খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন রোববার, পদক পাচ্ছেন ১০৭ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন রোববার, পদক পাচ্ছেন ১০৭ সদস্য

Oplus_131072

শুরু হচ্ছে যাচ্ছে চার দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬।  রোববার (১০ মে) উদ্বোধনী দিনে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে সাহসিকতা, বীরত্ব ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশের ১০৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তাদের পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতি বছরের মতো এবারও পুলিশ সপ্তাহকে ঘিরে নানা প্রত্যাশা রয়েছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে। আগের বছরের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতির পাশাপাশি সরকারপ্রধানের কাছে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরার সুযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন পুলিশের নীতিনির্ধারকরা।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের পুলিশ সপ্তাহে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, দূতাবাস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন, কেন্দ্রীয় সাইবার ক্রাইম ইউনিট গঠন, পুলিশের জন্য আলাদা মেডিকেল সার্ভিস চালু, সিলেট ও বরিশালে নতুন ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন, চট্টগ্রামের জঙ্গল ছলিমপুরে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং এভিয়েশন পুলিশ গঠন।

কালের আলো/এসএকে

কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কলেজছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

ঢাকায় এসে পৌঁছেছে বৃষ্টির মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ঢাকায় এসে পৌঁছেছে বৃষ্টির মরদেহ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের পর নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে।

শনিবার (৯ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট (ইকে-০৫৮২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তার মরদেহ গ্রহণের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবেন।

মরদেহ বুঝে নিতে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন বৃষ্টির স্বজনরা। তার মা ও বাবা বাকরুদ্ধ। তাদের স্বপ্ন নিমিষেই শেষ। স্বজন ও সহপাঠীরা জানান, বৃষ্টি অত্যন্ত মেধাবী ও চঞ্চল মেয়ে ছিলেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে বৃষ্টির স্বপ্ন ছিল পরিবার ও দেশের জন্য কিছু করবেন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চান সবাই।

গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইট বৃষ্টির মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। এই যাত্রায় ট্রানজিট হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। সেখান থেকে দুবাইয়ে ফ্লাইট পরিবর্তন করে ইকে ০৫৮২ ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ নিয়ে ঢাকায় আসা হয়।

এর আগে, গেল সোমবার (৪ মে) সকালে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা পিএইচডির দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) বসন্তকালীন সমাবর্তনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধির হাতে সম্মানসূচক ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় তাদের সম্মানে অনুষ্ঠানস্থলে দুটি চেয়ার ফাঁকা থাকে।

গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। আট দিন পর ২৪ এপ্রিল জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েকদিনের ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ৩০ এপ্রিল শনাক্ত হয় বৃষ্টির মরদেহ।

দুই শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জামিলের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহ-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২৬ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দুটি ফার্স্ট-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর তার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আগামী ১৮ মে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় হিলসবরো কাউন্টি আদালতে মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। মামলার প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করবেন লিঞ্জি হোজেস। তাকে সহায়তা করবেন স্কট হারমেন, জন টেরি এবং জেসিকা কোভারটিয়ার।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ভাড়াটিয়া ফোরকান মিয়ার স্ত্রী, তিন সন্তান ও তার এক শ্যালক রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।

শনিবার (৯ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম।

ওসি জানান, স্থানীয়রা সকালে বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন— ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন, তার তিন কন্যা সন্তান মিম, মারিয়া, ফারিয়া এবং শ্যালক রসুল মিয়া। নিহতদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়। তারা কাপাসিয়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাতার প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন ফোরকান ও তার পরিবার। শুক্রবার রাতে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা দেখতে পান প্রতিবেশীরা। শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বাড়িতে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ভেতরে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন।

কাপাসিয়া-কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক রয়েছেন।

গাজীপুর পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দীন বলেন, ফোরকান মিয়ার স্ত্রী, তার তিন সন্তান ও শ্যালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, এই ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দায়ীদের শাস্তি দাবি করছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