খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ কে এই থমাস ডুলি?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ কে এই থমাস ডুলি?

হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে দীর্ঘ চার বছরের অধ্যায় শেষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন থমাস ডুলি। তার জীবন ও ক্যারিয়ার বেশ বৈচিত্রময়। জন্ম জার্মানিতে, সেখানকার ক্লাব ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ডিফেন্ডার ও মিডফিল্ডার উভয় ভূমিকায়। তবে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য বেছে নিলেন যুক্তরাষ্ট্রকে। তাদের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে।

১৯৯০-এর দশকে ডুলি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় ফুটবল দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। জার্মান পেশাদার লিগে বহু বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি মার্কিন ফুটবলে যোগ দেন ১৯৯২ সালে। মূলত একজন মার্কিন সেনাসদস্যের সন্তান হওয়ায় ডুলি যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। এরপর অংশ নিয়েছেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তার হাতে ওঠে মার্কিন দলের নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড।

জার্মান লিগে ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ১৯৯০ সালে কাইজারস্লাউটার্নের হয়ে জার্মান কাপ জেতেন। ১৯৯৭ সালে এফসি শালকের হয়ে ইন্টার মিলানকে হারিয়ে উয়েফা কাপের চ্যাম্পিয়ন এবং একই বছর মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব কলম্বাস ক্রিউতে নাম লেখান ডুলি। ২০০০ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় বলা এই ডিফেন্ডার ১০ বছর পর স্থান পান যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সকার হল অব ফেমে।

কোচিংয়েও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন ডুলি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কিংবদন্তি ইউর্গেন ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর রীতিমতো ইতিহাস লিখেছেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে। ডুলির নেতৃত্বে ফিলিপাইন অপরাজিত থেকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয় এবং অর্জন করে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং। সবশেষ তিনি ছিলেন গায়ানার প্রধান কোচ, যেখানে দলটি তার অধীনে চারটি ম্যাচের সবকটিতেই জিতেছে।

থমাস ডুলিকে হামজা-জামালদের কোচ নিয়োগের ঘোষণায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, কোচ ডুলি একটি দল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষ এবং এশিয়ার ফুটবলের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তার রয়েছে গভীর ধারণা। বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সফল এক দলে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এবার নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন ডুলি।

এর আগে বাফুফে ২ বছরের জন্য কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। যার বিপরীতে আড়াইশ’র বেশি সিভি থেকে একটি বিশেষ বাছাই কমিটি ২২ জনের তালিকা জাতীয় দল কমিটিকে দেয়। সেখান থেকে ১১ জনের আরেকটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়। সেই ১১ জনের সাক্ষাৎকার নেয় ফেডারেশনের কর্তারা। ওয়েলসের কোচ ক্রিস কোলম্যানকে নিয়ে আগ্রহ বেশি থাকলেও পরবর্তীতে এজেন্ট ফি নিয়ে জটিলতায় আর হয়নি। আলোচনায় ছিলেন ব্রেন্ডন স্টোকসও, তবে তার পরিবর্তে ডুলিকে বেছে নিয়েছে বাফুফে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুর্নীতির মতো ধর্ষণেরও কোনো ছোট কিংবা বড় ডেফিনেশন বা সংজ্ঞা আইনিভাবে হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের ক্ষেত্রে একটির বিচার চাওয়া হবে আর অন্যটির চাওয়া হবে না- এমন দ্বিচারিতা চলতে পারে না। সব ধর্ষণই সমান অপরাধ।’

সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম বৈঠকে দুর্নীতি দমন কমিশনের বাজেট ও ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদ অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে আলোচনা শুরু হয়। যেখানে ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও সরকারের উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেন, ১৯ ঘণ্টা পার হওয়ার পর সরকার কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তার স্পষ্ট বয়ান ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। এরপরও কিছু সদস্যের বক্তব্য ও ডিবেট নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে মন্ত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, তারা আসলে ধর্ষণের পক্ষে কথা বলছেন নাকি বিপক্ষে কথা বলছেন, তা স্পষ্ট নয়। আইনে যেমন উচ্চ দুর্নীতি বা নিম্ন দুর্নীতি বলে আলাদা কিছু নেই, দুর্নীতি মানেই দুর্নীতি; ঠিক তেমনি ধর্ষণের ক্ষেত্রেও কোনো ছোট-বড় ভেদ নেই, সব অপরাধই সমান এবং সবক্ষেত্রেই সমানভাবে বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে অধিবেশনে দুদক সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ও সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের লক্ষ্যেই পূর্বের অধ্যাদেশটি তখন গ্রহণ করা হয়নি, তবে আগের আইনটি রিভাইভ হওয়ায় সার্চ কমিটির মাধ্যমেই দ্রুত দুদককে ফাংশনাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি একটি মধ্যবর্তী ব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে সংসদে বিল আকারে এনে সবার আলোচনার ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন আইন প্রণয়ন করা হবে।

একই সঙ্গে দেশ থেকে পাচার হওয়া প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পেশ করা শ্বেতপত্রের তথ্য তুলে ধরে বলেন, ব্যাংকিং খাতের লুটপাট ও রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া ঋণের টাকা দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব ছিল। এই বিপুল পরিমাণ পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে মাগুরার ডিসিকে

মাগুরা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে মাগুরার ডিসিকে

মাগুরার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল তিনটার দিকে তাকে ঢাকা নেওয়া হয়।

এর আগে রোববার (১৪ জুন) কয়েকটি সরকারি কর্মসূচি শেষে রাতে তিনি তীব্র অসুস্থতা অনুভব করেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবীর জানান, জেলা প্রশাসক শ্বাসকষ্ট, গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা এবং পেটের স্নায়ুজনিত কিছু জটিলতায় ভুগছেন। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমরা তাকে ঢাকায় প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিই।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, গত দুই দিন ধরেই তিনি কিছুটা অসুস্থ বোধ করছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসকের আকস্মিক অসুস্থতায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা : সংসদে সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা : সংসদে সেতুমন্ত্রী

গত তিন বছরের বেশি সময়ে দেশের সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ও তাদের পরিবারকে মোট ২১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সরকার। ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সময়ে মোট ৫ হাজার ৮৪ জন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় সেশনের সপ্তম কার্যদিবসে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই তথ্য জানান। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।

সংসদে দেওয়া মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সরকারি এই আর্থিক সহায়তার আওতায় সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষের পরিবারগুলো। মোট ৩ হাজার ৮৮১ জন নিহত ব্যক্তির পরিবারকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৮২৯ জন এবং গুরুতর আহত আরও ৩৭৪ জন ব্যক্তি সরকারের এই কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে