খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সোনারহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা ফায়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
সোনারহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা ফায়ার

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনারহাট সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলির জবাবে পাল্টা ফায়ার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।মঙ্গলবার (১৯ মে) বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (১৮ মে) বিকেলে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সোনারহাট সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ গুলি ছুড়লে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাল্টা ফায়ার করে।

বিজিবির দৃঢ় ও পেশাদার পদক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে যেকোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে বাহিনীটি।

বিজিবি আরও জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং অননুমোদিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে

কালের আলো/এসআইপি

সব মাধ্যমিক স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সব মাধ্যমিক স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সোমবার

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুলে আগামী সোমবার একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালনের নির্দেশে দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সম্প্রতি মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন-লেইস প্রজেক্ট থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ দেওয়া পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এদিন একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষরোপণ, ব্যানার ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার ও র‍্যালি আয়োজন করতে হবে।

এদিন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্যদের উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জনানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বুয়েটের যেমন সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে সৃজনশীলতা, মেধা, বুদ্ধি এবং দেশ বিনির্মাণের ভূমিকা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে অনেক অবদান। শনিবার (২৭ জুন) বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মাহদী আমিন বলেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে আমরা চিন্তা করতে পারি, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই কিন্তু বুয়েটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার্সদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের যত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন না কেন, দেখবেন সেখানে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা রয়েছেন তারা সেখানে হয় পড়াশোনা করছেন অথবা কেউ না কেউ শিক্ষকতা করছেন। অর্থাৎ আজকে বুয়েটে ভর্তির মাধ্যমে আপনারা খুব রিয়েল একটা লেগেসি পাচ্ছেন, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেই ঐতিহ্য বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরেও বিশ্বের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, নতুন সরকার মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র কোনো সার্টিফিকেট অর্জন করবে না, শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একজন মানুষ যার ন্যায়, নীতি, সততা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম থাকবে। এবং একই সঙ্গে সেই দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে তিনি গড়ে উঠবেন। যেখানে আগামীর বাংলাদেশের কর্ণধার হিসেবে তারা চাকরির জন্য, ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য সে প্লাটফর্মগুলোতে সুযোগ পাবেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে বুয়েটকে অবশ্য বড় একটা ভূমিকা রাখতে হবে। যেহেতু আপনারা দেশের শীর্ষ মেধাবী, সবচেয়ে বেশি সৃজনশীলতা নিয়ে আপনারাই তো আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

আপনারা যারা রয়েছেন, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত।স্পোর্টস কালচারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। পুথিগত বিদ্যা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনাদের ইন্টারপার্সোনাল স্কিলস, ট্রান্সফারেবল স্কিলস, টিম স্কিল, লিডারশিপ এই প্রত্যেকটা তৈরি করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা যেমন বলি- ‘গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট রেসপন্সিবিলিটি’ আপনাদের ক্ষেত্রেও একই। আপনাদের অনেক স্বীকৃতি আছে। এর মানে, আমাদের এটাকে আরও এক হাত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে কীভাবে একটা শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারি, সেখানে আপনারা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- তিনি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন, কীভাবে বুয়েটে গবেষণার জন্য আরও বেশি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। এত বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভিসি স্যারকে বলছিলাম অডিটোরিয়ামের এ অবস্থা কেন? আমাদের মনে হয় সরকারের দিক থেকেও আরও বেশি সহযোগিতা করার প্রয়োজন রয়েছে এবং আমরা ইনশাআল্লাহ সেটা করব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আমি আজকে যখন আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি এটা শুধু ওরিয়েন্টেশনের শিক্ষার্থীর সামনে না, দাঁড়িয়ে রয়েছি আগামী বাংলাদেশ যারা বিনির্মাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের যারা কান্ডারি, সেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে। আগামীর ভবিষ্যৎ ইনশাআল্লাহ আপনারা নির্মাণ করবেন। সরকারের দিক থেকে যা করণীয়, যা সহযোগিতার প্রয়োজন হবে, আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা দিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াব।

এ সময় শহীদ আবরার ফাহাদের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেই মানুষটা কিন্তু আপনাদেরই পূর্বে ছিলেন এ বুয়েটের। আমরা চাই আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সুনাগরিক হয়ে ওঠার যে আকাঙ্ক্ষা সেটাকে ধারণ করে, আগামী বাংলাদেশের বুয়েট এবং বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদেরকে মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্লাটফর্মটা তৈরি করে দিতেন।

মাহদী আমিন বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন সেই কাজটা করতে যাব, অবশ্যই মূল গড়ে উঠার ভিত্তি হবেন আপনারা। আপনারা যারা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন, আগামীর বাংলাদেশে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন, ভালো ভালো জায়গায় নিজেদের কর্মসংস্থান হবে, হাজারো, লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান আপনারা তৈরি করবেন। আগামীর বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আপনারা সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন এম গোলাম জাকারিয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ

সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার (২৭ জুন) এক প্রতিবেদনে বলেছে, কার্লোস এদোয়ার্দো নামে ৩১ বছর বয়সী ওই যুবক ভূমিকম্পের পর আটকা পড়ে যান। গত দুইদিন ধরে তাকে জীবিত পাওয়ার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তারা এখনো তার কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

এরমধ্যে আজ তিনি সামান্য শব্দ করেছেন। তার এক চাচাত ভাই বিবিসিকে বলেছেন, “প্রায় দেড় ঘণ্টা বা তার কম বেশি সময় আগে আমরা তার কাছ থেকে (শব্দ) শুনতে পাই। যদিও সে কোনো কথা বলেনি। কিন্তু সে গোঙানির শব্দ করেছে। আমরা তার জন্য খুবই দুশ্চিন্তা নিয়ে অপেক্ষা করছি। ওই গোঙানির পর সে আর কোনো উত্তর দেয়নি।”

পরিবারের সদস্যরা শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানানোর পর সেখানে একটি স্প্যানিশ উদ্ধারকারী দল এসেছিল। তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে ভবনটিতে তল্লাশি চালায়। তবে তারা জীবনের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তারা চলে যান।

কিন্তু কার্লোস এদোয়ার্দোর আত্মীয়রা হাল ছাড়তে চান না। তারা হাত দিয়েই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশা কার্লোসকে জীবিত উদ্ধার করে আনতে পারবেন।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি