খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন উচ্চতায় নিতে বর্তমান সরকার ইনডোর ও আউটডোর সব ধরনের খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীতে ‘প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লীগ-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ দু-একটি খেলার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার সব খেলাকে সমানভাবে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ২৮টি ফেডারেশনের ৩০০ জন খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা হারে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গত মে মাস থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিতে ব্যাডমিন্টনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ শাটলার তৈরি সম্ভব হবে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণকাজ শুরু হবে। এসব ভিলেজে আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়ামের সুবিধাও থাকবে।

এ সময় ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি মানসম্মত প্রশিক্ষণের জন্য দুই বছরের মেয়াদে বিদেশি কোচ নিয়োগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ফেডারেশনকে আহ্বান জানান তিনি।

যুব সমাজকে মাদক ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাই পারে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক জাতি গড়ে তুলতে।

ব্যাডমিন্টন লীগের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিকটস্থ রোলার স্কেটিং গ্রাউন্ডে ‘স্বাধীনতা দিবস বয়সভিত্তিক রোলার স্কেটিং হিট-২০২৬’ এরও উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

ময়মনসিংহে হাসপাতালে সাদিয়া আফরিন সামি (২৫) নামে এক গৃহবধুর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর থেকে স্বামী মেহেদী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে এই ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আফরিন সামি সদর উপজেলার বোরর চর ইউনিয়নের বাড়তিপাড়া এলাকার মেহেদী হাসানের স্ত্রী।

মাদিয়া আফরিন সামির দুলাভাই সাগর বলেন, গতকাল রাত ৯টার দিকে মেহেদী হাসানের ভাই আমাকে ফোন করে জানায়, আপনার শ্যালিকা স্ট্রোক করছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ কথা বলেই সে ফোন কেটে দেয়। পরে আমরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে সাদিয়া আফরিন সামির মরদেহ দেখতে পারি।

তবে, তার স্বামী মেহেদী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন কাউকে পাওয়া যায়নি। তারা সাদিয়া আফরিন সামির মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে মরদেহ মর্গে পাঠায়। পরে দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পুলিশ মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করে।

তিনি আরও বলেন, আনুমামিক ৬ বছর আগে মেহেদীর সাথে পারিবারিকভাবে সাদিয়া আফরিন সামির বিয়ে হয়। তাদের ঘরে আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মেহেদী প্রায় আমার শ্যালিকাকে বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলতেন। এসব নিয়ে তাদের পরিবারে কলহ লেগেই থাকত। টাকার জন্য আমার শ্যালিকাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ওই নারী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শরীরে কোন আঘাতের চিন্ত নেই। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হরমুজে ১০৭ দিন ধরে আটকা ৫৬২ ভারতীয় নাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
হরমুজে ১০৭ দিন ধরে আটকা ৫৬২ ভারতীয় নাবিক

Oplus_131072

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে ১০৭ দিন ধরে আটকা রয়েছে ভারতের পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজ। এই জাহাজগুলোতে অন্তত ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক আছেন বলে জানা গেছে।

রোববার (১৪ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে সাগরে আটকে থাকা জাহাজগুলোতে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও ওষুধ সংকট। ইতোমধ্যে আটকে পড়া জাহাজে অসুস্থ হয়ে নিশান্ত উরথানাথন নামে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ‘এমটি সেলেস্টিয়াল’ নামের ভারতীয় এক জাহাজে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির মরদেহ শিগগিরই ভারতে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

নিশান্ত উরথানাথনের এই করুণ মৃত্যুতে তীব্র ভয় ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে সাগরে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলোর নাবিকদের মধ্যে। এ অবস্থায় ওমানের রাজধানী মাস্কটে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস রোববার এক বিবৃতিতে বলেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দুর্ভাগ্যবশত মারা যাওয়া নিশান্ত উরথানাথনের পরিবারের পাশাপাশি জাহাজের ক্রু সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌‌নিশান্ত উরথানাথনের মৃতদেহ জাহাজ থেকে নামানো এবং যত দ্রুত সম্ভব ভারতে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চলছে।

