পরিবার ও বন্ধুর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাজিদা ফাউন্ডেশনের মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট রুমা খন্দকার। তিনি বর্তমান প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য সংকট, এর সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব এবং কার্যকর মানসিক স্বাস্থ্য ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বহুমাত্রিক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এছাড়া অতিথি বক্তা হিসেবে ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. সায়েদুল ইসলাম সাঈদ কিশোর ও তরুণদের মধ্যে বাড়তে থাকা মানসিক সমস্যার কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. ফয়সাল রাহাত দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই এ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জান্নাতুল নওরিন উর্মি, যিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে মানসিক সংকট মোকাবিলার বাস্তবধর্মী দিক তুলে ধরেন এবং তরুণদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

জাতীয় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ডা. এসএম মুস্তাফিজ বলেন, ২৫ বছরের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্ত করা গেলে এর বড় অংশ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন চিফ মেন্টর মো. সোহেল মামুন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশের ১০ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ
দেশের ১০ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা

দেশের অন্তত ১০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্যদিকে গতকাল রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা-ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এছাড় ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

টাংগাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাতিতে রডবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই ট্রাকে চেপে ঈদযাত্রায় উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন। 

সোমবার (২৫ মে) ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

কালিহাতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ইনচার্জ আতাউর রহমান ঘটনাস্থল থেকে ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভোর ৪টার দিকে রডসহ যাত্রীবোঝাই করে একটি ট্রাক উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায় ট্রাকটি। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ১৫ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কুড়িগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টিপাতে ফসলহানি : ঈদ আনন্দ নেই কৃষক পরিবারে

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টিপাতে ফসলহানি : ঈদ আনন্দ নেই কৃষক পরিবারে

আগাম ও রেকর্ড বৃষ্টিপাতের কারণে ব্যাপক ফসলহানির মুখে পড়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার কৃষকরা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং ফসলের ন্যায্য মূল্য না থাকায় জেলার শত শত কৃষক পরিবার এবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম কৃষিপ্রধান জেলা কুড়িগ্রাম। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে চলতি বছর আগাম ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে জেলায় বোরো ধান, পাট, ভুট্টা ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের খেত নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাঁন্দামারী গ্রামের প্রায় শতাধিক কৃষকের শত শত একর বোরো ধান তলিয়ে গেছে।

বাধ্য হয়ে এসব জমি থেকে কোমর পানিতে নেমে আধা পাকা ধান কেটে নিচ্ছেন তারা। মাঠের পাকা বোরো ধানসহ নানা ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এবং হাতে নগদ টাকা না থাকায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চরম দুশ্চিন্তা ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক।

অতিবৃষ্টির কারণে জেলার বিস্তীর্ণ বোরো ফসলের জমি, আলু, সবজি ও ভুট্টার খেত সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে। ফলে আয়ের প্রধান উৎস নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকরা ঈদ আনন্দের বদলে পড়েছেন তীব্র আর্থিক সংকটে। হাতে নগদ অর্থ না থাকায় পরিবারের জন্য নতুন পোশাক বা ঈদের প্রয়োজনীয় সওদা করাও তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের কৃষক নওশাদ আলী বলেন, “ফসল হারিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি। এবার কোরবানি দেওয়া তো দূরের কথা, সাধারণ বাজার করাই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

আরেক কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, তলিয়ে যাওয়া ফসল কাটতে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে, তার ওপর শ্রমিকের মজুরিও বেশি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা নিজেরাই ধান কাটছি। ঋণ করে আবাদ করেছিলাম, কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে ধান ভালো হয়নি।

বাজারেও এখন ধানের দাম কম, তাই চরম বিপাকে পড়েছি। ভেবেছিলাম আবাদ ভালো হলে কিছু ধান বিক্রি করে কোরবানি দেব, কিন্তু তা আর হলো না। ছেলে-মেয়ের জন্য ঈদের নতুন কাপড়ও এখনো কিনতে পারিনি।

চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়ী হাট এলাকার আমেনা বেগম বলেন, বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে পারছি না। আশা ছিল ধান বিক্রি করে জামা-কাপড় কিনব, এখন দেখছি আর কেনা হবে না।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, চলতি মাসের ১৩ মে এক দিনেই ১৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া গত এপ্রিল মাসে ১৭৬ মিলিমিটার এবং ২১ মে পর্যন্ত ৬১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

যাত্রাপুর হাটের ইজারাদার আব্দুর রহিম বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার স্থায়ী-অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে ক্রেতা ও পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে বেচাকেনা অনেক কমে গেছে।

সাধারণত প্রতিটি কোরবানির হাটে গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০-এর বেশি পশু বিক্রি হতো। কিন্তু এবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে হাটে গড়ে ১০০ থেকে ১৫০টি পশু বিক্রি হচ্ছে। এই বৈরী পরিবেশ স্থানীয় পশুর হাটসহ সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি কুড়িগ্রামের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জেলার অনেক কৃষক এবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ধান, ভুট্টাসহ কাটা ফসল ঘরের শুকনো স্থানে ছড়িয়ে কিংবা উঁচু স্থানে রেখে বাতাস ও রোদে শুকানোর পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

২০ মে পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর এবং রৌমারী উপজেলায় ৫১ হেক্টর জমির বোরো ধান, পাট ও শাক-সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে ৪০০ জন কৃষকের প্রায় ৩৩ লাখ ৬২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি