খুঁজুন
                               
, ,
           

গাংনী সীমান্তে রাস্তার কাজে বিএসএফের বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
গাংনী সীমান্তে রাস্তার কাজে বিএসএফের বাধা

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কাজীপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৭ এস এলাকার ৮ কবর যাওয়ার রাস্তা হেয়ারিং বন্ড কাজ করার সময় বিএসএফ ক্যাম্পের তিন সদস্য বাধা দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম বললেন, কাজীপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে সীমান্তে ৮ কবর পর্যন্ত মাটির রাস্তায় কৃষিপণ্য বহনসহ জনসাধারণকে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জেলা পরিষদের মাধ্যমে রাস্তাটি হেয়ারিং বন্ড করা হচ্ছে। কাজ চলমান অবস্থায় বিএসএফের কয়েকজন সদস্য বাধা প্রদান করে।

কাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলম হুসাইন জানালেন, রাস্তাটি সীমান্ত এলাকা হওয়ার কারণে যতবার এইচবিবি করণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, ততবার বিএসএফ বাধা দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে এই আট কবরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে  শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন ৪৭ বিজিবি এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনির ভাষ্য, সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা তৈরি করতে গেলে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের বসে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। রাস্তা নির্মাণ কাজে বাধা দেয়ার বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দায়রা আদালতেও জামিন পেলেন না মেজর আখতারুজ্জামান

আদালত প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
দায়রা আদালতেও জামিন পেলেন না মেজর আখতারুজ্জামান

সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় তাঁর জামিন চাওয়া হয়েছিল।

২৬ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী এ আদেশ দেন। এর ফলে এ মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ পেলেন না তিনি। আদালতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তাঁর জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর আগে নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তাঁর পক্ষে দায়রা আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেখানেও জামিন মেলেনি।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে হাজির করা হলে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পরে তাঁর আইনজীবীরা দায়রা আদালতে জামিনের আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না পাওয়া নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি হুমকি-ধমকিতে গড়ায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। জামিন আবেদন নামঞ্জুরের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে তাঁর মুক্তির আবেদন আপাতত নাকচ হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

আকাশের ৭২ রানে ব্র্যাকের বিপক্ষে স্কলার্সের দাপট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
আকাশের ৭২ রানে ব্র্যাকের বিপক্ষে স্কলার্সের দাপট

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্কলার্স। আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২১৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দলটি। জবাবে স্কলার্সের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ব্র্যাক। ১৮.৫ ওভারে ১০৬ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। ফলে ১০৭ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্কলার্স।

আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসের পর প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল স্কলার্স। দুই ওপেনার আকাশ ও রাকিব আহমেদের ব্যাটে বড় সংগ্রহের ভিত পায় দলটি। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ব্র্যাকের বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চাপ তৈরি করেন আকাশ। দলীয় ৯১ রানে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২৮ বলে ৭২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। ২৫৭.১৪ স্ট্রাইকরেটের এই ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং স্কলার্সকে দ্রুত বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেয়।অন্য প্রান্তে সমান কার্যকর ছিলেন রাকিব আহমেদ। তিনি ৪০ বলে ৬৩ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছক্কা। দুই ওপেনারের অর্ধশতকে স্কলার্সের ব্যাটিংয়ে গতি আসে এবং বড় সংগ্রহের ভিত্তি তৈরি হয়।

ব্র্যাকের হয়ে দেবজ্যোতি ও নাফিস দুটি করে উইকেট নেন। তবে তাঁদের বোলিং স্কলার্সের রানের গতি পুরোপুরি থামাতে পারেনি। নির্ধারিত ইনিংস শেষে ৬ উইকেটে ২১৫ রান সংগ্রহ করে স্কলার্স। ২১৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। স্কলার্সের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে ফিরে যান ওপেনার অয়ন। এরপর ৯ রান করে আউট হন আকাশ। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ব্র্যাকের বিপর্যয় আরও বাড়ে তাজওয়ার, অর্ক ও জারিফুলের বিদায়ে। তিনজনই শূন্য রানে ফেরেন, তাও মাত্র তিন বলের ব্যবধানে। এরপর রাফিন ২ রান করে আউট হলে মাত্র ৩৯ রানেই ষষ্ঠ উইকেট হারায় ব্র্যাক।

একপর্যায়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের শঙ্কা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে দলটির সামনে। স্কলার্সের বোলাররা লাইন-লেংথ ধরে রেখে ব্র্যাকের ব্যাটারদের স্বাভাবিক খেলায় বাধা দেন। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে দেবজ্যোতি ও রোহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে তাঁদের এই প্রচেষ্টা দলকে বড় পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি।