বর্তমানে ওমানের দুকম বন্দরে রয়েছে ভারতীয় পতাকাবাহী এমটি সেলেস্টিয়াল জাহাজ। ভারতীয় দূতাবাস বলেছে, জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কোম্পানির সঙ্গেও ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ চলছে।

ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বলেছে, বর্তমানে ভারতের পতাকাবাহী অন্তত ১৩টি পণ্যবাহী জাহাজে থাকা ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক প্রায় ১০৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছেন। তাদের মধ্যে ৩২৯ জন নাবিক প্রণালির পশ্চিমে এবং ২৩৩ জন নাবিক প্রণালির পূর্ব দিকে ওমান উপসাগরে আটকা আছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই এই ৫৬২ জন নাবিক হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে আটকা পড়ে আছেন। সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়তে থাকায় ভয় ও অনিশ্চয়তা ভর করেছে তাদের মধ্যে।

এদিকে রোববার ভারতের পতাকাবাহী ‘বিরাট ১’ নামের একটি পালতোলা জাহাজে নতুন এক ঘটনা সামনে এসেছে। ওমানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ওমান উপকূলে ওই জাহাজটিকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জাহাজটিতে ১৪ জন ভারতীয় ক্রু ছিলেন। ওমান কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলোর সমন্বয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিরাট ১’ জাহাজের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার পর ক্রু সদস্যরা নিরাপদে উদ্ধারকারী নৌকায় আশ্রয় নেন। ওমানি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলোর অংশগ্রহণে বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

কালের আলো/এসএকে

অন্ধকার গলি থেকে গণমাধ্যমকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
অন্ধকার গলি থেকে গণমাধ্যমকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুনের সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মধ্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার গলিতে ঢুকে পড়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে সেখান থেকে গণমাধ্যমকে আবার মুক্ত আকাশে বের করা সম্ভব হতো কিনা-ইতিহাসে সেই প্রশ্ন রয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে যুগ যুগ ধরে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সসম্মানে স্মরণ করতে হবে, কারণ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত দুইটার সময় কারো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই ৩৬ বছর বয়সের একজন বাঙালি মেজর একটি প্রতিষ্ঠিত সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কেবল নিজের সততা, মূল্যবোধ, চেতনা ও দেশপ্রেমের ওপর ভর করে তিনি ক্যান্টনমেন্ট ও দেশবাসীর সামনে সংকটকালীন সময়ের সমাধানের পুরুষ হিসেবে হাজির হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারা জানেন, ২৫ মার্চের সেই রাতে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে জাতি দিকনির্দেশনাহীন থাকতো। একইভাবে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা যদি তাকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে নিয়ে না আসতো, তবে দেশে শান্তির ছায়া নেমে আসতো না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তার মনোজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করেছে তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ওপর হওয়া অসম্মানজনক আচরণকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়কের মতো হজম করেছেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভর করে দেশের সকল ভিন্ন মতের জন্য সমালোচনা করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতির মাঠে এনে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি চতুর্থ সংশোধনীর সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে দিয়ে কবর দেওয়া পার্লামেন্টকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। ভিন্ন মতকে সম্মান করা এবং বহুমাত্রিক চিন্তার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করাই ছিল তার রাষ্ট্রনায়কোচিত বৈশিষ্ট্য।

গণমাধ্যম সম্পর্কে শহীদ জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো নেতাই জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেন না, যদি না তিনি গণমাধ্যমের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন। শহীদ জিয়া শুধু গণমাধ্যমকে অবকাঠামোগত বা আর্থিক সুবিধাই দেননি, বরং গণমাধ্যম যাতে রাষ্ট্র ও সমাজের পরিচ্ছন্ন আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে-সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তার সেই অবদানের কারণেই আজ সমাজ ও রাষ্ট্র জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম।

কালের আলো/এসএকে