রোহান ২৬ বলে ২৯ রান করে রানআউট হন। পরে দেবজ্যোতিও ২৬ বলে ৩২ রান করে একইভাবে রানআউটের শিকার হন। তাঁদের বিদায়ের পর ব্র্যাকের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার পথে এগোয়। আজমাইন শূন্য রানে বোল্ড হলে নবম উইকেট হারায় দলটি। এরপর ১৮.৫ ওভারে নাফিসের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১০৬ রানে শেষ হয় ব্র্যাকের ইনিংস। স্কলার্সের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন মেহেদী। মাত্র ৩ রান খরচায় দুটি উইকেট নিয়ে ব্র্যাকের ব্যাটিং লাইনআপে চাপ তৈরি করেন তিনি। এ ছাড়া মিরাজ, আকাশ, রাকিব আহমেদ ও ইমরান একটি করে উইকেট পান। দুই ওপেনারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ এবং বোলারদের কার্যকর পারফরম্যান্স—দুই মিলিয়ে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে ব্র্যাকের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেয় স্কলার্স।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

গুলশানের ‘কিংফিশার’ বারে গোপন বেজমেন্টে মিলল কোটি টাকার বিদেশি মদ!

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
গুলশানের ‘কিংফিশার’ বারে গোপন বেজমেন্টে মিলল কোটি টাকার বিদেশি মদ!

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে ‘কিংফিশার’ বার ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৮২৭ লিটার বিদেশি মদ ও ৫৩৩ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়। রেস্তোরাঁটির ভেতরে মাছ ও স্টেকের বিজ্ঞাপনসংবলিত একটি বিলবোর্ডের আড়ালে পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত গোপন বেজমেন্টের সন্ধান পান কর্মকর্তারা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর আইডিবি ভবনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক রিজভি আহমেদ। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে এসব মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।

বিলবোর্ডের পেছনে গোপন কক্ষ, ছিল সিসিটিভি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা
অভিযান চলাকালে রেস্তোরাঁর দৃশ্যমান তাকগুলোতে গ্রাহকের সংখ্যার তুলনায় বেশি পরিমাণ মদ দেখতে পান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এতে সন্দেহ হলে রেস্তোরাঁর ভূগর্ভস্থ সিঁড়ি ও বারের ভেতরের অংশে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে সন্ধান মেলে একটি গোপন বেজমেন্টের।
বেজমেন্টে প্রবেশের দরজাটি মাছ ও স্টেকের বিজ্ঞাপনসংবলিত একটি বিলবোর্ড দিয়ে আড়াল করা ছিল। দরজাটি স্ক্রু দিয়ে আটকানো ছিল। সেখানে ছিল পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা।

কর্মকর্তারা বিলবোর্ড সরিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করলে ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অভিযানে অসহযোগিতা করেন বলে জানানো হয়। পরে আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগ করে দরজা ভেঙে গোপন কক্ষে প্রবেশ করেন যৌথ অভিযানের কর্মকর্তারা।

জব্দ ৮২৭ লিটার বিদেশি মদ, বাজারমূল্য প্রায় চার কোটি টাকা
গোপন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন বিদেশি ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়। এসব মদ মজুতের পক্ষে সংশ্লিষ্টরা কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
জব্দ করা মদের মধ্যে রয়েছে ভ্যাট ৬৯, চিভাস, ব্ল্যাক লেবেল, রেড লেবেল, জ্যাক ড্যানিয়েলস, গোল্ড লেবেল, রয়্যাল চ্যালেঞ্জ ও অ্যাবসলুট ভদকাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৮২৭ লিটার বিদেশি মদ। এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য চার কোটি ৯৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া হান্টারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৫৩৩ লিটার বিদেশি বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক রাজস্ব হিসাব অনুযায়ী, সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের চালানের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা।

এনবিআরের চার দপ্তরের যৌথ অভিযান
রিজভি আহমেদ জানান, গোয়েন্দা তথ্য যাচাই-বাছাই করে এর সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর এনবিআরের নির্দেশে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে এনবিআরের চারটি দপ্তর—সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের কর্মকর্তারা অংশ নেন। অভিযানে এসআরবিসহ প্রায় সাত থেকে আটটি নিরাপত্তা দল সার্বক্ষণিক সহায়তা দেয়।

রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, বৈধ আমদানি এবং শুল্ক-কর পরিশোধের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় জব্দ করা পণ্যের উৎস, আমদানি প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অবৈধভাবে বিদেশি মদ ও বিয়ার মজুত এবং এর মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুস্তবা ইসতিয়াক আহমদ, মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক ইমাম গাজ্জালী, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের সহকারী পরিচালক মহিবউল ইসলাম এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী আল মাসুম।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি